
এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া: সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের রবিবার (১১অক্টবর) জানা যায় একজন শাহেদ আহম্মেদ (৩২)। তাঁর বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়নের মাদলা গ্রামে। গত শনিবার (১০ অক্টোবর) এ হামলার ঘটনা ঘটে। শাহেদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বর্তমানে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। নিহত শাহেদ আহম্মেদ মাদলা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম মিঠু ও মোছা. শাহেরা বেগম দম্পতির ছেলে। তাঁর সংসারে স্ত্রী এবং কাউছার (১১) ও আব্দুল্লাহ (৬) নামে দুই ছেলে রয়েছে। পরিবারের উপার্জনক্ষম এই সদস্যের মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে।
নিহত শাহেদের চাচাতো ভাই মাসুম রানা জানান, শাহেদের বাবা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী। প্রায় দুই বছর আগে তিনি শাহেদকে নিজের কাছে নিয়ে যান। এক মাস আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন শাহেদ। পরে গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আবার সৌদি আরবে ফিরে যান। এদিকে, শাহেদের মা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। মাসুম রানা আরও জানান, শাহেদের মরদেহ কবে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষায় রয়েছেন। প্রিয়জনের মরদেহ শেষবারের মতো দেখার আশায় দিন গুনছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাইফুর রহমান বলেন, “শাহেদকে দেশে আনার বিষয়ে সরকার কাজ শুরু করেছে। আমি নিজেও উদ্যোগ নিয়ে খোঁজখবর রাখছি। সরকারি খরচেই মরদেহ দেশে আনা হবে। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হলে তা করার জন্য প্রস্তুত আছি। শাহেদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষায় রয়েছেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা। দুই শিশুসন্তানকে রেখে তাঁর এমন অকালমৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও অনিশ্চয়তা।
প্রতিবেদকের নাম 



















