Dhaka ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ফেইসবুকে ইসলাম ও নবীজিকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য বিচার চেয়ে উত্তেজিত জনতার বিক্ষোভ মিছিল পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে বনভূমি দখল সচেতনতার অভাবে একটি শিশুও যেন ঝুঁকিতে না পড়ে: ডিসি ফরিদা গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ শরীফের ব্যবস্থাপনায় ৫দিন ব্যাপী শোহাদা-ই কারবালা মাহফিলের ৩য় দিবস সম্পন্ন তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যার রহস্য উন্মোচন, ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বিস্ফোরক মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার কালশীতে ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতায় স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইলসহ ছিনতাইকারী আটক তেকানীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল মনপুরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে উপজেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএসসিসি, বিডি ক্লিন ও রেড ক্রিসেন্টের যৌথ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন

সচেতনতার অভাবে একটি শিশুও যেন ঝুঁকিতে না পড়ে: ডিসি ফরিদা

কাজী আন্নিল তানভীর, স্টাফ রিপোর্টার: সচেতনতার অভাবে একটি শিশুও যেন মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে না পড়ে, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম৷ তিনি বলেছেন, অপুষ্টি ও ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর আজিমপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক। ফরিদা খানম বলেন, একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও হামের মতো রোগের জটিলতা এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করে। জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ঢাকা জেলার কোনো শিশুই যেন এই জীবনরক্ষাকারী ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বঞ্চিত না হয়। বিশেষ করে বস্তি এলাকা, ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে আনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  দেশে টিভি চ্যানেল ৫৯টি, পত্রিকা ১৪৩৬ ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল ৪৭৪টি: সংসদে তথ্যমন্ত্রী

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকরা সমাজে সচেতনতা তৈরির অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তাদের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং তারা সন্তানদের নিয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে আসতে উৎসাহিত হবেন। তাই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে সংবাদমাধ্যমকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় জাতীয় পুষ্টি সেবা, সেভ দ্য চিলড্রেন, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালসহ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানের প্রশংসা করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সুস্থ ও সবল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুনঃ  যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএসসিসি, বিডি ক্লিন ও রেড ক্রিসেন্টের যৌথ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন

 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সারাদেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় জাতীয়ভাবে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৯ জন শিশু।

আরও পড়ুনঃ  আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফেইসবুকে ইসলাম ও নবীজিকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য বিচার চেয়ে উত্তেজিত জনতার বিক্ষোভ মিছিল

সচেতনতার অভাবে একটি শিশুও যেন ঝুঁকিতে না পড়ে: ডিসি ফরিদা

আপডেটের সময়: ০৯:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

কাজী আন্নিল তানভীর, স্টাফ রিপোর্টার: সচেতনতার অভাবে একটি শিশুও যেন মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে না পড়ে, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম৷ তিনি বলেছেন, অপুষ্টি ও ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর আজিমপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক। ফরিদা খানম বলেন, একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও হামের মতো রোগের জটিলতা এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করে। জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ঢাকা জেলার কোনো শিশুই যেন এই জীবনরক্ষাকারী ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বঞ্চিত না হয়। বিশেষ করে বস্তি এলাকা, ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে আনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  আলোচনা স্থগিত স্থায়ী শান্তি চুক্তির পথে শুরুতেই হোঁচট

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকরা সমাজে সচেতনতা তৈরির অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তাদের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং তারা সন্তানদের নিয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে আসতে উৎসাহিত হবেন। তাই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে সংবাদমাধ্যমকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় জাতীয় পুষ্টি সেবা, সেভ দ্য চিলড্রেন, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালসহ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানের প্রশংসা করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সুস্থ ও সবল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুনঃ  যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএসসিসি, বিডি ক্লিন ও রেড ক্রিসেন্টের যৌথ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন

 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সারাদেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় জাতীয়ভাবে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৯ জন শিশু।

আরও পড়ুনঃ  মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী