Dhaka ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রানীগঞ্জ রবিন মার্কেট বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ০১ টাকায় লাউ। দিশেহারা কৃষক বাউফলে খালে ভাসমান অবস্থায় হাত বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করল পুলিশ সাতকানিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল সাঈদ সোহেলের জন্মদিন উদযাপন মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে ফুটবলকে হাতিয়ার করলেন চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন মন্ডল পত্নীতলায় শহীদ জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন ধুনটে আদালতের তোয়াক্কা না করে দোকানের সামনে বেড়া, বন্ধ বেচাকেনা নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫ ধুনটে পানিতে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, ৫ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ জীবন একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই

রানীগঞ্জ রবিন মার্কেট বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ০১ টাকায় লাউ। দিশেহারা কৃষক

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৩২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ সময় দেখুন

মোঃ রমজান আলী আটোয়ারী উপজেলা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী রানীগঞ্জ বাজারে এক টাকায় বিক্রি হচ্ছে এক পিস লাউ। যে লাউ উৎপাদনে কৃষকের খরচ হচ্ছে ৬ থেকে ৭ টাকা, বাজারে তার দাম মিলছে মাত্র ১ থেকে ২ টাকা। অথচ রাজধানী ঢাকার বাজারে একই লাউ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। উৎপাদন খরচের চেয়ে কয়েক গুণ কম দামে ফসল বিক্রি করতে গিয়ে দিশেহারা কৃষকেরা। লোকসানের আশঙ্কায় কেউ কেউ ক্ষেত থেকে লাউ তোলাই বন্ধ করে দিয়েছেন। ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দোহশুহ গ্রামের চাষী মোঃ খোরশেদ, মোঃ সবুজ মিয়া, মোঃ রাজ্জাক(মনু) বলেন খেতে ঝুলছে পাকা লাউ, জমিতে পড়ে নষ্ট হচ্ছে সবজি। ভালো ফলন তবে দাম নেই। এখন কৃষকের কাছে পরিণত হয়েছে আর্থিক বোঝায়। সরেজমিনে দেখা যায় আজ ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, লাউয়ের মাচাজুড়ে ঝুলছে অসংখ্য লাউ। কৃষকদের ভাষ্য, এবার ফলন গত বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন বাড়লেও দাম কমে যাওয়ায় সেই ফলন থেকে লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচের সামান্য অংশও তুলতে পারছেন না তারা। ক্ষেত থেকে লাউ তুলে বাজারে নেওয়ার খরচটুকুও উঠছে না অনেকের। ফলে লাউ সংগ্রহ না করে মাচায় ফেলে রাখছেন কেউ কেউ। সময়মতো বিক্রি করতে না পারায় কিছু লাউ নষ্টও হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  লালপুরে বসতবাড়ি থেকে ১৬ ফুট উচ্চতার গাঁজাগাছ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

কৃষকদের হিসাবে, জমি তৈরি, হালচাষ, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, মাচা নির্মাণ ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে প্রতি পিস লাউ উৎপাদনে খরচ পড়ে ৬ থেকে ৭ টাকা। অথচ মাঠপর্যায়ে বিক্রি করতে হচ্ছে ১ থেকে ২ টাকায়। এতে প্রতিটি লাউয়ে লোকসান হচ্ছে ৪ থেকে ৬ টাকা। উৎপাদন যত বেশি হচ্ছে, লোকসানের অঙ্কও তত বাড়ছে। দুই বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছেন রানীগঞ্জের কৃষক কামাল ইসলাম। তিনি বলেন, আমি মোট দুই বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছি। দুই বিঘা জমিতে আমার প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার লাউয়ের উৎপাদন ভালো হয়েছে। প্রথম দিকে লাউয়ের দাম কিছুটা ভালো ছিল। কিন্তু বর্তমানে এক টাকায় এক পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক পিস লাউ উৎপাদন করতে আমাদের ৫ থেকে ৭ টাকা খরচ হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা মাঠে মারা যাব।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় বড়াল-গুমানি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রানীগঞ্জ রবিন মার্কেট বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ০১ টাকায় লাউ। দিশেহারা কৃষক

রানীগঞ্জ রবিন মার্কেট বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ০১ টাকায় লাউ। দিশেহারা কৃষক

আপডেটের সময়: ১০:৩২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ রমজান আলী আটোয়ারী উপজেলা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী রানীগঞ্জ বাজারে এক টাকায় বিক্রি হচ্ছে এক পিস লাউ। যে লাউ উৎপাদনে কৃষকের খরচ হচ্ছে ৬ থেকে ৭ টাকা, বাজারে তার দাম মিলছে মাত্র ১ থেকে ২ টাকা। অথচ রাজধানী ঢাকার বাজারে একই লাউ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। উৎপাদন খরচের চেয়ে কয়েক গুণ কম দামে ফসল বিক্রি করতে গিয়ে দিশেহারা কৃষকেরা। লোকসানের আশঙ্কায় কেউ কেউ ক্ষেত থেকে লাউ তোলাই বন্ধ করে দিয়েছেন। ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দোহশুহ গ্রামের চাষী মোঃ খোরশেদ, মোঃ সবুজ মিয়া, মোঃ রাজ্জাক(মনু) বলেন খেতে ঝুলছে পাকা লাউ, জমিতে পড়ে নষ্ট হচ্ছে সবজি। ভালো ফলন তবে দাম নেই। এখন কৃষকের কাছে পরিণত হয়েছে আর্থিক বোঝায়। সরেজমিনে দেখা যায় আজ ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, লাউয়ের মাচাজুড়ে ঝুলছে অসংখ্য লাউ। কৃষকদের ভাষ্য, এবার ফলন গত বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন বাড়লেও দাম কমে যাওয়ায় সেই ফলন থেকে লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচের সামান্য অংশও তুলতে পারছেন না তারা। ক্ষেত থেকে লাউ তুলে বাজারে নেওয়ার খরচটুকুও উঠছে না অনেকের। ফলে লাউ সংগ্রহ না করে মাচায় ফেলে রাখছেন কেউ কেউ। সময়মতো বিক্রি করতে না পারায় কিছু লাউ নষ্টও হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তির দাবি

কৃষকদের হিসাবে, জমি তৈরি, হালচাষ, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, মাচা নির্মাণ ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে প্রতি পিস লাউ উৎপাদনে খরচ পড়ে ৬ থেকে ৭ টাকা। অথচ মাঠপর্যায়ে বিক্রি করতে হচ্ছে ১ থেকে ২ টাকায়। এতে প্রতিটি লাউয়ে লোকসান হচ্ছে ৪ থেকে ৬ টাকা। উৎপাদন যত বেশি হচ্ছে, লোকসানের অঙ্কও তত বাড়ছে। দুই বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছেন রানীগঞ্জের কৃষক কামাল ইসলাম। তিনি বলেন, আমি মোট দুই বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছি। দুই বিঘা জমিতে আমার প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার লাউয়ের উৎপাদন ভালো হয়েছে। প্রথম দিকে লাউয়ের দাম কিছুটা ভালো ছিল। কিন্তু বর্তমানে এক টাকায় এক পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক পিস লাউ উৎপাদন করতে আমাদের ৫ থেকে ৭ টাকা খরচ হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা মাঠে মারা যাব।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুরে কীটনাশক পান করে বাবা-মেয়ের মৃত্যু