
স্টাফ রিপোর্টারঃ শফিকুল ইসলাম (জামালপুর)
জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলায়, প্রশাসক কর্তৃক রেজিস্ট্রারকৃত বেশ কয়েকটি সমবায় সমিতি গড়ে উঠেছিলো। তারপর বিশ্বাসের সাথে হাজার হাজার গ্রাহক, তাদের পরিশ্রমের টাকাগুলো লভ্যাংশের পাশাপাশি, নিরাপত্তার স্বার্থে সেইসব সমবায় সমিতিতে আমানত রাখে। কিন্তু ৫ ই আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের পর, হঠাৎ করেই গ্রাহকদের আমানতকৃত টাকাগুলো নিয়ে সমবায় সমিতির কর্তৃপক্ষগণ আড়াল হয়ে পড়ে। তারপর থেকেই গ্রাহকেরা মাঝে মধ্যেই তাদের আমানতকৃত টাকা উদ্ধার করার জন্য আন্দোলন ও বৈঠক করে থাকে। তাতে প্রশাসক কর্তৃক তাদের আমানতকৃত টাকা উদ্ধার করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়ে থাকে। কিন্তু গ্রাহকদের আন্দোলনের সময় টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও, পরবর্তীতে তারা এই ব্যাপারে জোরালোভাবে সাড়া না দিয়ে গড়িমসি করে থাকে। তাই আজ ১৫ ই জুন দুপুর বেলায়, মাদারগঞ্জের সকল গ্রাহকরা মিলে, সমবায় সমিতিগুলোর ৮০০ কোটি টাকা আত্মসাতের বিরুদ্ধে এবং তাদের আমানতের টাকা ফেরত পেতে, উপজেলার সামনে কঠিন আন্দোলন গড়ে তুলে।
তারপর সকল গ্রাহক মিলে সোমবার (১৫ ই জুন) তাদের আমানতকৃত অর্থ উদ্ধারে_ জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন এবং ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন যে, ৭২ ঘন্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার এবং শাহজামাল হাসপাতাল, আলফা ব্রিকস সহ সকল আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি গ্রাহকদের দখলে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন। উক্ত সমবায় সমিতির গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরতের দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটামটি মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। স্মারকলিপিতে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের জমাকৃত অর্থ ফেরতের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অন্যথায় পরবর্তী আরো কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়ে থাকেন।
প্রতিবেদকের নাম 
























