
সৈয়দ মিয়া ( স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম )চট্টগ্রাম মহানগরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চসিক ৩৯ নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড। যেই ওয়ার্ডে দুটি গার্মেন্টস শিল্পের লক্ষ্য লক্ষ্য স্থায়ী ও অস্থায়ী বাসিন্দা বসবাস করছে। অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ ও ভাসমান লোকের আধিক্য থাকায় এই ওয়ার্ডে সমস্যা ও কম নহেবিগত কয়েক মাস ধরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে মাদকের আসক্তি ও অনলাইন জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা । এসবের পিছনে পূর্বেও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ও বড়ভাই গ্রুপের অপরাজনীতির ডাল স্বরুপ মিছিল মিটিং এ টাকার বিনিময়ে কর্মি হিসেবে ব্যবহার করানো।
বিভিন্ন দলের নেতারা সমাজ গঠনের কথা বল্লেও বিতর্কিত ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে এসব উড়তি বয়সী তরুণ যুবকদের রাজনীতিতে সক্রিয় করে মাদক, জুয়া ও ইভটিজিং এবং চাঁদাবাজির মতো ঘটনায় জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।সমাজের তরুণ প্রজন্ম ও যুব সমাজ আগামীর ভবিষ্যৎ ও দেশের কান্ডারি হিসেবে প্রশাসনের সহায়তায় -গুরুত্ব সহকারে যুব শক্তি কে কাজে লাগাতে পারলে উন্নয়ন – সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা রাখবে।আর এক শ্রেনীর লোক আজ এই যুব শক্তি কে মাদক – জুয়া এবং অশ্লীল অনলাইন জুয়াতে লিপ্ত হতে বিভিন্ন ভাবে উৎসাহ দেওয়ার অজস্র অভিযোগ উঠেছে।সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে দেখা যায় এবং এলাকা বাসীর বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে,মাদক,জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ৩৯ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ও গুরুত্বপূর্ণ এরিয়ায় গড়ে উঠেছে নিরাপদ আস্তানা। যেমন নিউ মুরিং এলাকার ব্যারিস্টার কলেজ রোড়,চাকমা কলোনি,এমপিভি গেইট, নয়ার হাট, বড় মিয়ার বাড়ি এলাকা,ব্যাংক কলোনি রোড়,চানঁ খালী রোড়,বন্দর টিলা জেলেপাড়া মন্দির এলাকা, হাসপাতাল গেইট, মাদ্রাজী শাহ পাড়াস্থ রেশনের দোকান,সাগর ভিলা ভবন, আকমল আলী রোড়, আক্কাসের গরুর খামার,পকেট গেইট এলাকা, সালমান ভবন ,ইসমাইল সুকানি স্কুল এরিয়া, বড়বাড়িরপিছনের রোড, ভবানী রোড,সিমেন্ট ক্রসিং মোহাম্মদ আলী শাহ রোড়,কাজীর গলির শেষ প্রান্ত ও চৌরাস্তার মোড় সংযুক্ত হক সাহেবের গলি, এস আলম গলির মোড়, সিটিং মার্কেট, খালপাড় এবং বেড়িবাঁধ সংলগ্ন বস্তি ও ঝুপড়ি ঘর গুলো, এছাড়া বোবা কলোনি, কসাই গলি, বন্দরটিলাস্থ আলী নগর (বাজার গলির শেষ প্রান্তে),বক্স আলী মুন্সী রোড সংলগ্ন এলাকায়,বেপজা পাবলিক স্কুলের আশেপাশে এলাকায় এবং রেললাইন এলাকায় মাদক ও জুয়ার আসরের রমরমা ব্যবসা প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে বলে সচেতন নাগরিকদের জোরালো দাবি।
এদিকে তালতলা সূফি বাড়ির গলিতে ও মমতা মাতৃসদন গলিতে ব্যাপকভাবে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ও অনলাইন ই- সিগারেট ও মদ বিয়ারে নেশার আসর বসে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।এছাড়া নারিকেল তলাস্থ নূর গনি পাড়ার রেইনবো কমিউনিটি সেন্টারের সন্নিকটে মফিজ উল্লাহ সুকানীর বাড়ির পাশে সুরু গলিতে কিছু দলের উড়তি নেতাদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে মদের নেশায় আসক্ত হয় একাধিক যুবক।বিশেষ করে কমিউনিটি সেন্টারের একটি ব্যক্তিগত ভবনের ছাদে নিয়মিত মদের আসর ও অবৈধ নারীর রম্য লীলার জলসা বসে বলে গোপন সূত্রে খবর আসে। আর সিমেন্ট ক্রসিং মোড় এলাকায় এক প্রভাবশালী নেতার আত্মীয় স্বজনের পরিচয়ে দলীয় কার্যালয়ের আশপাশে চলছে মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কার্যকলাপের চির উন্নত মম শির…! যাহাতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে পূর্ব আঃ লীগের ও যুবলীগ- ছাত্রলীগের একাধিক নেতৃবৃন্দও।
৩৯ নং ওয়ার্ডের সাধারন জনগনের দাবি–মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে কেবল বক্তব্য বা সভা নয়, বরং অভিযুক্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করা জরুরি বলে মনে করছেন।এই ওয়ার্ড থেকে মাদক ও জুয়ার আসর বসার আরো একটি বড় সমস্যা হচ্ছে টাকা দিয়ে ক্যারাম বোর্ড ও মোবাইলে ছক্কা খেলা নামক গেমস।সবাই কে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক জুয়া ও ইভটিজিং বিরোধী গণ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে বলে সচেতন নাগরিক সমাজ উচ্চ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















