Dhaka ১০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জ্যোতি ফোরাম – মির্জারহাট ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন দেশে তেলের সংকট নেই, সৃষ্টি করা হয়েছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান সরকার ক্রমশ ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে : নাহিদ ইসলাম হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু বাংলাদেশের সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রির তদন্ত প্রতিবেদন জমা, রাজস্ব সভায় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি ভোক্তা পর্যায়ে প্রভাব ফেলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী পতেঙ্গা ন্যাশনাল ক্লাবের ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বিজিএস ও রানার্স আপ- ফ্রেন্ডস ফর এভার দল গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সামনে মৃত্যুফাঁদে পরিণত কালভার্ট

দেশে তেলের সংকট নেই, সৃষ্টি করা হয়েছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৯ সময় দেখুন

মোঃ শাফিউল ইসলাম শিশির ঠাকুরগাঁও: দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এবং এলজিইডি ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকল্পে ঢেউটিন, চেক ও বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে একটা দুর্যোগ দেখা দিয়েছে। ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধ। এ দুর্যোগের প্রভাবে আমাদের দেশের জ্বালানি ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের দীর্ঘ লাইন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি, এটা অনেকটাই কৃত্রিম। দেশে তেলের প্রকৃত কোনো সংকট নেই, বরং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং সরকার বিষয়টি সমাধানে কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  হোসেনপুরে লোডশেডিং এ জনজীবন অতিষ্ঠ

 

মির্জা আলমগীর বলেন, সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই, তেলের সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে কৃত্রিমভাবে। কিছু অসাধু চক্র তেল মজুত করে কালোবাজারে বিক্রি করছে, যা দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কৃষকরা সবসময়ই মার খায়। এবারো তারা আলুতে বিশাল মার খেয়েছে। তারা দাম পায়নি। তাদের উৎপাদন খরচটাও ওঠেনি। আমরা আমাদের এসব কৃষক ভাইদের জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই তাদের কৃষক কার্ড দেওয়ার কাজ চলছে। এছাড়াও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য যাতে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারে সেজন্য কৃষিভিত্তিক এলাকা গুলিতে আমরা কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য কৃষি জোন ও কৃষি হিমাগার তৈরি করবো। কৃষক বাঁচলে তবেই আমরা বাঁচবো।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন করে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে দেশ এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পরে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫শ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৩ হাজার টাকা এবং ৮০ পরিবারকে ৬ হাজার ২৫০ টাকা প্রদান করেন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৭০ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৬০ পরিবারকে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া ৮৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৯০ লাখ টাকার বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়।এসময় মোট প্রায় ২০ কোটি টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। এর মধ্যে আরও রয়েছে ১৯৫টি মসজিদ, ৮৯টি মন্দির, ৫টি কবরস্থান, ৪টি ঈদগাহ এবং ১টি শ্মশান সহ মোট ২৯৪টি প্রতিষ্ঠান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোদা দাদ, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা খাযরুল আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুনঃ  উত্তরধানঘড়ায় যুব সমাজের উদ্যোগে ‎মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জ্যোতি ফোরাম – মির্জারহাট ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা-সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন

দেশে তেলের সংকট নেই, সৃষ্টি করা হয়েছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৭:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ শাফিউল ইসলাম শিশির ঠাকুরগাঁও: দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এবং এলজিইডি ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকল্পে ঢেউটিন, চেক ও বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে একটা দুর্যোগ দেখা দিয়েছে। ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধ। এ দুর্যোগের প্রভাবে আমাদের দেশের জ্বালানি ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের দীর্ঘ লাইন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি, এটা অনেকটাই কৃত্রিম। দেশে তেলের প্রকৃত কোনো সংকট নেই, বরং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং সরকার বিষয়টি সমাধানে কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  উত্তরধানঘড়ায় যুব সমাজের উদ্যোগে ‎মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

 

মির্জা আলমগীর বলেন, সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই, তেলের সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে কৃত্রিমভাবে। কিছু অসাধু চক্র তেল মজুত করে কালোবাজারে বিক্রি করছে, যা দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কৃষকরা সবসময়ই মার খায়। এবারো তারা আলুতে বিশাল মার খেয়েছে। তারা দাম পায়নি। তাদের উৎপাদন খরচটাও ওঠেনি। আমরা আমাদের এসব কৃষক ভাইদের জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই তাদের কৃষক কার্ড দেওয়ার কাজ চলছে। এছাড়াও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য যাতে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারে সেজন্য কৃষিভিত্তিক এলাকা গুলিতে আমরা কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য কৃষি জোন ও কৃষি হিমাগার তৈরি করবো। কৃষক বাঁচলে তবেই আমরা বাঁচবো।

আরও পড়ুনঃ  ২৮ বছরের ত্যাগের মূল্যায়ন চান উম্মে কুলসুম লীনা:

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন করে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে দেশ এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পরে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫শ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৩ হাজার টাকা এবং ৮০ পরিবারকে ৬ হাজার ২৫০ টাকা প্রদান করেন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৭০ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৬০ পরিবারকে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া ৮৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৯০ লাখ টাকার বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়।এসময় মোট প্রায় ২০ কোটি টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। এর মধ্যে আরও রয়েছে ১৯৫টি মসজিদ, ৮৯টি মন্দির, ৫টি কবরস্থান, ৪টি ঈদগাহ এবং ১টি শ্মশান সহ মোট ২৯৪টি প্রতিষ্ঠান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোদা দাদ, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা খাযরুল আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুনঃ  জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে উদ্বোধন হলো হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন