Dhaka ১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার এলেই তিস্তা ব্রীজে পর্যটকের

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৪ সময় দেখুন

মোঃ আতিকুল ইসলাম কাউনিয়া(রংপুর)প্রতিনিধি: রংপুর অঞ্চলের অন্যতম দর্শনীয় স্থান তিস্তা ব্রীজে প্রতি শুক্রবার এলেই পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সপ্তাহের ছুটির দিনে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘুরতে আসা মানুষের উপস্থিতিতে তিস্তা ব্রীজ এলাকা জমে ওঠে। বিশেষ করে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়টাতে তিস্তা নদীর মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। নদীর শীতল বাতাস, ব্রীজের উপর দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা এবং চারপাশের সবুজ প্রকৃতি পর্যটকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই ছবি তোলা, ভিডিও করা এবং পরিবারের সাথে সময় কাটানোর জন্য এখানে আসেন। এছাড়াও তিস্তা নদীতে নৌকায় ঘোরার বিষয়টি পর্যটকদের কাছে বিশেষ ভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। নদীর বুকে নৌকায় ভ্রমণ করে প্রকৃতির সৌন্দর্য কাছ থেকে উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা। ছোট-বড় বিভিন্ন নৌকা নিয়ে মাঝিরা পর্যটকদের নদীর মাঝখানে ঘুরিয়ে আনছেন। এতে করে পর্যটকদের আনন্দ যেমন বাড়ছে, তেমনি স্থানীয় মাঝিদেরও বাড়ছে আয়।

আরও পড়ুনঃ  কোম্পানীগঞ্জে ইউএনও’র সহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানান, শুক্রবারে পর্যটক বেশি আসার কারণে চা, ফুচকা, ঝালমুড়ি, আইসক্রিমসহ বিভিন্ন খাবারের দোকানে বেচাকেনা বেড়ে যায়। এতে তাদের আয়ও বৃদ্ধি পায়। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, নৌকা ভ্রমণের সময় লাইফ জ্যাকেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে কোনো দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকবে না এবং তিস্তা ব্রীজ আরও আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে। পর্যটকদের মতে, তিস্তা ব্রীজ শুধু একটি যোগাযোগ মাধ্যম নয়, এটি এখন একটি বিনোদন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিতি পাচ্ছে। প্রতি শুক্রবার এখানে মানুষের মিলনমেলা যেন এক উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুনঃ  প্রলোভনে ফেলে তামাক কিনছে না জাপান টোব্যাকো লামা-আলীকদমে চাষিদের বিক্ষোভ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

শুক্রবার এলেই তিস্তা ব্রীজে পর্যটকের

আপডেটের সময়: ০৫:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ আতিকুল ইসলাম কাউনিয়া(রংপুর)প্রতিনিধি: রংপুর অঞ্চলের অন্যতম দর্শনীয় স্থান তিস্তা ব্রীজে প্রতি শুক্রবার এলেই পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সপ্তাহের ছুটির দিনে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘুরতে আসা মানুষের উপস্থিতিতে তিস্তা ব্রীজ এলাকা জমে ওঠে। বিশেষ করে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়টাতে তিস্তা নদীর মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। নদীর শীতল বাতাস, ব্রীজের উপর দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা এবং চারপাশের সবুজ প্রকৃতি পর্যটকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই ছবি তোলা, ভিডিও করা এবং পরিবারের সাথে সময় কাটানোর জন্য এখানে আসেন। এছাড়াও তিস্তা নদীতে নৌকায় ঘোরার বিষয়টি পর্যটকদের কাছে বিশেষ ভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। নদীর বুকে নৌকায় ভ্রমণ করে প্রকৃতির সৌন্দর্য কাছ থেকে উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা। ছোট-বড় বিভিন্ন নৌকা নিয়ে মাঝিরা পর্যটকদের নদীর মাঝখানে ঘুরিয়ে আনছেন। এতে করে পর্যটকদের আনন্দ যেমন বাড়ছে, তেমনি স্থানীয় মাঝিদেরও বাড়ছে আয়।

আরও পড়ুনঃ  কোম্পানীগঞ্জে ইউএনও’র সহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানান, শুক্রবারে পর্যটক বেশি আসার কারণে চা, ফুচকা, ঝালমুড়ি, আইসক্রিমসহ বিভিন্ন খাবারের দোকানে বেচাকেনা বেড়ে যায়। এতে তাদের আয়ও বৃদ্ধি পায়। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, নৌকা ভ্রমণের সময় লাইফ জ্যাকেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে কোনো দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকবে না এবং তিস্তা ব্রীজ আরও আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে। পর্যটকদের মতে, তিস্তা ব্রীজ শুধু একটি যোগাযোগ মাধ্যম নয়, এটি এখন একটি বিনোদন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিতি পাচ্ছে। প্রতি শুক্রবার এখানে মানুষের মিলনমেলা যেন এক উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুনঃ  থানারহাট মডেল মাদরাসার দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান