Dhaka ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নাগরপুরে গাঁজাগাছসহ মাদক ব্যবসায়ী রাসেল গ্রেপ্তার ঈশ্বরদীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার ২ আটোয়ারীর বর্ষালুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাতের আঁধারে দুর্ধর্ষ চুরি আশ্বিনের হঠাৎ ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হোসেনপুর, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নাটোর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনির্দিষ্টকালের ছুটি টঙ্গীতে ছিনতাইকারীর হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত ধুনটে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা জোরদারে পুলিশের বিশেষ মোটরসাইকেল মহড়া কাউনিয়ায় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারে প্রস্তুতি সভা যার যা আছে তাই নিয়ে মাঠে ঘোষণার পর ৪ গ্রামের সংঘর্ষ চট্টগ্রাম বন্দর এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি সই বৃহস্পতিবার

নীলফামারীর ডিমলায় পরিত্যক্ত স্থান থেকে লাশ উদ্ধার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০ সময় দেখুন

আরিফ ইসলাম আলাল,ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি: ঢাকার টাঙ্গাইলে মেডিকেল কোচিং পড়ুয়া রাকিব হোসেন (১৬) নামে এক যুবককে হত্যার পর তার মরদেহ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন রহমান (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকায় ফিরে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলার ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামে এসে মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটিচাপা দেওয়া স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিব ও মামুনের পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন রাকিবের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যান তিনি। পরে ঢাকায় গিয়ে রাকিবের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে কিছু টাকা নেওয়া হয় বলে জানাগেছে। এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্তে নামে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম বন্দর এনসিটি-সিসিটি ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

 

 

একপর্যায়ে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিমলায় মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরে ঢাকার একটি দল ডিমলায় এসে তার দেখানো স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। এদিকে অভিযোগ রয়েছে, রাকিব জীবিত আছেন এমন ধারণা দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল। ওই ভিডিও ব্যবহার করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়া হয় কি না, সে বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  লালপুরে ভূমি অফিস ও ইউপি কার্যালয়ে চুরি, খোয়া গেল দুই কম্পিউটার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নাগরপুরে গাঁজাগাছসহ মাদক ব্যবসায়ী রাসেল গ্রেপ্তার

নীলফামারীর ডিমলায় পরিত্যক্ত স্থান থেকে লাশ উদ্ধার

আপডেটের সময়: ১০:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

আরিফ ইসলাম আলাল,ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি: ঢাকার টাঙ্গাইলে মেডিকেল কোচিং পড়ুয়া রাকিব হোসেন (১৬) নামে এক যুবককে হত্যার পর তার মরদেহ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন রহমান (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকায় ফিরে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলার ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামে এসে মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটিচাপা দেওয়া স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিব ও মামুনের পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন রাকিবের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যান তিনি। পরে ঢাকায় গিয়ে রাকিবের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে কিছু টাকা নেওয়া হয় বলে জানাগেছে। এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্তে নামে।

আরও পড়ুনঃ  মাদারগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা

 

 

একপর্যায়ে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিমলায় মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরে ঢাকার একটি দল ডিমলায় এসে তার দেখানো স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে। এদিকে অভিযোগ রয়েছে, রাকিব জীবিত আছেন এমন ধারণা দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল। ওই ভিডিও ব্যবহার করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়া হয় কি না, সে বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা