
কক্সবাজার জেলা প্রতিবেদক: কক্সবাজারের ব্যস্ততম ঈদগাঁও বাস স্টেশন ও বাজার এলাকায় সড়কের দুই পাশ দখল করে অবৈধ পার্কিং এবং ভাসমান দোকান বসানোর ফলে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাধারণ পথচারী ও যাত্রীদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুরা। সরেজমিনে দেখা যায় আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) , বাস স্টেশন থেকে শুরু করে বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে টমটম, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক। একই সঙ্গে ফুটপাত ও মূল সড়কের অংশজুড়ে বসেছে নানা ধরনের ভাসমান দোকান। এর ফলে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ব্যস্ত এই এলাকায় যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের পাশাপাশি যত্রতত্র পার্কিংয়ের কারণে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হচ্ছে।
বাধ্য হয়ে পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত ও সড়ক দখলের এই চিত্র চললেও কার্যকর কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হলেও তার সুফল মিলছে না। ভুক্তভোগী এক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সড়ক ও ফুটপাত মানুষের চলাচলের জন্য। এগুলো এভাবে দখল হয়ে থাকলে সাধারণ মানুষ হাঁটবে কোথায়?” বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে হাসপাতাল বা চিকিৎসাকেন্দ্রে যাওয়ার সময় এই যানজটে পড়ে চরম বিপাকে পড়তে হয়। সচেতন মহলের মতে, কেবল সাময়িক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
শৃঙ্খলা ফেরাতে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো নেওয়া জরুরি সড়ক ও ফুটপাত সার্বক্ষণিকভাবে দখলমুক্ত রাখা। অবৈধ যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিং ও স্ট্যান্ডের ব্যবস্থা করা। ভাসমান দোকানগুলোকে নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তর করা। ঈদগাঁও বাস স্টেশন ও বাজার এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দ্রুত দখলমুক্ত করে যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর ও স্থায়ী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়বাসী ও সচেতন মহল।
প্রতিবেদকের নাম 


















