Dhaka ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভাঙ্গুড়ায় বিভিন্ন আয়োজনে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব দেওয়ান হাট এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনের ভূমিকা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি হরিনাহাটা বিপ্লবী ফুটবল ক্লাবের উদ্যোগে ২২তম ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শাজাহানপুরে ১৩.৫ কেজি গাঁজাসহ নারী পুরুষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শরীয়তপুর সরকারি কলেজ মাঠে বৃক্ষরোপণ করেছে জেলা ছাত্রদল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন জিয়া মঞ্চের এক, দুই, তিন ইউনিট কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন বগুড়ায় উত্তরের পাঁচ জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে ইতিহাস চর্চা ও গবেষণা সংস্থার দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২৪১ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত, মেরামতে ২৪৫ কোটি টাকার প্রস্তাব নাগরপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, উপস্থিত এমপি লাভলু

ফরিদপুরে ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের ও পুলিশ সুপারের নিকট স্মারকলিপি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:১৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৪০ সময় দেখুন

বিপুল চন্দ জেলা, প্রতিনিধি: ফরিদপুর

ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিন খাঁর হাট এলাকার বিশিষ্ট ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম ‌ ও পুলিশ সুপার শাহরিয়ার ‌ মোহাম্মদ মিয়াজীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন মমিন খাঁর হাট ও চরাঞ্চলের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকরা।
আজ
বৃহস্পতিবার তাদের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় বাজার থেকে অটোরিকশায় বাড়ির কাছে নেমে যাওয়ার পর ইউসুফ ফকির নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে ১৭ জুলাই ফরিদপুর কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিখোঁজ হওয়ার পর অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ইউসুফ ফকিরের স্ত্রী ও শ্যালকের কাছে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করে। পরে ১৮ জুলাই সকালে তার বাড়ির সামনের একটি পাটক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্নসহ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরও অজ্ঞাত ব্যক্তিরা নিহতের স্বজন ও পাওনাদারদের কাছে ফোন করে টাকা দাবি করে এবং এক আত্মীয়ের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকা আদায় করেছে বলেও স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিতে ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা ও আইনগত সহায়তা, তদন্তের অগ্রগতি জনসাধারণকে জানানো এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাজার ও আশপাশে অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতি মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুনঃ  চন্দ্রগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভাঙ্গুড়ায় বিভিন্ন আয়োজনে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব

ফরিদপুরে ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের ও পুলিশ সুপারের নিকট স্মারকলিপি

আপডেটের সময়: ০৫:১৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বিপুল চন্দ জেলা, প্রতিনিধি: ফরিদপুর

ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিন খাঁর হাট এলাকার বিশিষ্ট ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম ‌ ও পুলিশ সুপার শাহরিয়ার ‌ মোহাম্মদ মিয়াজীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন মমিন খাঁর হাট ও চরাঞ্চলের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকরা।
আজ
বৃহস্পতিবার তাদের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় বাজার থেকে অটোরিকশায় বাড়ির কাছে নেমে যাওয়ার পর ইউসুফ ফকির নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে ১৭ জুলাই ফরিদপুর কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিখোঁজ হওয়ার পর অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ইউসুফ ফকিরের স্ত্রী ও শ্যালকের কাছে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করে। পরে ১৮ জুলাই সকালে তার বাড়ির সামনের একটি পাটক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্নসহ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরও অজ্ঞাত ব্যক্তিরা নিহতের স্বজন ও পাওনাদারদের কাছে ফোন করে টাকা দাবি করে এবং এক আত্মীয়ের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকা আদায় করেছে বলেও স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিতে ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা ও আইনগত সহায়তা, তদন্তের অগ্রগতি জনসাধারণকে জানানো এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাজার ও আশপাশে অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতি মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালে চড়া মাছের দাম, সবজি-মাংসে স্বস্তি