
মোঃ সাকিবুল ইসলাম,বরিশালঃ বরিশালে গত কয়েকদিন ধরে সবজি ও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সবজি ও ব্রয়লার মুরগির দামে স্বস্তি থাকলেও বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে বরিশাল নগরীর একমাত্র পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ৩০ টাকা, পটল ১৫ থেকে ২০ টাকা, শসা ১২-১৫ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, করলা ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢেঁড়স ১৫ টাকা, লেবুর হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আবার এসব সবজি খুচরা বাজারে কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা সবজি ব্যবসায়ী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে বেশ কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম। বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা এবং পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আবার ১০ থেকে ১৫ কেজি ওজনের পাঙাশ মাছ ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও পোর্ট রোডে বাজার করতে আসা কামাল হোসেন বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতো, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছই কিনতে পারা যায় না। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















