
আনছারুল হক, স্টাফ রিপোর্টার,নীলফামারী: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন চ্যানেল ওয়ানের রিপোর্টার আবু সাঈদ অপু ও ক্যামেরাপার্সন তাজুল ইসলাম। এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের দাবি, কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী (গ্রেনেড বাবু) উপজেলার প্রধান বাজারসংলগ্ন প্রায় ৪০ শতাংশ সরকারি খাসজমি দখল করে সেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। জমিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং সম্প্রতি তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। রোববার (২১ জুন) দুপুরে ওই অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির জন্য ঘটনাস্থলে যান চ্যানেল ওয়ানের রিপোর্টার আবু সাঈদ অপু। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা ও ভিডিও ধারণের সময় একদল ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে সাংবাদিক অপু আহত হন। একই সঙ্গে ক্যামেরার লেন্স, পিটু ক্যামেরা, ট্রাইপড ও লাইভ ডিভাইস ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থলে স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মিনারুল ইসলাম বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছেন। নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম বলেন, “সাংবাদিকের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। চ্যানেল ওয়ানের রিপোর্টার আবু সাঈদ অপু বলেন, “তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ শেষে ফেরার সময় চেয়ারম্যানের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। তারা ক্যামেরার লেন্স ভাঙচুর করে এবং পিটু ক্যামেরা, ট্রাইপড ও লাইভ ডিভাইস ছিনিয়ে নেয়। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, “সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় একটি এজাহার পেয়েছি। মামলা রুজু করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 


















