
স্টাফ রিপোর্টা: মোজারমিল ডালাসিটি হাউজিংয়ে গত ২-৪-২০৬ তারিখে মাত্র ৩২০ টাকা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও মারামারির ঘটনা ঘটে।একে কেন্দ্র করে গ্রাম্য বিচার বসানো হয়। ওই বিচারে এক পক্ষ নিজেদের প্রতি সুষ্ঠু বিচার হয় নাই দাবি করে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিচার চলাকালে ডালাসসিটির একক রাজা দাবিদার সালাম দেওয়ানের সামনে কথা বলাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে গ্রাম্য বিচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত তিন বিচারকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি মূল বিরোধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হলেও গ্রাম্য বিচারের সময়কার বক্তব্য ও ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
এতে ওই তিন বিচারক মোঃ আলী সীমান্ত, হাফিজ উদ্দিন, হারুনুর রশিদ নিজেদের হয়রানির শিকার বলে দাবি করছেন। তাদের প্রশ্ন—সুষ্ঠু বিচার চাওয়া কিংবা বিচার চলাকালে কথা বলাই কি অপরাধ? যদি কোনো অপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও আইনগত ভিত্তি জনসমক্ষে তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন তারা। স্থানীয়দের অনেকের মতে, সামান্য অর্থের বিরোধকে কেন্দ্র করে সালাম দেওয়ানের নেতৃত্বে বিএনপির ২নং ওয়ার্ড যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনের উপর আক্রমণ করে। এবং হারুনকে বেদম প্রহার করে এ বিষয়ে হারুনের বৌ বাদী হয়ে কাশিমপুর থানা একটি মামলা করেন।
পরবর্তীতে মামলা স্থানীয়ভাবে সমাধান করা হয় কিন্তু ডালাসসিটির গডফাদার দাবিদার সালাম দেওয়ান তার বাড়ির ভাড়াটিয়া দিয়ে বাকি তিন বিচারক সহ বিচার প্রার্থী ছেলে এবং তার আত্মীয় একজনের বিরুদ্ধে মামলা দায় করেন আদালতে। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার রাখার সূক্ষ্ম কৌশল এবং একটি ক্রিমিনাল চক্র।
এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে সালাম দেওয়ান সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছু অনেকেই বলেন সালাম দেওয়ানের একটি গ্যাংবাহিনী আছে এর উপরে কেউ কথা বললে তাদেরকে পেশি শক্তি দ্বারা আক্রমণ, মামলা মোকাদ্দামা দিয়ে হয়রানি করাই হলো তার কাজ। এইজন্য ডালাসিটির বাড়িওয়ালারা সবসময় আতঙ্ক থাকে। তথ্যের ভিত্তিতে সালাম দেওয়ান এর সাথে যেই কয়জনের নাম উঠে এসেছে তাদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম আরিফ সাবেক সার্জেন্ট রেজাউল করিম রেজা, আলমগীর, লিটন সহ আরো বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে । এরা প্রতিনিয়ত ঢালাস সিটিতে ফিটিং এবং চাঁদাবাজি করে থাকেন। কিছুদিন আগে ফিটিং বাজি করে পুলিশের হাতে ধরা খাওয়ার পর ৪৫০০০ টাকা জরিমানা দিয়ে পুলিশের হাত থেকে বের করে নিয়েছেন ডালাসসিটির এক সাংবাদিক ।
এলাকার কয়েকজন মুরুব্বির সাথে কথা বললে তারা জানান এই এলাকায় সালাম দেওয়ান এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং নিজেকে বিপদে নিয়ে আসা সমান তাই আইনগতভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে এটি একটি মিথ্যা মামলা। এই মামলাটির সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি করেছেন এলাকাবাসী। ভুক্তভোগী তিন বিচারক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত, সুষ্ঠু বিচার এবং হয়রানি থেকে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















