
শাকিব আহম্মেদ, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য সরকারি অর্থে কেনা বেঞ্চ থাকার কথা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে। কিন্তু সেই সরকারি বেঞ্চই ব্যবহার করা হচ্ছে শিক্ষকের ব্যক্তিগত প্রাইভেট সেন্টারে।
নাটোরের লালপুর উপজেলার বোয়ালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফিরোজ আল মামুন নাসিমের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে।
পরে ওই প্রাইভেট সেন্টার থেকে ১০টি বেঞ্চ উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এই ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের শোকজ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার বোয়ালিপাড়া বাজারে একটি দোকানঘর ভাড়া নিয়ে নিয়মিত প্রাইভেট পড়ান প্রভাবশালী এই শিক্ষক।
নিজের কর্মস্থল বোয়ালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বেঞ্চ নিয়ে এসে ব্যবহার করছেন সেই প্রাইভেট সেন্টারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোকানটিতে তালা ঝুলছে।
দোকানের ভেতরে বিদ্যালয়ের বেঞ্চ থাকার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে তা স্বীকার করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা. জোছনা খাতুন। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বেই প্রাইভেট সেন্টারটির তালা খোলা হয়।
এ সময় সেখান থেকে সরকারি বিদ্যালয়ের ১০টি বেঞ্চ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ফিরোজ আল মামুন নাসিম নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, আমার ভুল হয়েছে। ভবিষ্যতে আর কখনো এমন হবে না।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোসা. জোছনা খাতুন বলেন, বেঞ্চগুলো বিদ্যালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে।
স্কুলের বেঞ্চ প্রাইভেট সেন্টারে দেওয়া ঠিক হয় নি, ভবিষ্যতে এমন আর হবে না।
লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের বেঞ্চ অন্য কোথাও ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
এ ঘটনায় জড়িতদের শোকজ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 

















