Dhaka ০৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এনসিপি পুনর্গঠন, নতুন দায়িত্বে হাসনাত-সারজিস-আসিফ-পাটওয়ারী জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, কিন্তু তা ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন ৬ নারী চট্টগ্রামে অংকুর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অংশ নিল ২০ হাজার শিক্ষার্থী অপ্রতিম হত্যা মামলার চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন লালপুরে হ্যাকিং ও প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার ঈশ্বরদীতে স্টপেজ পাবে ঢাকা-পাবনা ট্রেন, নির্মিত হবে নতুন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ: রেল সচিব দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকা ডালিয়া আক্তারকে গলা কেটে হত্যা জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধী দল ধোঁকাবাজি করেছে- প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি  ‎ ‎

ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:১০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ সময় দেখুন

মীর আমিনুল ইসলাম বুলবুল ব্যুরো চিফ (ময়মনসিংহ): বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। প্রতিদিন এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন হাজারো রোগী। অথচ হাসপাতালের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্যানুলা ও স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে শম্ভুগঞ্জের একটি ময়লার গুদামে। এসব সামগ্রীর গায়ে ২০২৮ ও ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ উল্লেখ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায় আজ ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার: বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী উন্নত চিকিৎসার আশায় এই হাসপাতালে আসেন। তবে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে নানা ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী ময়লার গুদামে পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শম্ভুগঞ্জের ওই গুদামে কয়েক বস্তা সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে। এসব সামগ্রীর মেয়াদ শেষ হতে এখনো কয়েক বছর বাকি।

আরও পড়ুনঃ  শীলকূপের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাশেদ নূরী ও আইনশৃঙ্খলা কমিটি

 

ময়লা সংগ্রহের কাজে যুক্ত শ্রমিক জুবেদা খাতুন বলেন, “ময়লা সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজে আমরা ১১ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছি। তাঁদের মধ্যে চারজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়লা সংগ্রহ করেন। আর বাকি সাতজন গুদামে এসব ময়লা প্রক্রিয়াজাত করেন।” তাঁর এই বক্তব্যের পর হাসপাতাল থেকে ময়লা সংগ্রহ, পরিবহন, বাছাই এবং চিকিৎসাসামগ্রী পৃথক করার পুরো প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জনস্বার্থে প্রশ্ন— রোগীদের চিকিৎসাসেবায় ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা সামগ্রী যদি মেয়াদ থাকা অবস্থায় ময়লার গুদামে পাওয়া যায়, তাহলে এর দায় কার? সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ার উন্নয়নে হাজার কোটি টাকার একাধিক প্রকল্প: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

এনসিপি পুনর্গঠন, নতুন দায়িত্বে হাসনাত-সারজিস-আসিফ-পাটওয়ারী

ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন

আপডেটের সময়: ০৫:১০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মীর আমিনুল ইসলাম বুলবুল ব্যুরো চিফ (ময়মনসিংহ): বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। প্রতিদিন এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন হাজারো রোগী। অথচ হাসপাতালের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্যানুলা ও স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে শম্ভুগঞ্জের একটি ময়লার গুদামে। এসব সামগ্রীর গায়ে ২০২৮ ও ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ উল্লেখ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায় আজ ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার: বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী উন্নত চিকিৎসার আশায় এই হাসপাতালে আসেন। তবে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে নানা ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী ময়লার গুদামে পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শম্ভুগঞ্জের ওই গুদামে কয়েক বস্তা সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে। এসব সামগ্রীর মেয়াদ শেষ হতে এখনো কয়েক বছর বাকি।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় বড়াল-গুমানি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন

 

ময়লা সংগ্রহের কাজে যুক্ত শ্রমিক জুবেদা খাতুন বলেন, “ময়লা সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজে আমরা ১১ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছি। তাঁদের মধ্যে চারজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়লা সংগ্রহ করেন। আর বাকি সাতজন গুদামে এসব ময়লা প্রক্রিয়াজাত করেন।” তাঁর এই বক্তব্যের পর হাসপাতাল থেকে ময়লা সংগ্রহ, পরিবহন, বাছাই এবং চিকিৎসাসামগ্রী পৃথক করার পুরো প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জনস্বার্থে প্রশ্ন— রোগীদের চিকিৎসাসেবায় ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা সামগ্রী যদি মেয়াদ থাকা অবস্থায় ময়লার গুদামে পাওয়া যায়, তাহলে এর দায় কার? সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ার উন্নয়নে হাজার কোটি টাকার একাধিক প্রকল্প: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম