
মীর আমিনুল ইসলাম বুলবুল ব্যুরো চিফ (ময়মনসিংহ): বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। প্রতিদিন এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন হাজারো রোগী। অথচ হাসপাতালের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ক্যানুলা ও স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে শম্ভুগঞ্জের একটি ময়লার গুদামে। এসব সামগ্রীর গায়ে ২০২৮ ও ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ উল্লেখ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায় আজ ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার: বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী উন্নত চিকিৎসার আশায় এই হাসপাতালে আসেন। তবে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে নানা ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালের অব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী ময়লার গুদামে পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শম্ভুগঞ্জের ওই গুদামে কয়েক বস্তা সিরিঞ্জ, ক্যানুলা, স্যালাইনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া গেছে। এসব সামগ্রীর মেয়াদ শেষ হতে এখনো কয়েক বছর বাকি।
ময়লা সংগ্রহের কাজে যুক্ত শ্রমিক জুবেদা খাতুন বলেন, “ময়লা সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজে আমরা ১১ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছি। তাঁদের মধ্যে চারজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়লা সংগ্রহ করেন। আর বাকি সাতজন গুদামে এসব ময়লা প্রক্রিয়াজাত করেন।” তাঁর এই বক্তব্যের পর হাসপাতাল থেকে ময়লা সংগ্রহ, পরিবহন, বাছাই এবং চিকিৎসাসামগ্রী পৃথক করার পুরো প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জনস্বার্থে প্রশ্ন— রোগীদের চিকিৎসাসেবায় ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা সামগ্রী যদি মেয়াদ থাকা অবস্থায় ময়লার গুদামে পাওয়া যায়, তাহলে এর দায় কার? সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।
প্রতিবেদকের নাম 



















