
মোঃ রমজান আলী আটোয়ারী উপজেলা প্রতিনিধি পঞ্চগড়: পঞ্চগড় জেলা আটোয়ারী উপজেলা কিসমত রসেয়ার মো: ফরহাদ হোসেন,স্থায়ী বাসিন্দা, মোছা: রুকসানা বেগমের নিকট থেকে আইনানুগভাবে গত ০৩/০৯/২৫ ইং তারিখে ০৫ (পাচঁ) শতাংশ জমি খোষ কবলা (দলিল) মূলে ক্রয় করেন দলিল নং- ২২০২ খতিয়ান নং- ১০৯১ ডিপি নং- ১৯৮। জমি ক্রয়ের পর বিক্রেতা মোছা: রুকসানা বেগম ক্রেতাকে উক্ত জমির সরজমিন সীমানা নির্ধারণ করে বাস্তব ভোগদখল বুঝিয়ে দেন। জমিটি নিজের বসতভিটার সামনে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ব্যবহার করে আসছিলেন মোঃ ফরহাদ হোসেন।
অভিযোগ: জমির মালিকানা পাওয়ার পর এবং সরজমিনে দখল বুঝে নেওয়ার পর, মোছা: হামিদা বেগম নামক এক স্থানীয় বাসিন্দা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অবৈধভাবে মো: ফরহাদ হোসেনের ক্রয়কৃত জমির মাটি জোরপূর্বক দখল করেন। এই দখল প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বেআইনি মনে করেন এলাকার স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। জমির বৈধ দলিল (খোষ কবলা) এবং বিক্রেতা কর্তৃক হস্তান্তরিত সরজমিন দখল বিদ্যমান রয়েছে। মোঃ ফরহাদ হোসেনের নিকট জমির বৈধ খোষ কবলা দলিল রয়েছে, যা তার মালিকানার প্রধান আইনি ভিত্তি মনে করেন। বিক্রেতা মোছা: রুকসানা বেগম জমি হস্তান্তরের সময় কোনো বিরোধ ছাড়াই ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। মোছা: হামিদা বেগম কোনো বৈধ মালিকানা বা আইনি কাগজপত্র প্রদর্শন ছাড়াই খামখেয়ালিভাবে এবং জোরপূর্বক উক্ত জমির মাটি বা অংশ বিশেষ নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।কিসমত রসেয়ার স্থায়ী বাসিন্দা মো: ফরহাদ হোসেনের বৈধভাবে কেনা জমি জোরপূর্বক দখল করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ মনে করেন এলাকাবাসি। এ বিষয়ে স্থানীয় সালিশি বৈঠক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ইউপি চেয়ারম্যান/সদস্যের উপস্থিতিতে বেশ কয়েক বার স্থানীয়ভাবে বসা হয়েছে উক্ত হামিদা বেগমের দাবির ভিত্তি যাচাই করার পরে হামিদা তাদের কথা অমান্য করেন। সালিশি সিদ্ধান্ত অমান্য করে বা জোরপূর্বক দখল অব্যাহত রাখেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















