Dhaka ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগ, গোডাউনের সামনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও অনশন ফরিদগঞ্জে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়েছে ৩ শতাধিক নারী- পুরুষ কাশিমপুরে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে বাধা, ২৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ নগরকান্দায় পূজা মণ্ডপে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সচেতনতামূলক সভা সিলেট সীমান্তে ২২ লাখ টাকার চোরাচালান জব্দ মেহেন্দিগঞ্জের ধুলিয়ার মধ্যচরে মাদকবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত কারাবন্দি বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে রাসিক প্রশাসক বিজয়া দশমী: অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় বুড়িগঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জন শহীদ ওসমান বিন হাদীকে হত্যার পর দেশি-বিদেশী চক্র এটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে যাচ্ছে: জাবের জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পোটানোর অভিযোগ,গ্রোপ্তার এক যুবক….

বান্দরবানে সাড়ে ৩ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা ও ঘুষ দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩২ সময় দেখুন

মোঃ রাসেল স্টাফ রিপোর্টার: বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক অসহায় সংখ্যালঘুর মালিকানাধীন সাড়ে তিন একর বসতভিটা ও ফলজ-বনজ বাগান অবৈধভাবে জবরদখল, জালিয়াতি এবং তদন্তের নামে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। আজ এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া স্থানীয় ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. আতিকুর রহমান এবং অভিযুক্ত মো. আলমগীরের বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ তোলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া জানান, তিনি ও তাঁর স্ত্রী কামনা রাণী বড়ুয়া ২৯৬ নম্বর লামা মৌজার ১৭ নম্বর হোল্ডিংয়ে সর্বমোট ৩ একর ৩০ শতক (সাড়ে তিন একর) দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির জমি মালিকানা সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। উক্ত জমিতে তিনি সেগুন, একাশি, ম্যালোপিয়া, গর্জন, বেলজিয়াম, আম ও কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের বাগান গড়ে তুলেছেন।
‎তিনি অভিযোগ করেন, লেঁদুপালং বোনা এলাকার বাসিন্দা মো. আলমগীর (পিতা- মো. ইউনুছ) তাঁর কাছে সাময়িকভাবে আশ্রয় চাওয়ায় মানবিক বিবেচনায় তিনি নিজের জমির একটি অংশে তাঁকে বসবাসের সুযোগ দেন। কিন্তু পরবর্তীতে আলমগীর প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ওই আশ্রিত জমির মালিকানা দাবি করতে শুরু করেন এবং কিছু ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করেন।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় বড়াল-গুমানি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন

‎এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর- ১৬/২০২৩, তারিখ— ২২ জুলাই ২০২৩)। আদালত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য লামার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেন।
‎সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সহকারী কমিশনারের নির্দেশে তদন্তে আসা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান নিরপেক্ষভাবে তদন্ত না করে প্রকৃত সত্য আড়াল করেছেন। তিনি আমার সাথে কোনো যোগাযোগ না করে এবং মালিকানার নথিপত্র যাচাই না করে একতরফাভাবে বিবাদী মো. আলমগীরের পক্ষে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, “তদন্তের সময় সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান সঠিক প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আমার কাছে ৫ (পাঁচ) লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি তাঁর এই অনৈতিক ও বেআইনি দাবি প্রত্যাখ্যান করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বিবাদীর পক্ষে বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন জমা দেন।

আরও পড়ুনঃ  সিলেট সীমান্তে ২২ লাখ টাকার চোরাচালান জব্দ

‎সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, অভিযুক্ত মো. আলমগীরের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ওয়ারিশ সনদে চরম অসঙ্গতি রয়েছে। তাঁর নামে দুটি ভিন্ন জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে, যেখানে পিতা-মাতা ও স্ত্রীর নামের ভিন্নতা দেখা যায়। এছাড়া ২ নম্বর লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষরযুক্ত একটি বিতর্কিত ওয়ারিশ সনদে এনআইডিতে স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ থাকা সুরাশিয়া বেগমকে আলমগীরের বোন হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই জালিয়াতিতে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামসহ অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়। ভুক্তভোগী চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া আজকের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার

 

আরও পড়ুনঃ  দীঘিনালায় কাটারুং ছড়া ত্রিরত্ন বৌদ্ধ বিহারে সেনা জোনের ডেউটিন প্রদান

বিভাগের কাছে ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন:
‎১. জমির মালিকানা, দখল ও দলিলপত্র সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা।
‎২. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের আদালতে চলমান মামলা নম্বর ১৬/২০২৩-এর তদন্ত প্রক্রিয়া পুনরায় পর্যালোচনা করা।
‎৩. সার্ভেয়ার মো. আতিকুর রহমানের ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া।
‎৪. মো. আলমগীরের জোড়া এনআইডি ও ভুয়া ওয়ারিশ সনদের জালিয়াতি তদন্ত করা।
‎৫. জালিয়াতিতে সহায়তাকারী ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।
‎৬. তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে যেন তাঁদের জমির প্রকৃত মালিকানা ও ভোগদখল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার আইনি প্রতিকার নিশ্চিত করা।
‎সংবাদ সম্মেলনে চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া (মোবাইল: ০১৮৮১২৭৬৬৪৫) স্পষ্ট করে বলেন, “কারও প্রতি ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং নিজের আইনগত অধিকার ও সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থেই আমি সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয়েছি। আমি আশা করি প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমাকে ন্যায়বিচার ফিরিয়ে দেবে।”

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগ, গোডাউনের সামনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও অনশন

বান্দরবানে সাড়ে ৩ একর জমি জবরদখলের চেষ্টা ও ঘুষ দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেটের সময়: ১০:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ রাসেল স্টাফ রিপোর্টার: বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক অসহায় সংখ্যালঘুর মালিকানাধীন সাড়ে তিন একর বসতভিটা ও ফলজ-বনজ বাগান অবৈধভাবে জবরদখল, জালিয়াতি এবং তদন্তের নামে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। আজ এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া স্থানীয় ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. আতিকুর রহমান এবং অভিযুক্ত মো. আলমগীরের বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ তোলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া জানান, তিনি ও তাঁর স্ত্রী কামনা রাণী বড়ুয়া ২৯৬ নম্বর লামা মৌজার ১৭ নম্বর হোল্ডিংয়ে সর্বমোট ৩ একর ৩০ শতক (সাড়ে তিন একর) দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির জমি মালিকানা সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। উক্ত জমিতে তিনি সেগুন, একাশি, ম্যালোপিয়া, গর্জন, বেলজিয়াম, আম ও কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের বাগান গড়ে তুলেছেন।
‎তিনি অভিযোগ করেন, লেঁদুপালং বোনা এলাকার বাসিন্দা মো. আলমগীর (পিতা- মো. ইউনুছ) তাঁর কাছে সাময়িকভাবে আশ্রয় চাওয়ায় মানবিক বিবেচনায় তিনি নিজের জমির একটি অংশে তাঁকে বসবাসের সুযোগ দেন। কিন্তু পরবর্তীতে আলমগীর প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ওই আশ্রিত জমির মালিকানা দাবি করতে শুরু করেন এবং কিছু ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করেন।

আরও পড়ুনঃ  দীঘিনালায় কাটারুং ছড়া ত্রিরত্ন বৌদ্ধ বিহারে সেনা জোনের ডেউটিন প্রদান

‎এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর- ১৬/২০২৩, তারিখ— ২২ জুলাই ২০২৩)। আদালত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য লামার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেন।
‎সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সহকারী কমিশনারের নির্দেশে তদন্তে আসা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান নিরপেক্ষভাবে তদন্ত না করে প্রকৃত সত্য আড়াল করেছেন। তিনি আমার সাথে কোনো যোগাযোগ না করে এবং মালিকানার নথিপত্র যাচাই না করে একতরফাভাবে বিবাদী মো. আলমগীরের পক্ষে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, “তদন্তের সময় সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান সঠিক প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আমার কাছে ৫ (পাঁচ) লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি তাঁর এই অনৈতিক ও বেআইনি দাবি প্রত্যাখ্যান করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বিবাদীর পক্ষে বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন জমা দেন।

আরও পড়ুনঃ  দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে চকরিয়া কেন্দ্রীয় হরিমন্দির পরিদর্শন

‎সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, অভিযুক্ত মো. আলমগীরের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ওয়ারিশ সনদে চরম অসঙ্গতি রয়েছে। তাঁর নামে দুটি ভিন্ন জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে, যেখানে পিতা-মাতা ও স্ত্রীর নামের ভিন্নতা দেখা যায়। এছাড়া ২ নম্বর লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষরযুক্ত একটি বিতর্কিত ওয়ারিশ সনদে এনআইডিতে স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ থাকা সুরাশিয়া বেগমকে আলমগীরের বোন হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই জালিয়াতিতে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামসহ অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়। ভুক্তভোগী চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া আজকের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার

 

আরও পড়ুনঃ  সিলেট সীমান্তে ২২ লাখ টাকার চোরাচালান জব্দ

বিভাগের কাছে ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন:
‎১. জমির মালিকানা, দখল ও দলিলপত্র সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা।
‎২. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের আদালতে চলমান মামলা নম্বর ১৬/২০২৩-এর তদন্ত প্রক্রিয়া পুনরায় পর্যালোচনা করা।
‎৩. সার্ভেয়ার মো. আতিকুর রহমানের ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া।
‎৪. মো. আলমগীরের জোড়া এনআইডি ও ভুয়া ওয়ারিশ সনদের জালিয়াতি তদন্ত করা।
‎৫. জালিয়াতিতে সহায়তাকারী ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।
‎৬. তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে যেন তাঁদের জমির প্রকৃত মালিকানা ও ভোগদখল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার আইনি প্রতিকার নিশ্চিত করা।
‎সংবাদ সম্মেলনে চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া (মোবাইল: ০১৮৮১২৭৬৬৪৫) স্পষ্ট করে বলেন, “কারও প্রতি ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং নিজের আইনগত অধিকার ও সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থেই আমি সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয়েছি। আমি আশা করি প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমাকে ন্যায়বিচার ফিরিয়ে দেবে।”