Dhaka ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
টাঙ্গাইলে লাইনচ্যুত নীলসাগর এক্সপ্রেস: সিরাজগঞ্জে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ, ডাবল লাইনের দাবি ​ বিশ্ব স্টোক দিবস আজ, সচেতনতাই পারে বাঁচাতে জীবন কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১ মৌলভীবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত লালপুরে ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতে ধান ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতি রাজশাহীর পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীর প্রশংসায় নরওয়ের ক্রিস্টিয়ানস্যান্ডের ডেপুটি মেয়র কাজিপুরের গান্ধাইল ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব চট্টগ্রামে সফর উপলক্ষে সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ( জামান ) কুলাউড়ার পূর্ব মনসুরে কালভার্ট এখন ম”র”ণফাঁ”দ, ঝুঁ”কি’তে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা বাঁশখালীতে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, জব্দ ৬৮ ড্রেজার পাইপ

চট্টগ্রামে বন্যায় ৬ হাজার ঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত

মোঃ সৈয়দ মিয়া চট্টগ্রাম ব্যুরঃ চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার সব আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় জেলার ৯ হাজার ২০৮টি বসতঘর আংশিক এবং ৬ হাজার ২০টি ঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া, ৪০৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রায় ১ হাজার ৪৯২ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৬৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতির মুখে পড়েছে। দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। বন্যা চলাকালে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ১ দিনে ১ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন: ফটিকছড়িতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা

 

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২৪৫টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। বর্তমানে পানি নেমে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা সব মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, নগদ অর্থ, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গো-খাদ্য, ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণ অনুদানসহ বিভিন্ন ধরনের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস জানিয়েছে, বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। মানুষকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান, বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সাপের কামড় থেকে সতর্ক থাকা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইন মানার তাগিদ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

টাঙ্গাইলে লাইনচ্যুত নীলসাগর এক্সপ্রেস: সিরাজগঞ্জে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ, ডাবল লাইনের দাবি ​

চট্টগ্রামে বন্যায় ৬ হাজার ঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেটের সময়: ০৪:৩১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

মোঃ সৈয়দ মিয়া চট্টগ্রাম ব্যুরঃ চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার সব আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় জেলার ৯ হাজার ২০৮টি বসতঘর আংশিক এবং ৬ হাজার ২০টি ঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া, ৪০৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রায় ১ হাজার ৪৯২ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৬৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতির মুখে পড়েছে। দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। বন্যা চলাকালে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে অন্যতম শীর্ষ সস্ত্রাসী’ তালিকাভুক্ত বগার ৪ সহযোগী গ্রেপ্তার

 

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২৪৫টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। বর্তমানে পানি নেমে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা সব মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, নগদ অর্থ, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গো-খাদ্য, ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণ অনুদানসহ বিভিন্ন ধরনের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস জানিয়েছে, বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। মানুষকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান, বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সাপের কামড় থেকে সতর্ক থাকা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  এই সংসদের মূল্য দুই আনাও নেই ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: নাহিদ ইসলাম