Dhaka ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক ও গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখরিত ধুনট মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের শেষ দিনে হিজলায় সংঘর্ষ, গুলিতে জেলে নিহত, আহত ৫ মানবপাচার ইয়াবা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা মানিকগঞ্জে দিশারী’র আয়োজনে “সমতার তারুণ্য” শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় মেয়াদউত্তীর্ণ পশু খাদ্য থাকায় দুই দোকানের জরিমানা ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরের মাদারগঞ্জে সচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে লাইনচ্যুত নীলসাগর এক্সপ্রেস: সিরাজগঞ্জে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ, ডাবল লাইনের দাবি ​ বিশ্ব স্টোক দিবস আজ, সচেতনতাই পারে বাঁচাতে জীবন কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১

কাশিমপুরে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৪৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৬২ সময় দেখুন

এসকে শুভ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি: গাজীপুরের কাশিমপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চললেও বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানাকে ঘিরে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক এলাকা ও সড়ককেন্দ্রিক অভিযানের পাশাপাশি কাশিমপুর থানার আওতাধীন গার্মেন্টস কারখানাগুলোতেও মাদকবিরোধী অভিযান ও নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাশিমপুরের বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কারখানার ভেতরে মাদক প্রবেশ ও কেনাবেচা ঠেকাতে কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা। এ বিষয়ে কয়েকটি কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে নানা অজুহাতে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, কাশিমপুর থানার আওতাধীন গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান ও তল্লাশি পরিচালনা করা হলে মাদকের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ  বদলির দুই মাস পরও অবমুক্ত নন সাজেদুল, কার্যকর হচ্ছে না ভূমি সংস্কার বোর্ডের আদেশ?

 

একই সঙ্গে কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা স্থানীয়দের কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কিছু কারখানার নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সহযোগিতা ছাড়া কারখানার ভেতরে মাদক প্রবেশ বা কেনাবেচা সম্ভব নয়। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই প্রয়োজন এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এলাকাবাসী আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কাশিমপুর থানা পুলিশের চলমান কার্যক্রমকে তারা স্বাগত জানান। পুলিশের পাশাপাশি কারখানা কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক ও স্থানীয় জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাশিমপুরকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মো. খালিদ হোসেন বলেন, তিনি যতদিন কাশিমপুর থানায় দায়িত্বে থাকবেন, ততদিন মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করবেন। মাদকমুক্ত কাশিমপুর গড়তে তিনি স্থানীয়দের পুলিশের পাশে থাকার আহ্বান জানান। এখন এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—মাদকবিরোধী অভিযানের পরিধি আরও বাড়িয়ে গার্মেন্টস কারখানাগুলোতেও কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি।

আরও পড়ুনঃ  ধামরাইয়ে দুই ইটভাটায় অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা; ভেঙে দেওয়া হলো চিমনি
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক ও গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখরিত ধুনট

কাশিমপুরে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি

আপডেটের সময়: ০৬:৪৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

এসকে শুভ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি: গাজীপুরের কাশিমপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চললেও বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানাকে ঘিরে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক এলাকা ও সড়ককেন্দ্রিক অভিযানের পাশাপাশি কাশিমপুর থানার আওতাধীন গার্মেন্টস কারখানাগুলোতেও মাদকবিরোধী অভিযান ও নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাশিমপুরের বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কারখানার ভেতরে মাদক প্রবেশ ও কেনাবেচা ঠেকাতে কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা। এ বিষয়ে কয়েকটি কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে নানা অজুহাতে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, কাশিমপুর থানার আওতাধীন গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান ও তল্লাশি পরিচালনা করা হলে মাদকের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ  বদলির দুই মাস পরও অবমুক্ত নন সাজেদুল, কার্যকর হচ্ছে না ভূমি সংস্কার বোর্ডের আদেশ?

 

একই সঙ্গে কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা স্থানীয়দের কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কিছু কারখানার নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সহযোগিতা ছাড়া কারখানার ভেতরে মাদক প্রবেশ বা কেনাবেচা সম্ভব নয়। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই প্রয়োজন এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এলাকাবাসী আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কাশিমপুর থানা পুলিশের চলমান কার্যক্রমকে তারা স্বাগত জানান। পুলিশের পাশাপাশি কারখানা কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক ও স্থানীয় জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাশিমপুরকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মো. খালিদ হোসেন বলেন, তিনি যতদিন কাশিমপুর থানায় দায়িত্বে থাকবেন, ততদিন মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করবেন। মাদকমুক্ত কাশিমপুর গড়তে তিনি স্থানীয়দের পুলিশের পাশে থাকার আহ্বান জানান। এখন এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—মাদকবিরোধী অভিযানের পরিধি আরও বাড়িয়ে গার্মেন্টস কারখানাগুলোতেও কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জে ১০৮ বোতল ফেনসিডিল মামলায় চালকের যাবজ্জীবন, খালাস ১