
এসকে শুভ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি: গাজীপুরের কাশিমপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চললেও বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানাকে ঘিরে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক এলাকা ও সড়ককেন্দ্রিক অভিযানের পাশাপাশি কাশিমপুর থানার আওতাধীন গার্মেন্টস কারখানাগুলোতেও মাদকবিরোধী অভিযান ও নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাশিমপুরের বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কারখানার ভেতরে মাদক প্রবেশ ও কেনাবেচা ঠেকাতে কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা। এ বিষয়ে কয়েকটি কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে নানা অজুহাতে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, কাশিমপুর থানার আওতাধীন গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান ও তল্লাশি পরিচালনা করা হলে মাদকের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
একই সঙ্গে কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা স্থানীয়দের কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কিছু কারখানার নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সহযোগিতা ছাড়া কারখানার ভেতরে মাদক প্রবেশ বা কেনাবেচা সম্ভব নয়। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই প্রয়োজন এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এলাকাবাসী আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কাশিমপুর থানা পুলিশের চলমান কার্যক্রমকে তারা স্বাগত জানান। পুলিশের পাশাপাশি কারখানা কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক ও স্থানীয় জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাশিমপুরকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মো. খালিদ হোসেন বলেন, তিনি যতদিন কাশিমপুর থানায় দায়িত্বে থাকবেন, ততদিন মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করবেন। মাদকমুক্ত কাশিমপুর গড়তে তিনি স্থানীয়দের পুলিশের পাশে থাকার আহ্বান জানান। এখন এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—মাদকবিরোধী অভিযানের পরিধি আরও বাড়িয়ে গার্মেন্টস কারখানাগুলোতেও কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি।
প্রতিবেদকের নাম 



















