
কক্সবাজার প্রতিনিধি : বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এখন অনেকটা নির্জন। যেখানে স্থানীয়সহ দূরদূরান্ত থেকে আসা নারী পুরুষ পর্যটকদের পদভারে মুখরিত থাকতো সারাক্ষণ। সেখানে এ সময়ে অলস সময় পার করে ব্যবসায়ীরা। উল্লেখ যোগ্য ক্রেতার দেখা নেই। সমুদ্র সৈকতে পড়ন্ত বিকেলে পর্যটকদের পদ চারনায় মুখর হয়ে উঠত লাবণী,সুগন্ধা,কলাতলী পয়েন্ট। রমজান মাসেই সেখানে এখন ফাঁকা।
সৈকতপাড়ের চেয়ার-টেবিল ভাড়া, ঝিনুক-পণ্যে দোকান, ফাস্টফুড স্টল,ডাব বিক্রেতা দের মতে, রমজানের শুরু থেকে পর্যটক কমে গেছে। দিনভর রোজা রেখে ফুর্তির প্রতি তেমন ঝোঁক নেই দর্শনার্থীদের। এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর মতে, রমজান আসলে প্রতি বছরই পর্যটক কমে যায়। এবার বেশি কমেছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বসে থাকতে হচ্ছে, বিক্রি কম। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
একইচিত্র ফটোগ্রাফারদের। পর্যটকদের ছবি তুলে জীবিকা নির্বাহ করা সৈকতের এক ফটো গ্রাফার বলেন,সাধারণ সময় দিনে ১০/১৫টি ছবি তুলতে পারতাম। এখন ৫/৬টির বেশি হয় না। পর্যটক না থাকলে আয়ও থাকেনা। পযর্টন সংশ্লিষ্টরা আশা করেন, ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আবারও পর্যটকে মুখর হয়ে উঠবে সৈকত এলাকা। ঈদের ছুটিতে নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে দেশের অন্যতম এই পর্যটনকেন্দ্র।
প্রতিবেদকের নাম 



















