Dhaka ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক ও গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখরিত ধুনট মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের শেষ দিনে হিজলায় সংঘর্ষ, গুলিতে জেলে নিহত, আহত ৫ মানবপাচার ইয়াবা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা মানিকগঞ্জে দিশারী’র আয়োজনে “সমতার তারুণ্য” শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় মেয়াদউত্তীর্ণ পশু খাদ্য থাকায় দুই দোকানের জরিমানা ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরের মাদারগঞ্জে সচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে লাইনচ্যুত নীলসাগর এক্সপ্রেস: সিরাজগঞ্জে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ, ডাবল লাইনের দাবি ​ বিশ্ব স্টোক দিবস আজ, সচেতনতাই পারে বাঁচাতে জীবন কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১

একরাতে দশ খড়ের পালায় আগুন আতঙ্কে দিনাজপুরের তিন গ্রাম

হাকিমপুর, দিনাজপুর প্রতিনিধ: দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট ইউনিয়নের বাওনা, ইটাই ও বাশমুরি গ্রামে এক রাতে ধারাবাহিকভাবে ১০টি খড়ের পালায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্বৃত্তদের এ ঘটনায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার রাতজুড়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গেছে, রবিবার রাত ১০টার দিকে ইটাই ভূমিহীন বহুমুখী সমবায় সমিতির সামনে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলবিষয়ক কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা চলছিল। সভা চলাকালীন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বাওনা গ্রামে প্রথম একটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানোর কাজ চলে রাত ১টা পর্যন্ত। কিন্তু এরপরও অগ্নিসংযোগ থামেনি। রাত ১টার দিকে আবারও আরেকটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইটাই গ্রামে পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচটি খড়ের পালায় আগুন লাগানো হয়। ভোর ৪টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খেতে হয় ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের। হাকিমপুর ফায়ার সার্ভিস ইটাই গ্রামের আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত থাকায় সকালে ঘোড়াঘাট থেকে অতিরিক্ত একটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট এসে বাওনা গ্রামের আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

আরও পড়ুনঃ  শার্শায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

 

অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি দুর্বৃত্তরা বাওনা কমিউনিটি ক্লিনিকের পানির ট্যাংকির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিচে ফেলে দেয় এবং পানির পাইপলাইন ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন মিজানুর রহমান, সফিউল ইসলাম, জামাতি, সুলতান মাহমুদ, রাজ্জাক, শহিদ, দিলদার হোসেন, রহমত আলী ও মিনহাজুল ইসলাম। তাদের কয়েক বিঘা জমির খড় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  মুরাদনগর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক ও গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখরিত ধুনট

একরাতে দশ খড়ের পালায় আগুন আতঙ্কে দিনাজপুরের তিন গ্রাম

আপডেটের সময়: ০৮:০২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

হাকিমপুর, দিনাজপুর প্রতিনিধ: দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট ইউনিয়নের বাওনা, ইটাই ও বাশমুরি গ্রামে এক রাতে ধারাবাহিকভাবে ১০টি খড়ের পালায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্বৃত্তদের এ ঘটনায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার রাতজুড়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গেছে, রবিবার রাত ১০টার দিকে ইটাই ভূমিহীন বহুমুখী সমবায় সমিতির সামনে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলবিষয়ক কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা চলছিল। সভা চলাকালীন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বাওনা গ্রামে প্রথম একটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানোর কাজ চলে রাত ১টা পর্যন্ত। কিন্তু এরপরও অগ্নিসংযোগ থামেনি। রাত ১টার দিকে আবারও আরেকটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইটাই গ্রামে পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচটি খড়ের পালায় আগুন লাগানো হয়। ভোর ৪টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খেতে হয় ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের। হাকিমপুর ফায়ার সার্ভিস ইটাই গ্রামের আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত থাকায় সকালে ঘোড়াঘাট থেকে অতিরিক্ত একটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট এসে বাওনা গ্রামের আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

আরও পড়ুনঃ  মৌলভীবাজারে চাতল বিলে লীজকৃত জলমহালে পাকা ঘর, দখলের অভিযোগ

 

অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি দুর্বৃত্তরা বাওনা কমিউনিটি ক্লিনিকের পানির ট্যাংকির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিচে ফেলে দেয় এবং পানির পাইপলাইন ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন মিজানুর রহমান, সফিউল ইসলাম, জামাতি, সুলতান মাহমুদ, রাজ্জাক, শহিদ, দিলদার হোসেন, রহমত আলী ও মিনহাজুল ইসলাম। তাদের কয়েক বিঘা জমির খড় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  নাগরপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলিল জালিয়াতি ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ​