
মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর এবং প্রায় দেড় বিঘা জমির সহস্রাধিক ফলজ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আব্দুল জলিলের দাবি, তাঁর বাবা মৃত ইব্রাহিম ১৯৮৫, ১৯৯১, ১৯৯২ ও ১৯৯৪ সালে তহফিল আকন্দের কাছ থেকে কবলা দলিলের মাধ্যমে জমি কেনেন। খতিয়ান নম্বর ৭৮ এবং দাগ নম্বর ৭৬৯, ৭৭৯ ও ৮৬০-তে মোট ৬৬ শতক জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ওই জমি বসতভিটা ও বিভিন্ন ফসলের আবাদসহ ভোগদখল করে আসছেন। জলিলের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের আব্দুর রাজ্জাক অন্য ওয়ারিশের কাছ থেকে কিছু জমি কেনার পর তাঁদের ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রফিকুল ইসলাম, তারিকুল ইসলাম, মজিদুল, হাফিজিয়া খাতুন, রেখা বিবি, জায়েদা বিবি, শাহাজান মন্ডল, হাবিবুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তাঁদের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় বসতবাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি দেড় বিঘা জমির এক হাজারের বেশি কলাগাছ কেটে ফেলা হয় বলে তিনি দাবি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল জলিলরা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন এবং কলাগাছগুলোও তাঁরাই রোপণ করেছেন। এভাবে গাছ কেটে ফেলা ঠিক হয়নি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে থানায় সালিশ হয়েছে। মাতব্বর ও থানার হুকুমেই তিনি গাছ কেটে নিজের জমি উদ্ধার করেছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য হারুনুর রশিদ বলেন, থানায় অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বসা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং কাউকে জমি দখল বা গাছ কাটার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, অভিযোগের পর স্থানীয় দুই ইউপি সদস্যকে কাগজপত্র যাচাই করে বিষয়টি মীমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তিনি কাউকে গাছ কাটার নির্দেশ দেননি। ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।##
প্রতিবেদকের নাম 


















