
আনছারুল হক, স্টাফ রিপোর্টার,নীলফামারী
প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, ইন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ, প্রকল্পের আওতায় ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জলঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জলঢাকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের কৃষিকে আরও লাভজনক, পুষ্টিনির্ভর ও জলবায়ু সহনশীল করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির বিকল্প নেই।পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পুষ্টি সচেতনতা এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার প্রসারে কাজ করা হচ্ছে। কৃষকের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়লেই কৃষি হবে আরও সমৃদ্ধ এবং দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী বলেন, “কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ। কৃষকের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি সময়ের দাবি। সরকার কৃষিকে আরও আধুনিক ও লাভজনক করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। কৃষি, পুষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, “কৃষি, পুষ্টি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও কৃষকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় টেকসই কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক প্রতিনিধি, কৃষি উদ্যোক্তা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জলঢাকা, নীলফামারী।
প্রতিবেদকের নাম 



















