Dhaka ১১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সরকারি সম্পদের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে এলাকার মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই: এমপি ফয়সল কাজিপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিপদসংকুল আচরণের অভিযোগ মৌলভীবাজার মডেল মসজিদে মিলাদ কিয়াম করার কারনে কটুক্তিমূলক বক্তব্য দেয়ার প্রতিবাদে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নিয়োগে ‘নগ্ন দলীয় হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ, মোরেলগঞ্জে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন অপহরণের ৯ দিন পর ধর্ষণ মামলার আসামির নিকট থেকে কিশোরী উদ্ধার ধামরাইয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি: বাবুল কসাইকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা শহীদ জিয়া আন্তঃস্কুল ফুটবলে জয় পেয়েছে দক্ষিণ হালিশহর-বাকলিয়া-শেরশাহ কলোনী ও ছালেহ জহুর টাইব্রেকারে শেরপুরকে হারিয়ে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের জয় বাউফলে মাদকবিরোধী অভিযান মাদক ডিলার খোকন দফাদার গ্রেফতার মনপুরায় নতুন নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে উপজেলা যুবদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা

চা বাগান প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাসে চা শ্রমিকদের মজুরি এখনো ২০০ টাকা নির্ধারণ হয় নি।

রিপন আহমদ- মৌলভীবাজার

চা শ্রমিকদের মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ ও চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে চা শ্রমিক ফেডারেশনের মতবিনিময় সভা ও মিছিল অনুষ্ঠিত। চা শ্রমিকদের দৈনিক নগদ মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ, পৃথক মজুরি বোর্ড গঠন এবং চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা ২৩ আগস্ট রবিবার বেলা ১২টায় মৌলভীবাজার পৌরসভা মিলনায়তনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিপ্লব মাদ্রাজি পাশীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক দীপংকর ঘোষ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন। বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ দাস অলমিক, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সংস্কার কমিটির সদস্য সচিব জনক লাল দেশওয়ারা, চা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কাজল রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কিরণ শুক্ল বৈদ্য, মুমিনছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি লিটন মৃধা, মাধবপুর চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিবনারায়ণ নুনিয়া, মাথিউরা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির উপদেষ্টা আবুল কালাম আজাদ, লাক্কাতুরা চা বাগান প্রতিনিধি হৃদয় লোহার, করিমপুর চা বাগান প্রতিনিধি মায়া কর, বিমল রাসবিহারী বাগতী, মাতিউড়া চা বাগান প্রতিনিধি ময়না রাজভর, রাজনগর চা বাগান প্রতিনিধি গাঙ্গাজলী নুনিয়া, মৌলভী চা বাগান প্রতিনিধি রনি আহমেদ, রাঙ্গিছড়া চা বাগান প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ রাজভর, রশিদপুর চা বাগান প্রতিনিধি শিবলাল রবিদাস, ভুরভুরিয়া চা বাগান প্রতিনিধি আকাশ দোসাদ, সাবেক ইউপি সদস্য রশিদপুর চা বগান প্রতিনিধি ময়না রবিদাস, ইউপি সদস্য আলীনগর চা বাগান প্রতিনিধি কিরণ বৈদ্য, চা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আবু জাফর, উজ্জ্বল রায়, অ্যাডভোকেট আবুল হাসান, প্রণব জ্যোতি পাল, সফিকুল ইসলাম, সিপিবি মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জহর লাল দত্ত।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাসদ হবিগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক নুরুজ্জামান তরফদার, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সদস্য রাহাত আহমেদ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সংস্কার কমিটির আহ্বায়ক বিশু প্রসাদ গোয়ালা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জেলা শাখার সভাপতি বিশ্বজিৎ নন্দী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব সূত্রধর, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সভাপতি জ্যোতিষ মোহন্ত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় সভা শুরুর পূর্বে মৌলভীবাজার পৌরসভার সামনে থেকে শহরে চা শ্রমিক ফেডারেশনের এক মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে পৌরসভার সামনে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুনঃ  ডিএমপি সদস্যদের ভিআইপি প্রটোকল ও কেপিআই নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু

মতবিনিময় সভায় বক্তা বলেন, চা বাগান প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাসে চা শ্রমিকদের মজুরি এখনো ২০০ টাকা নির্ধারণ হয় নি। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির মধ্যে চা শ্রমিকরা খেয়ে না খেয়ে আধপেটা থেকে এবং হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে বাগানের উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে। মালিকরা লাভবান হচ্ছে, তারা তাদের সম্পদ বৃদ্ধি করছে। আর শ্রমিককে মজুরি দিচ্ছে মাত্র ১৮৭ টাকা। এই ১৮৭ টাকা মজুরি দিয়ে শ্রমিকদের পরিবার পরিজন নিয়ে একটা মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। গত ২০২২ সালে চা শ্রমিকরা ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে আন্দোলন করলেও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের সাথে প্রতারণা করে মালিকদের সাথে মিটিং করে ৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১৭০ টাকা মজুরি ঘোষণা করেন। এভাবে করে সরকার এবং মালিকপক্ষ মিলে শ্রমিকদের শোষণ করে যাচ্ছে। গত ২০২৩ সালের ১০ আগস্ট ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করে একটা অগণতান্ত্রিক গেজেট প্রকাশ করা হয়। সেই গেজেটর মেয়াদ গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শেষ হওয়ার পরদিন মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদ মেয়াদোত্তীর্ণ গেজেটের চুক্তি বাস্তবায়নে তড়িঘড়ি করে প্রতারণামূলক ভাবে ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করে ১৯৬ টাকা মজুরি ঘোষণা করে। যা অযৌক্তিক এবং চরণ অগণতান্ত্রিক। ইতিমধ্যে চা শ্রমিক ফেডারেশন সহ ক্রিয়াশীল সকল শ্রমিক সংগঠন এই মজুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। আজকে যখন চা বাগানে বাগানে ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে আন্দোলন চলছে, তখনও মালিকপক্ষ এবং শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে শ্রমিকদের পক্ষে কোনো বক্তব্য নেই। আর প্রতারণা নয় এইবার আমাদের ৫০০ টাকা মজুরির আদায়ের লড়াই চলবে। আজকের এই মতবিনিময় সভায় উত্থাপিত চা শ্রমিকদের দৈনিক নগদ মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ, পৃথক মজুরি বোর্ড গঠন এবং শ্রমিক স্বার্থবিরোধী ২০২৩ সালের গেজেট বাতিল, চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনকে আরও সংগঠিত করতে হবে। মজুরি বৃদ্ধির লড়াইয়ে চা বাগানে আন্দোলনরত সকল নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একটা বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সেই লড়াই সংগ্রামে সকলকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

আরও পড়ুনঃ  ধুনট বেলকুচি ইয়াং স্টার ক্লাবের আয়োজনে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সরকারি সম্পদের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে এলাকার মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই: এমপি ফয়সল

চা বাগান প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাসে চা শ্রমিকদের মজুরি এখনো ২০০ টাকা নির্ধারণ হয় নি।

আপডেটের সময়: ০৫:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

রিপন আহমদ- মৌলভীবাজার

চা শ্রমিকদের মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ ও চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে চা শ্রমিক ফেডারেশনের মতবিনিময় সভা ও মিছিল অনুষ্ঠিত। চা শ্রমিকদের দৈনিক নগদ মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ, পৃথক মজুরি বোর্ড গঠন এবং চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা ২৩ আগস্ট রবিবার বেলা ১২টায় মৌলভীবাজার পৌরসভা মিলনায়তনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিপ্লব মাদ্রাজি পাশীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক দীপংকর ঘোষ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন। বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ দাস অলমিক, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সংস্কার কমিটির সদস্য সচিব জনক লাল দেশওয়ারা, চা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কাজল রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কিরণ শুক্ল বৈদ্য, মুমিনছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি লিটন মৃধা, মাধবপুর চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিবনারায়ণ নুনিয়া, মাথিউরা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির উপদেষ্টা আবুল কালাম আজাদ, লাক্কাতুরা চা বাগান প্রতিনিধি হৃদয় লোহার, করিমপুর চা বাগান প্রতিনিধি মায়া কর, বিমল রাসবিহারী বাগতী, মাতিউড়া চা বাগান প্রতিনিধি ময়না রাজভর, রাজনগর চা বাগান প্রতিনিধি গাঙ্গাজলী নুনিয়া, মৌলভী চা বাগান প্রতিনিধি রনি আহমেদ, রাঙ্গিছড়া চা বাগান প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ রাজভর, রশিদপুর চা বাগান প্রতিনিধি শিবলাল রবিদাস, ভুরভুরিয়া চা বাগান প্রতিনিধি আকাশ দোসাদ, সাবেক ইউপি সদস্য রশিদপুর চা বগান প্রতিনিধি ময়না রবিদাস, ইউপি সদস্য আলীনগর চা বাগান প্রতিনিধি কিরণ বৈদ্য, চা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আবু জাফর, উজ্জ্বল রায়, অ্যাডভোকেট আবুল হাসান, প্রণব জ্যোতি পাল, সফিকুল ইসলাম, সিপিবি মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জহর লাল দত্ত।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাসদ হবিগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক নুরুজ্জামান তরফদার, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সদস্য রাহাত আহমেদ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সংস্কার কমিটির আহ্বায়ক বিশু প্রসাদ গোয়ালা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জেলা শাখার সভাপতি বিশ্বজিৎ নন্দী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব সূত্রধর, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সভাপতি জ্যোতিষ মোহন্ত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় সভা শুরুর পূর্বে মৌলভীবাজার পৌরসভার সামনে থেকে শহরে চা শ্রমিক ফেডারেশনের এক মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে পৌরসভার সামনে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুনঃ  ডিএমপি সদস্যদের ভিআইপি প্রটোকল ও কেপিআই নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু

মতবিনিময় সভায় বক্তা বলেন, চা বাগান প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাসে চা শ্রমিকদের মজুরি এখনো ২০০ টাকা নির্ধারণ হয় নি। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির মধ্যে চা শ্রমিকরা খেয়ে না খেয়ে আধপেটা থেকে এবং হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে বাগানের উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে। মালিকরা লাভবান হচ্ছে, তারা তাদের সম্পদ বৃদ্ধি করছে। আর শ্রমিককে মজুরি দিচ্ছে মাত্র ১৮৭ টাকা। এই ১৮৭ টাকা মজুরি দিয়ে শ্রমিকদের পরিবার পরিজন নিয়ে একটা মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। গত ২০২২ সালে চা শ্রমিকরা ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে আন্দোলন করলেও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের সাথে প্রতারণা করে মালিকদের সাথে মিটিং করে ৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১৭০ টাকা মজুরি ঘোষণা করেন। এভাবে করে সরকার এবং মালিকপক্ষ মিলে শ্রমিকদের শোষণ করে যাচ্ছে। গত ২০২৩ সালের ১০ আগস্ট ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করে একটা অগণতান্ত্রিক গেজেট প্রকাশ করা হয়। সেই গেজেটর মেয়াদ গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শেষ হওয়ার পরদিন মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদ মেয়াদোত্তীর্ণ গেজেটের চুক্তি বাস্তবায়নে তড়িঘড়ি করে প্রতারণামূলক ভাবে ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করে ১৯৬ টাকা মজুরি ঘোষণা করে। যা অযৌক্তিক এবং চরণ অগণতান্ত্রিক। ইতিমধ্যে চা শ্রমিক ফেডারেশন সহ ক্রিয়াশীল সকল শ্রমিক সংগঠন এই মজুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। আজকে যখন চা বাগানে বাগানে ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে আন্দোলন চলছে, তখনও মালিকপক্ষ এবং শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে শ্রমিকদের পক্ষে কোনো বক্তব্য নেই। আর প্রতারণা নয় এইবার আমাদের ৫০০ টাকা মজুরির আদায়ের লড়াই চলবে। আজকের এই মতবিনিময় সভায় উত্থাপিত চা শ্রমিকদের দৈনিক নগদ মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ, পৃথক মজুরি বোর্ড গঠন এবং শ্রমিক স্বার্থবিরোধী ২০২৩ সালের গেজেট বাতিল, চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনকে আরও সংগঠিত করতে হবে। মজুরি বৃদ্ধির লড়াইয়ে চা বাগানে আন্দোলনরত সকল নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একটা বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সেই লড়াই সংগ্রামে সকলকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

আরও পড়ুনঃ  বাঁশখালীতে বিষপ্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ, ৫ লাখ টাকা ক্ষতির আশঙ্কা