Dhaka ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
হোসেনপুরের উন্নয়নে কর্মকর্তাদের সাথে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের বৈঠক শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্ত স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টঃ উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক পরিষদ গঠিত বৃষ্টি ছাড়াই বজ্রপাত, ঠাকুরগাঁওয়ে গরুর মৃত্যু মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয়কারী আটক গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ার সাবেক পৌর প্রশাসক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ ভোলায় ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক কাউনিয়ার কুর্শায় নারী কৃষকদের উৎপাদিত দেশি হাঁস-মুরগি ও ডিমের হাট উদ্বোধন হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আড়াই মাসে প্রাণ গেল ৬০৫ জনের বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ টানতে রোড শো করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

রাস্তায় বের হওয়াই কঠিন হয়ে যাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল ও অকটেন বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করায় বিপাকে পড়েছেন রাইড শেয়ারিং চালকরা। মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল না দেওয়ায় সারাদিন কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন তারা। শুক্রবার থেকে সারাদেশের পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এতেই বাধে বিপত্তি। তবে অবৈধভাবে যাতে কেউ তেল মজুত করতে না পারে সেজন্য সরকারের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকেই। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বেশ কয়েকটি তেল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে কোনোটিতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন; আবার কোনোটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে নতুন রেকর্ড

রাইড শেয়ার চালকরা বলছেন, সারাদিন যাত্রী পরিবহন করতে গেলে কয়েকবার তেল নিতে হয়। কিন্তু পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে সীমিত পরিমাণ তেল পাওয়ায় সময় ও আয় দুটোই কমে যাচ্ছে। অনেক সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। রাইড শেয়ার চালক মো. রিয়াজ জানান, সারাদিন রাস্তায় থাকতে হলে অন্তত দুই থেকে তিনবার তেল নিতে হয়। কিন্তু এখন সীমা বেঁধে দেওয়ায় বারবার লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এতে সময় নষ্ট হচ্ছে, যাত্রীও মিস হচ্ছে। দিনের বেশির ভাগ সময় তেল নিতে চলে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ, পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা

আরেক চালক জসিম বলেন, আমরা প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করে চলি। তেল না পেলে বা কম পেলে রাস্তায় বের হওয়াই কঠিন হয়ে যায়। তেল নিতে ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় চলে যাচ্ছে। শুক্রবার বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি ট্রিপে (একবার) মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার, এসইউভি/জিপ/ মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস/ ট্রাক/কার্ভাডভ্যান/ কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

হোসেনপুরের উন্নয়নে কর্মকর্তাদের সাথে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের বৈঠক

রাস্তায় বের হওয়াই কঠিন হয়ে যাচ্ছে

আপডেটের সময়: ০৭:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল ও অকটেন বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করায় বিপাকে পড়েছেন রাইড শেয়ারিং চালকরা। মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল না দেওয়ায় সারাদিন কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন তারা। শুক্রবার থেকে সারাদেশের পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এতেই বাধে বিপত্তি। তবে অবৈধভাবে যাতে কেউ তেল মজুত করতে না পারে সেজন্য সরকারের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকেই। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বেশ কয়েকটি তেল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে কোনোটিতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন; আবার কোনোটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

রাইড শেয়ার চালকরা বলছেন, সারাদিন যাত্রী পরিবহন করতে গেলে কয়েকবার তেল নিতে হয়। কিন্তু পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে সীমিত পরিমাণ তেল পাওয়ায় সময় ও আয় দুটোই কমে যাচ্ছে। অনেক সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। রাইড শেয়ার চালক মো. রিয়াজ জানান, সারাদিন রাস্তায় থাকতে হলে অন্তত দুই থেকে তিনবার তেল নিতে হয়। কিন্তু এখন সীমা বেঁধে দেওয়ায় বারবার লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এতে সময় নষ্ট হচ্ছে, যাত্রীও মিস হচ্ছে। দিনের বেশির ভাগ সময় তেল নিতে চলে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান

আরেক চালক জসিম বলেন, আমরা প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করে চলি। তেল না পেলে বা কম পেলে রাস্তায় বের হওয়াই কঠিন হয়ে যায়। তেল নিতে ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় চলে যাচ্ছে। শুক্রবার বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি ট্রিপে (একবার) মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার, এসইউভি/জিপ/ মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস/ ট্রাক/কার্ভাডভ্যান/ কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো