Dhaka ০৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ার সাবেক পৌর প্রশাসক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ ভোলায় ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক কাউনিয়ার কুর্শায় নারী কৃষকদের উৎপাদিত দেশি হাঁস-মুরগি ও ডিমের হাট উদ্বোধন হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আড়াই মাসে প্রাণ গেল ৬০৫ জনের বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ টানতে রোড শো করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ভারত বা পাকিস্তান, কোনো বলয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশের মানুষ: মির্জা ফখরুল ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ-দ্বীন হাসপাতালের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বনের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে সহায়তার অভিযোগ প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন

রাস্তায় বের হওয়াই কঠিন হয়ে যাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল ও অকটেন বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করায় বিপাকে পড়েছেন রাইড শেয়ারিং চালকরা। মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল না দেওয়ায় সারাদিন কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন তারা। শুক্রবার থেকে সারাদেশের পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এতেই বাধে বিপত্তি। তবে অবৈধভাবে যাতে কেউ তেল মজুত করতে না পারে সেজন্য সরকারের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকেই। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বেশ কয়েকটি তেল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে কোনোটিতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন; আবার কোনোটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আড়াই মাসে প্রাণ গেল ৬০৫ জনের

রাইড শেয়ার চালকরা বলছেন, সারাদিন যাত্রী পরিবহন করতে গেলে কয়েকবার তেল নিতে হয়। কিন্তু পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে সীমিত পরিমাণ তেল পাওয়ায় সময় ও আয় দুটোই কমে যাচ্ছে। অনেক সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। রাইড শেয়ার চালক মো. রিয়াজ জানান, সারাদিন রাস্তায় থাকতে হলে অন্তত দুই থেকে তিনবার তেল নিতে হয়। কিন্তু এখন সীমা বেঁধে দেওয়ায় বারবার লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এতে সময় নষ্ট হচ্ছে, যাত্রীও মিস হচ্ছে। দিনের বেশির ভাগ সময় তেল নিতে চলে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

আরেক চালক জসিম বলেন, আমরা প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করে চলি। তেল না পেলে বা কম পেলে রাস্তায় বের হওয়াই কঠিন হয়ে যায়। তেল নিতে ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় চলে যাচ্ছে। শুক্রবার বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি ট্রিপে (একবার) মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার, এসইউভি/জিপ/ মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস/ ট্রাক/কার্ভাডভ্যান/ কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ  ভারত বা পাকিস্তান, কোনো বলয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশের মানুষ: মির্জা ফখরুল
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

রাস্তায় বের হওয়াই কঠিন হয়ে যাচ্ছে

আপডেটের সময়: ০৭:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল ও অকটেন বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করায় বিপাকে পড়েছেন রাইড শেয়ারিং চালকরা। মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল না দেওয়ায় সারাদিন কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন তারা। শুক্রবার থেকে সারাদেশের পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এতেই বাধে বিপত্তি। তবে অবৈধভাবে যাতে কেউ তেল মজুত করতে না পারে সেজন্য সরকারের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকেই। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বেশ কয়েকটি তেল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে কোনোটিতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন; আবার কোনোটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

রাইড শেয়ার চালকরা বলছেন, সারাদিন যাত্রী পরিবহন করতে গেলে কয়েকবার তেল নিতে হয়। কিন্তু পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে সীমিত পরিমাণ তেল পাওয়ায় সময় ও আয় দুটোই কমে যাচ্ছে। অনেক সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। রাইড শেয়ার চালক মো. রিয়াজ জানান, সারাদিন রাস্তায় থাকতে হলে অন্তত দুই থেকে তিনবার তেল নিতে হয়। কিন্তু এখন সীমা বেঁধে দেওয়ায় বারবার লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এতে সময় নষ্ট হচ্ছে, যাত্রীও মিস হচ্ছে। দিনের বেশির ভাগ সময় তেল নিতে চলে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ভারত বা পাকিস্তান, কোনো বলয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশের মানুষ: মির্জা ফখরুল

আরেক চালক জসিম বলেন, আমরা প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করে চলি। তেল না পেলে বা কম পেলে রাস্তায় বের হওয়াই কঠিন হয়ে যায়। তেল নিতে ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় চলে যাচ্ছে। শুক্রবার বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি ট্রিপে (একবার) মোটরসাইকেল ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার, এসইউভি/জিপ/ মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস/ ট্রাক/কার্ভাডভ্যান/ কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির অশিক্ষিত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত: আসিফ মাহমুদ