Dhaka ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে আবারও ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমরা ফটোসেশনের রাজনীতি করি না: পানিসম্পদমন্ত্রী দেশ কিছুটা স্থিতিশীল তবে শক্তিশালী ভিত্তি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম ‎নারীকে বাঁচাতে গিয়ে খাদে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি, পরে হাসপাতালে নারীর মৃত্যু ধুনটে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মরহুম এম সাইফুর রহমানের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মৌলভীবাজারে নানা কর্মসূচি দিনাজপুরে পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন নিহত দেবিদ্বারে “আমার গ্রাম- আমার দায়িত্ব” সংগঠনের উদ্যোগে ২টি টিউবওয়েল স্হাপন নারায়ণগঞ্জে ট্রাক চাপায় নারী পোশাকশ্রমিকের করুণ মৃত্যুতে উত্তাল শ্রমিক সংগঠন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ফরিদপুরে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের শোভাযাত্রা

চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মধ্যে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অনেক নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে হাওরে ইতোমধ্যে বন্যা আক্রান্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার পাশাপাশি নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীর পানি জারিয়াজাঞ্জইল পয়েন্টে বিপদসীমার ৮২ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে সোমেশ্বরী নদী কমলাকান্দা পয়েন্টের পানি ৫০, মগরা নদী নেত্রকোনা পয়েন্টের পানি ২ এবং মৌলভীবাজারেরর মনু নদী মৌলভীবাজার পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ৭২ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে নদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সুরমা-কুশিয়ারা ও ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি সমতলে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নদীগুলোর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সিলেট, সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। তৃতীয় দিন কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সুরমা নদীর পানি সর্তকসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের হাওর আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  এই স্বাধীন দেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

 

নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীগুলোর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নেত্রকোনার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। বাউলাই নদী খালিয়াজুড়ি পয়েন্টে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে, ফলে নেত্রকোনার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। খোয়াই ও জুড়ি নদী আগামী ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর প্রবাহিত হতে পারে। ফলে মৌলভীবাজারের হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এবং হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহের নিকলিতে ১৬০ মিলিমিটার। এছাড়া ১০০ মিলিলিটারের ওপরে ভোলায় ১৫১, ফেনীতে ১৪৮, খেপুপাড়ায় ১১৪, ময়মনসিংহে ১১৫, কুমিল্লা ও সীতাকুণ্ডে ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন

 

এদিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকা ভারতের সিকিমের গ্যাঙটকে ৯২ মিলিমিটার, ত্রিপুয়ার আগারতলায় ৭৪, মেঘালয়ের মত্তকিরওয়াতে ৬৮, রেসুবেলপারাতে ৬১, মাওফ্ল্যাংয়ে ৩৬ এবং মাওসিনরামে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় আজ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৪8 থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (১৮৮ মিলিমিটার) বর্ষণ হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে। শহর এলাকায় জলাবদ্ধতা হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  অতিরিক্ত আমদানির কারণে হুমকিতে দেশের লবণশিল্প
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে আবারও ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

আপডেটের সময়: ০৫:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মধ্যে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অনেক নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে হাওরে ইতোমধ্যে বন্যা আক্রান্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার পাশাপাশি নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীর পানি জারিয়াজাঞ্জইল পয়েন্টে বিপদসীমার ৮২ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে সোমেশ্বরী নদী কমলাকান্দা পয়েন্টের পানি ৫০, মগরা নদী নেত্রকোনা পয়েন্টের পানি ২ এবং মৌলভীবাজারেরর মনু নদী মৌলভীবাজার পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ৭২ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে নদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সুরমা-কুশিয়ারা ও ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি সমতলে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নদীগুলোর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সিলেট, সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। তৃতীয় দিন কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সুরমা নদীর পানি সর্তকসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের হাওর আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হয়রানিমুক্ত ভূমি সেবা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা ডিসি ফরিদার

 

নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীগুলোর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নেত্রকোনার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। বাউলাই নদী খালিয়াজুড়ি পয়েন্টে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে, ফলে নেত্রকোনার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। খোয়াই ও জুড়ি নদী আগামী ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর প্রবাহিত হতে পারে। ফলে মৌলভীবাজারের হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এবং হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহের নিকলিতে ১৬০ মিলিমিটার। এছাড়া ১০০ মিলিলিটারের ওপরে ভোলায় ১৫১, ফেনীতে ১৪৮, খেপুপাড়ায় ১১৪, ময়মনসিংহে ১১৫, কুমিল্লা ও সীতাকুণ্ডে ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  এই স্বাধীন দেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

 

এদিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকা ভারতের সিকিমের গ্যাঙটকে ৯২ মিলিমিটার, ত্রিপুয়ার আগারতলায় ৭৪, মেঘালয়ের মত্তকিরওয়াতে ৬৮, রেসুবেলপারাতে ৬১, মাওফ্ল্যাংয়ে ৩৬ এবং মাওসিনরামে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় আজ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৪8 থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (১৮৮ মিলিমিটার) বর্ষণ হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে। শহর এলাকায় জলাবদ্ধতা হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  জিয়া-খালেদার কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধায় বিএনপির ৪৮ বছরের সূচনা