Dhaka ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম সাঘাটায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু, ছয় মাসের শিশুকে নিয়ে দিশেহারা পুত্রবধূ বগুড়া শহর বাইপাস করে নতুন রেলপথের উদ্যোগ কেন্দুয়ায় ৫শ টাকা পাওনার বিরোধে একজনকে কুপিয়ে হত্যা! মা-ছেলে আটক পবায় গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নিজ ঘরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে, ছোট্ট শিশুর মৃত্যু ধমকিয়ে-পিটিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না: মির্জা ফখরুল নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ বিদ্যুতের দাম বাড়লো ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মধ্যে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অনেক নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে হাওরে ইতোমধ্যে বন্যা আক্রান্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার পাশাপাশি নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীর পানি জারিয়াজাঞ্জইল পয়েন্টে বিপদসীমার ৮২ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে সোমেশ্বরী নদী কমলাকান্দা পয়েন্টের পানি ৫০, মগরা নদী নেত্রকোনা পয়েন্টের পানি ২ এবং মৌলভীবাজারেরর মনু নদী মৌলভীবাজার পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ৭২ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে নদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সুরমা-কুশিয়ারা ও ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি সমতলে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নদীগুলোর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সিলেট, সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। তৃতীয় দিন কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সুরমা নদীর পানি সর্তকসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের হাওর আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান

 

নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীগুলোর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নেত্রকোনার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। বাউলাই নদী খালিয়াজুড়ি পয়েন্টে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে, ফলে নেত্রকোনার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। খোয়াই ও জুড়ি নদী আগামী ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর প্রবাহিত হতে পারে। ফলে মৌলভীবাজারের হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এবং হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহের নিকলিতে ১৬০ মিলিমিটার। এছাড়া ১০০ মিলিলিটারের ওপরে ভোলায় ১৫১, ফেনীতে ১৪৮, খেপুপাড়ায় ১১৪, ময়মনসিংহে ১১৫, কুমিল্লা ও সীতাকুণ্ডে ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির অশিক্ষিত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত: আসিফ মাহমুদ

 

এদিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকা ভারতের সিকিমের গ্যাঙটকে ৯২ মিলিমিটার, ত্রিপুয়ার আগারতলায় ৭৪, মেঘালয়ের মত্তকিরওয়াতে ৬৮, রেসুবেলপারাতে ৬১, মাওফ্ল্যাংয়ে ৩৬ এবং মাওসিনরামে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় আজ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৪8 থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (১৮৮ মিলিমিটার) বর্ষণ হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে। শহর এলাকায় জলাবদ্ধতা হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম

চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

আপডেটের সময়: ০৫:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের মধ্যে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অনেক নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে হাওরে ইতোমধ্যে বন্যা আক্রান্ত এলাকার পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার পাশাপাশি নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীর পানি জারিয়াজাঞ্জইল পয়েন্টে বিপদসীমার ৮২ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে সোমেশ্বরী নদী কমলাকান্দা পয়েন্টের পানি ৫০, মগরা নদী নেত্রকোনা পয়েন্টের পানি ২ এবং মৌলভীবাজারেরর মনু নদী মৌলভীবাজার পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ৭২ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে নদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সুরমা-কুশিয়ারা ও ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি সমতলে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নদীগুলোর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সিলেট, সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। তৃতীয় দিন কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সুরমা নদীর পানি সর্তকসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের হাওর আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান

 

নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীগুলোর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নেত্রকোনার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার ধনু-বাউলাই নদীগুলোর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। বাউলাই নদী খালিয়াজুড়ি পয়েন্টে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে, ফলে নেত্রকোনার হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানি আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। খোয়াই ও জুড়ি নদী আগামী ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর প্রবাহিত হতে পারে। ফলে মৌলভীবাজারের হাওরের আশেপাশের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এবং হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহের নিকলিতে ১৬০ মিলিমিটার। এছাড়া ১০০ মিলিলিটারের ওপরে ভোলায় ১৫১, ফেনীতে ১৪৮, খেপুপাড়ায় ১১৪, ময়মনসিংহে ১১৫, কুমিল্লা ও সীতাকুণ্ডে ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

 

এদিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকা ভারতের সিকিমের গ্যাঙটকে ৯২ মিলিমিটার, ত্রিপুয়ার আগারতলায় ৭৪, মেঘালয়ের মত্তকিরওয়াতে ৬৮, রেসুবেলপারাতে ৬১, মাওফ্ল্যাংয়ে ৩৬ এবং মাওসিনরামে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় আজ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৪8 থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (১৮৮ মিলিমিটার) বর্ষণ হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে। শহর এলাকায় জলাবদ্ধতা হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী