Dhaka ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জৈন্তাপুরে সংবাদকর্মীকে পথরোধ করে দুর্ধর্ষ ছিনতাই সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সঙ্গে বনদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ, আটক ৩ বান্দরবানে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ শুরু রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী ঢোপকল সংরক্ষণে রাসিক প্রশাসকের উদ্যোগ সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বড়লেখায় উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ও চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য গ্রেফতার লামা-আলীকদম সড়কে তামাকবাহী ট্রাকের দৌরাত্ম্য, প্রাণহানির শঙ্কা মোরেলগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের উপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ মিছিল মানিকগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র আলোচনায় মাসুদ পারভেজ

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো

ইয়ামিন হোসাইন : সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দুপুর গড়াতেই অনেককে বিদ্যালয় ত্যাগে ব্যস্ত হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে, দিঘুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টা ৪৮ মিনিটে এবং বেলকুচি পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩টা ১০ মিনিটে বন্ধ করে শিক্ষক-শিক্ষিকারা মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব বিদ্যালয়ে প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষকরা বাড়ি চলে যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এমন অনিয়ম চলে আসছে। দুপুরে নামাজের পরপরই অনেক শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। একজন স্থানীয় অভিভাবক বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষকরা কখন আসেন, কখন যান—তা আমরা ঠিকমতো জানি না। তবে দুপুরের পর থেকেই বিদ্যালয় বন্ধ দেখতে পাই।

আরও পড়ুনঃ  সবকিছুই আছে শুধু মা নেই: বিশ্ব মা দিবসে সাংবাদিক উজ্জ্বল সরকারের আবেগঘন শ্রদ্ধাঞ্জলি

 

একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জানায়, “আমি আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তাম। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ায় এখন মাদ্রাসায় পড়ি। অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখনই শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলবো এবং বিষয়টি তদন্ত করে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়ানো হলে এমন অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে এবং শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পাঠদান সুবিধা পাবে।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধা জেলা স্টেডিয়ামে দুদকের গণশুনানি, দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরালো বার্তা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জৈন্তাপুরে সংবাদকর্মীকে পথরোধ করে দুর্ধর্ষ ছিনতাই

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো

আপডেটের সময়: ০৩:৩০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ইয়ামিন হোসাইন : সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দুপুর গড়াতেই অনেককে বিদ্যালয় ত্যাগে ব্যস্ত হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে, দিঘুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টা ৪৮ মিনিটে এবং বেলকুচি পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩টা ১০ মিনিটে বন্ধ করে শিক্ষক-শিক্ষিকারা মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব বিদ্যালয়ে প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষকরা বাড়ি চলে যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এমন অনিয়ম চলে আসছে। দুপুরে নামাজের পরপরই অনেক শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। একজন স্থানীয় অভিভাবক বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষকরা কখন আসেন, কখন যান—তা আমরা ঠিকমতো জানি না। তবে দুপুরের পর থেকেই বিদ্যালয় বন্ধ দেখতে পাই।

আরও পড়ুনঃ  পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে লামায় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন

 

একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জানায়, “আমি আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তাম। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ায় এখন মাদ্রাসায় পড়ি। অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখনই শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলবো এবং বিষয়টি তদন্ত করে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়ানো হলে এমন অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে এবং শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পাঠদান সুবিধা পাবে।

আরও পড়ুনঃ  সবকিছুই আছে শুধু মা নেই: বিশ্ব মা দিবসে সাংবাদিক উজ্জ্বল সরকারের আবেগঘন শ্রদ্ধাঞ্জলি