Dhaka ১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুলিয়ারচরে সংবর্ধিত ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদিল মিয়া নোয়াপাড়া মডেল ইউনিয়নে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আগামী কাল সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন সরকারি চলাচলের সড়ক দখল করে অবৈধভাবে বাউন্ডারি ওয়াল ও বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ বন্দর থানা এলাকায় আত্মসাথের ৫০ কার্টুন ক্রোকারিজ পণ্য ও গাড়ি উদ্ধার: আটক -২ মাগুরায় জেলা তথ্য অফিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, উন্নয়ন বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপেক্ষিত ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা,উপজেলা ছাত্রসেনার স্মারকলিপি পেশ রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব বেঞ্চ স্থাপন মনপুরায় সাবমেরিন ক্যাবলে বিদ্যুতের জন্য ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিসট্রিবিউশন এর মহাপরিকল্পনা সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ধানের হাটে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

বরিশালে হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের জেলেদের চাল ভাগাভাগি

বরিশাল ব্যুরো
বরিশালের হিজলা উপজেলার হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক শাহরিয়ার হায়দার ও সচিব শহিন স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির সমন্বয়ে জেলেদের নামে বরাদ্দের চাল ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে বলে অভিযোগ জেলে পরিবারের সদস্যদের।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের জেলে কার্ডের ৩০০ টাকার ট্যাক্স কেটে চাল পাচ্ছে না ২৩ জেলে। ভাগ বাটোয়ারা করে খেয়ে ফেলেছে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক, ইউসুফ এবং সবুজ হাওলাদার ও কামাল বাঘা নামের ব্যক্তি। জেলেদের মাথায় বজ্রপাত ।
ভুক্তভোগী জেলে আলাউদ্দিন সরদার, কামাল মোল্লা, মোসলেম হাওলাদার, মালেক মাঝি, নয়ন মোল্লা, বেল্লাল হাওলাদার, আলী হোসেন, কাদের হাওলাদার, আবু তাহের, সোহেল মাতুব্বর, রফিক হাওলাদার, বিল্লাল মিস্ত্রি, ইব্রাহিম হাওলাদার সহ অনেকে জানান, হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নং, ওয়ার্ডের পূর্ব মান্দ্রা গ্রামের বাসিন্দা তারা । এলাকার ২৩ জন জেলের ট্যাক্স কেটে নেন। কার্ডের বিপরীত ৪০ হাজার টাকা তুলে দেন সবুজ এবং ইউসুফ চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির হাতে। ইউসুফ স্থানীয় প্রশাসক শাহরিয়ার হায়দার এর স্টাফ এবং সবুজ ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের দাবিদার,অন্যজন কামাল বাগা প্রভাবশালী ব্যক্তি । উভয় মিলে টাকাগুলো গিলে ফেলেছে।
অভিযোগ রয়েছে ইউসুফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে। চৌকিদারী ট্যাক্সের রিসিভ গুলো কেটে দেন এবং নিজের সই করেন। এই ট্যাক্স এর রসিদ কাটা নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা। একজন পরিবার পরিকল্পনা কর্মী ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদারী ট্যাক্স কাটেন কিভাবে? এমন প্রশ্ন স্থানীয় সচেতন মহলের। তাদের অভিযোগ ৩০০ টাকার ট্যাক্স এর সাথে বাড়তি এক হাজার টাকা পকেটে ভরেন ইউসুফ চৌধুরী ও সবুজ । মূল নায়ক প্রশাসক শাহরিয়ার হায়দার এবং ইউপি সচিব থাকেন অন্তরালে।
ইউসুফ চৌধুরী ট্যাক্সের রসিদ কাটার কথা স্বীকার করলেও অতিরিক্ত এক হাজার টাকা নেননি বলে দাবি তার। সবুজ এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।
ইউপি সচিব শাহিন জানান, ওই রিসিভগুলো জেলেদের জন্য না। স্থানীয় কর হিসেবে কাটতে পারে। রিসিট স্থানীয় চৌকিদার, সবুজ হাওলাদার এবং প্রশাসকের সহযোগী ইউসুফ চৌধুরীর কাছে জমা থাকে।
পরিবার পরিকল্পনা কর্মীর হাতে ইউনিয়নের ট্যাক্সের রসিদ থাকা কতটুকু সমীচীন। এমন প্রশ্নে জানান প্রশাসক রাখতে পারেন।
ঐ ট্যাক্স রসিদ নিয়ে পরিষদে চাল আনতে গেলে, চাল পানি ভুক্তভোগীগণ। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক শাহারিয়ার হায়দার এর কাছে অভিযোগ দিয়েও পাত্তা পাননি তারা। বেশ কবার শাহরিয়ার হায়দারের দপ্তরে এবং তার বাসায় গেলে ও প্রশাসকের ভূমিকা ছিল নিরব।
স্থানীয় ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার ( পূর্ব মানদ্রা গ্রাম ) চুন্নু হাওলাদার জানান, ইউনিয়নে যেকোনো কার্যক্রমে তাদের কোন অধিকার নেই। ৫ আগস্ট এর পর থেকে তারা ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত। পরিষদ বিষয়ে প্রশ্ন না করাই উত্তম। এমনটাই দাবি তার।
সবুজের দাবি তিনি ইউনিয়ন পরিষদে সচিবের কাজ করেন। তবে তিনি রিসিভ কাটেননি।
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ সবুজ হাওলাদার, কামাল বাগা, পরিকল্পনা কর্মী ইউসুফ চৌধুরী এবং ইউপি সচিব শাহীন মিলে যে টাকাগুলো তুলেছেন তার কোন হিসেব মিলছে না কোথাও।
হিজলা উপজেলা শাখার জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল আমিন জানান, ৫ আগস্ট এর পর সরকারি সকল কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ ছিল। এখন কোন কাজেই তাদের অন্তর্ভুক্তি নেই। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর সাথে আলাপ হয়েছে। সহযোগিতার আশ্বাস ও দিয়েছেন। তবে বাস্তবতা ভিন্ন।
জেলেদের চাল নিয়ে দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা বিষয়ে জানতে চাইলে
উপজেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আন্দোলন কমিটির সাবেক সভাপতি হিজলা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক খগেন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি শুধুমাত্র লোক দেখানো। কয়েকটি সভা- সেমিনারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কমিটি শুধুমাত্র নামে। কোন কার্যক্রম নেই।
হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের প্রশাসক ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহরিয়ার হায়দার এর সাথে আলাপ কালে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের কারণেই এমনটা ঘটছে বলে দাবি তার। জেলেদের নিয়ে উপজেলায় আসতে বলেন তিনি । তবে সুশীল সমাজের দাবি হিজলা উপজেলায় জেলেদের নামে বরাদ্দের চাল, ট্যাক্সের রসিদ কাটার বিষয়ে যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নজরদারিতে রাখা উচিত। এবং অনিয়মের অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সময়ের দাবি। তা না হলে এরা আরো বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্যে জড়িয়ে পড়তে পারে। ইতিপূর্বে ১ নং হরিনাথপুর ইউনিয়নে এরকম দুর্নীতি করে সচিব ফেরদৌস হাসান লিমন বহাল তবিয়তে থাকার কারণে হিজলা গৌরবদি ইউনিয়ন সুযোগ নিয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় বিভিন্ন মহল। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অন্যরা যেন সুযোগ নিতে না পারে সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রাখা জরুরী বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।।

আরও পড়ুনঃ  ​লোহাগাড়ায় একই কোম্পানির দুই বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ: ১০ প্রাণহানি, অঙ্গহানি হয়েছে ২০ জনের

 

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কুলিয়ারচরে সংবর্ধিত ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদিল মিয়া

বরিশালে হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের জেলেদের চাল ভাগাভাগি

আপডেটের সময়: ০৪:৫২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

বরিশাল ব্যুরো
বরিশালের হিজলা উপজেলার হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক শাহরিয়ার হায়দার ও সচিব শহিন স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির সমন্বয়ে জেলেদের নামে বরাদ্দের চাল ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে বলে অভিযোগ জেলে পরিবারের সদস্যদের।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের জেলে কার্ডের ৩০০ টাকার ট্যাক্স কেটে চাল পাচ্ছে না ২৩ জেলে। ভাগ বাটোয়ারা করে খেয়ে ফেলেছে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক, ইউসুফ এবং সবুজ হাওলাদার ও কামাল বাঘা নামের ব্যক্তি। জেলেদের মাথায় বজ্রপাত ।
ভুক্তভোগী জেলে আলাউদ্দিন সরদার, কামাল মোল্লা, মোসলেম হাওলাদার, মালেক মাঝি, নয়ন মোল্লা, বেল্লাল হাওলাদার, আলী হোসেন, কাদের হাওলাদার, আবু তাহের, সোহেল মাতুব্বর, রফিক হাওলাদার, বিল্লাল মিস্ত্রি, ইব্রাহিম হাওলাদার সহ অনেকে জানান, হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নং, ওয়ার্ডের পূর্ব মান্দ্রা গ্রামের বাসিন্দা তারা । এলাকার ২৩ জন জেলের ট্যাক্স কেটে নেন। কার্ডের বিপরীত ৪০ হাজার টাকা তুলে দেন সবুজ এবং ইউসুফ চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির হাতে। ইউসুফ স্থানীয় প্রশাসক শাহরিয়ার হায়দার এর স্টাফ এবং সবুজ ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের দাবিদার,অন্যজন কামাল বাগা প্রভাবশালী ব্যক্তি । উভয় মিলে টাকাগুলো গিলে ফেলেছে।
অভিযোগ রয়েছে ইউসুফ চৌধুরীর বিরুদ্ধে। চৌকিদারী ট্যাক্সের রিসিভ গুলো কেটে দেন এবং নিজের সই করেন। এই ট্যাক্স এর রসিদ কাটা নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা। একজন পরিবার পরিকল্পনা কর্মী ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদারী ট্যাক্স কাটেন কিভাবে? এমন প্রশ্ন স্থানীয় সচেতন মহলের। তাদের অভিযোগ ৩০০ টাকার ট্যাক্স এর সাথে বাড়তি এক হাজার টাকা পকেটে ভরেন ইউসুফ চৌধুরী ও সবুজ । মূল নায়ক প্রশাসক শাহরিয়ার হায়দার এবং ইউপি সচিব থাকেন অন্তরালে।
ইউসুফ চৌধুরী ট্যাক্সের রসিদ কাটার কথা স্বীকার করলেও অতিরিক্ত এক হাজার টাকা নেননি বলে দাবি তার। সবুজ এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।
ইউপি সচিব শাহিন জানান, ওই রিসিভগুলো জেলেদের জন্য না। স্থানীয় কর হিসেবে কাটতে পারে। রিসিট স্থানীয় চৌকিদার, সবুজ হাওলাদার এবং প্রশাসকের সহযোগী ইউসুফ চৌধুরীর কাছে জমা থাকে।
পরিবার পরিকল্পনা কর্মীর হাতে ইউনিয়নের ট্যাক্সের রসিদ থাকা কতটুকু সমীচীন। এমন প্রশ্নে জানান প্রশাসক রাখতে পারেন।
ঐ ট্যাক্স রসিদ নিয়ে পরিষদে চাল আনতে গেলে, চাল পানি ভুক্তভোগীগণ। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক শাহারিয়ার হায়দার এর কাছে অভিযোগ দিয়েও পাত্তা পাননি তারা। বেশ কবার শাহরিয়ার হায়দারের দপ্তরে এবং তার বাসায় গেলে ও প্রশাসকের ভূমিকা ছিল নিরব।
স্থানীয় ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার ( পূর্ব মানদ্রা গ্রাম ) চুন্নু হাওলাদার জানান, ইউনিয়নে যেকোনো কার্যক্রমে তাদের কোন অধিকার নেই। ৫ আগস্ট এর পর থেকে তারা ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত। পরিষদ বিষয়ে প্রশ্ন না করাই উত্তম। এমনটাই দাবি তার।
সবুজের দাবি তিনি ইউনিয়ন পরিষদে সচিবের কাজ করেন। তবে তিনি রিসিভ কাটেননি।
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ সবুজ হাওলাদার, কামাল বাগা, পরিকল্পনা কর্মী ইউসুফ চৌধুরী এবং ইউপি সচিব শাহীন মিলে যে টাকাগুলো তুলেছেন তার কোন হিসেব মিলছে না কোথাও।
হিজলা উপজেলা শাখার জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল আমিন জানান, ৫ আগস্ট এর পর সরকারি সকল কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ ছিল। এখন কোন কাজেই তাদের অন্তর্ভুক্তি নেই। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর সাথে আলাপ হয়েছে। সহযোগিতার আশ্বাস ও দিয়েছেন। তবে বাস্তবতা ভিন্ন।
জেলেদের চাল নিয়ে দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা বিষয়ে জানতে চাইলে
উপজেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আন্দোলন কমিটির সাবেক সভাপতি হিজলা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক খগেন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি শুধুমাত্র লোক দেখানো। কয়েকটি সভা- সেমিনারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কমিটি শুধুমাত্র নামে। কোন কার্যক্রম নেই।
হিজলা গৌরবদি ইউনিয়নের প্রশাসক ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহরিয়ার হায়দার এর সাথে আলাপ কালে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের কারণেই এমনটা ঘটছে বলে দাবি তার। জেলেদের নিয়ে উপজেলায় আসতে বলেন তিনি । তবে সুশীল সমাজের দাবি হিজলা উপজেলায় জেলেদের নামে বরাদ্দের চাল, ট্যাক্সের রসিদ কাটার বিষয়ে যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নজরদারিতে রাখা উচিত। এবং অনিয়মের অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সময়ের দাবি। তা না হলে এরা আরো বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্যে জড়িয়ে পড়তে পারে। ইতিপূর্বে ১ নং হরিনাথপুর ইউনিয়নে এরকম দুর্নীতি করে সচিব ফেরদৌস হাসান লিমন বহাল তবিয়তে থাকার কারণে হিজলা গৌরবদি ইউনিয়ন সুযোগ নিয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় বিভিন্ন মহল। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অন্যরা যেন সুযোগ নিতে না পারে সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রাখা জরুরী বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।।

আরও পড়ুনঃ  পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে লামায় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন