Dhaka ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুলিয়ারচরে সংবর্ধিত ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদিল মিয়া নোয়াপাড়া মডেল ইউনিয়নে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আগামী কাল সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন সরকারি চলাচলের সড়ক দখল করে অবৈধভাবে বাউন্ডারি ওয়াল ও বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ বন্দর থানা এলাকায় আত্মসাথের ৫০ কার্টুন ক্রোকারিজ পণ্য ও গাড়ি উদ্ধার: আটক -২ মাগুরায় জেলা তথ্য অফিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, উন্নয়ন বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপেক্ষিত ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা,উপজেলা ছাত্রসেনার স্মারকলিপি পেশ রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব বেঞ্চ স্থাপন মনপুরায় সাবমেরিন ক্যাবলে বিদ্যুতের জন্য ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিসট্রিবিউশন এর মহাপরিকল্পনা সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ধানের হাটে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

বন্ধ থেকে ৬ দিন পর আবার উৎপাদনে ফিরলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

মোঃ মনিরুজ্জামান ব্যুরো চিফ, রংপুর

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধের ছয়দিন পর উৎপাদনে ফিরেছে। তবে ইউনিটটি পুরোনো হওয়ায় টানা কতদিন নিরবিচ্ছিন্নভাবে সেটি চালু রাখা যায়, তা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
আজ শনিবার (৯ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরেছে ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ১নং ইউনিট।
কর্তৃপক্ষ জানায়, উৎপাদন শুরুর ফলে ওই ইউনিট থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতিদিন কয়লার প্রয়োজন হচ্ছে ৭০০ মেট্রিক টন। গত ১ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চালু থাকা প্রথম ইউনিটটি পরদিন (২ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বয়লারের টিউব ফেটে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে মেরামতের জন্য টানা ছয়দিন বন্ধ ছিল এই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম।

আরও পড়ুনঃ  ​মা দিবসে এক সাংবাদিকের হাহাকার: ‘মা নেই তো মাথার ওপর যেন ছাদ নেই

এদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদিত কয়লার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। ২০০৬ সালে ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পৃথক তিনটি ইউনিটের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যাত্রা শুরু করে। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কখনোই পুরোমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি।

আরও পড়ুনঃ  রাজীতিতে পুরোদমে সক্রিয় হচ্ছেন মাম্যাচিং: বান্দরবান জেলা বিএনপির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কুলিয়ারচরে সংবর্ধিত ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদিল মিয়া

বন্ধ থেকে ৬ দিন পর আবার উৎপাদনে ফিরলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

আপডেটের সময়: ০৬:০৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

মোঃ মনিরুজ্জামান ব্যুরো চিফ, রংপুর

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধের ছয়দিন পর উৎপাদনে ফিরেছে। তবে ইউনিটটি পুরোনো হওয়ায় টানা কতদিন নিরবিচ্ছিন্নভাবে সেটি চালু রাখা যায়, তা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
আজ শনিবার (৯ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরেছে ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ১নং ইউনিট।
কর্তৃপক্ষ জানায়, উৎপাদন শুরুর ফলে ওই ইউনিট থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতিদিন কয়লার প্রয়োজন হচ্ছে ৭০০ মেট্রিক টন। গত ১ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চালু থাকা প্রথম ইউনিটটি পরদিন (২ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বয়লারের টিউব ফেটে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে মেরামতের জন্য টানা ছয়দিন বন্ধ ছিল এই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম।

আরও পড়ুনঃ  জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ৩০০ পিস ট্যাপেটাডল ট্যাবলেটসহ যুবক আটক

এদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদিত কয়লার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। ২০০৬ সালে ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পৃথক তিনটি ইউনিটের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যাত্রা শুরু করে। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কখনোই পুরোমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি।

আরও পড়ুনঃ  দুর্গাপুরে রাস্তার মাঝখানে গাছ, চরম দুর্ভোগে ১৫-২০টি পরিবার