Dhaka ০৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ার সাবেক পৌর প্রশাসক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ ভোলায় ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক কাউনিয়ার কুর্শায় নারী কৃষকদের উৎপাদিত দেশি হাঁস-মুরগি ও ডিমের হাট উদ্বোধন হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আড়াই মাসে প্রাণ গেল ৬০৫ জনের বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ টানতে রোড শো করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ভারত বা পাকিস্তান, কোনো বলয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশের মানুষ: মির্জা ফখরুল ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ-দ্বীন হাসপাতালের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বনের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে সহায়তার অভিযোগ প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন

তিন কারণে অপরাধী রাষ্ট্রপতি: জামায়াতের আমির

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ১১৯ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাষ্ট্রপতি তিনটি কারণে অপরাধী, তার বক্তব্য আমরা এই মহান সংসদে শুনতে পারি না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের পর বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ছিল তারা যেন এখানে কোনো বক্তব্য রাখতে না পারে। এ সময় রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, প্রথমত তিনি অতীতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান নেননি। তাঁর ভাষায় রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে তিনি সেই সময়ের কোনো খুনের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করেননি এবং কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ, পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা

দ্বিতীয় অভিযোগ হিসেবে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সেই বক্তব্য অস্বীকার করেছেন। এতে তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী’ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন বলে দাবি করেন শফিকুর রহমান। তৃতীয় অভিযোগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংস্কার পরিষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য—এই দুই ভূমিকায় দায়িত্ব পালনের বিষয়টি একটি অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপতি তা করেননি।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

শফিকুর রহমান দাবি করেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিলেও সেই অনুযায়ী উদ্যোগ না নেওয়ায় রাষ্ট্রপতি জনগণকে অসম্মান করেছেন। এসব কারণেই তারা রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুনতে রাজি নন বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সরকারি দলকে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বন্ধ করার আহ্বান জানানো হলেও তাদের সেই আহ্বান গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন আমরা সংক্ষুব্ধ হয়ে সংসদ থেকে বের হয়ে এসেছি। ভবিষ্যতেও সংসদে কোনো অন্যায় হলে আমরা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেব এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাব।

আরও পড়ুনঃ  ভারত বা পাকিস্তান, কোনো বলয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশের মানুষ: মির্জা ফখরুল
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

তিন কারণে অপরাধী রাষ্ট্রপতি: জামায়াতের আমির

আপডেটের সময়: ০৭:১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাষ্ট্রপতি তিনটি কারণে অপরাধী, তার বক্তব্য আমরা এই মহান সংসদে শুনতে পারি না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের পর বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ছিল তারা যেন এখানে কোনো বক্তব্য রাখতে না পারে। এ সময় রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, প্রথমত তিনি অতীতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান নেননি। তাঁর ভাষায় রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে তিনি সেই সময়ের কোনো খুনের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করেননি এবং কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

আরও পড়ুনঃ  নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

দ্বিতীয় অভিযোগ হিসেবে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সেই বক্তব্য অস্বীকার করেছেন। এতে তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী’ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন বলে দাবি করেন শফিকুর রহমান। তৃতীয় অভিযোগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংস্কার পরিষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য—এই দুই ভূমিকায় দায়িত্ব পালনের বিষয়টি একটি অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপতি তা করেননি।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

শফিকুর রহমান দাবি করেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিলেও সেই অনুযায়ী উদ্যোগ না নেওয়ায় রাষ্ট্রপতি জনগণকে অসম্মান করেছেন। এসব কারণেই তারা রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুনতে রাজি নন বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সরকারি দলকে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বন্ধ করার আহ্বান জানানো হলেও তাদের সেই আহ্বান গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন আমরা সংক্ষুব্ধ হয়ে সংসদ থেকে বের হয়ে এসেছি। ভবিষ্যতেও সংসদে কোনো অন্যায় হলে আমরা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেব এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাব।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান