Dhaka ১১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে অনলাইন জুয়া ও জাল ভিসা চক্রের হোতা গ্রেফতার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ মাদক ব্যবসায়ী তদন্তে নতুন প্রশ্ন: স্টোরে ওষুধ, তবুও রোগীকে বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে কেন? ইপিজেডে ডক শ্রমিক আবাসিক কলোনি জামে মসজিদের ইমাম বিরুদ্ধে অপপ্রচার মুসল্লিদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ ফরিদপুরে  বটতলা বাজারে মোবাইল কোর্টে দুই বিরিয়ানি প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা তাহিরপুরে মানহানীকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা চিকিৎসাধীন সিনিয়ার সাংবাদিক শাহ্ আলম কে দেখতে হাসপাতালে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম ফরিদপুর ভাঙ্গায় সুমন শেখ হত্যার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ ​হোসেনপুরে মাদকের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী হিরা চক্র’কে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বসুরহাট পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ১১৮ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা

তদন্তে নতুন প্রশ্ন: স্টোরে ওষুধ, তবুও রোগীকে বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে কেন?

মাসুদ রানা মাসুম,পার্বত্য ব্যুরো:  বান্দরবান সদর হাসপাতালে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি আজ বুধবার (১ জুলাই)  হাসপাতাল পরিদর্শন করে ওষুধের মজুদ, ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র এবং সরবরাহ কার্যক্রম যাচাই শুরু করেছে। তদন্তের মধ্যেই স্টোরে পর্যাপ্ত ওষুধ থাকার তথ্য পাওয়া গেলেও, অনেক রোগীকে হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ না দিয়ে বাইরে থেকে কিনে আনার জন্য স্লিপ দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার  সকাল ১১টায় তদন্ত শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর তদন্ত কমিটি হাসপাতালের স্টোর, নথিপত্র এবং সরবরাহকৃত মালামাল পর্যালোচনা করে। তদন্ত চলাকালে হাসপাতালের স্টোর কিপারের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রাথমিক তথ্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, টেন্ডারের আওতায় ক্রয়কৃত সব মালামাল এখনো হাসপাতালে পুরোপুরি পৌঁছায়নি। ফলে সরবরাহ, গ্রহণ এবং কাগজপত্রে দেখানো তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে তদন্ত চলাকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

 

এর আগে প্রায় ৪ কোটি টাকার ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় এবং অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের পর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ওষুধের প্রকৃত মজুদ, সরবরাহের অগ্রগতি, ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র এবং রোগীদের অভিযোগ যাচাই করছে। তবে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ এবং ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে চূড়ান্ত অবস্থান জানা যাবে।

আরও পড়ুনঃ  নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে মির্জাপুর বিক্ষোভ মিছিল ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তারাগঞ্জে অনলাইন জুয়া ও জাল ভিসা চক্রের হোতা গ্রেফতার

তদন্তে নতুন প্রশ্ন: স্টোরে ওষুধ, তবুও রোগীকে বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে কেন?

আপডেটের সময়: ০৯:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম,পার্বত্য ব্যুরো:  বান্দরবান সদর হাসপাতালে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি আজ বুধবার (১ জুলাই)  হাসপাতাল পরিদর্শন করে ওষুধের মজুদ, ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র এবং সরবরাহ কার্যক্রম যাচাই শুরু করেছে। তদন্তের মধ্যেই স্টোরে পর্যাপ্ত ওষুধ থাকার তথ্য পাওয়া গেলেও, অনেক রোগীকে হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ না দিয়ে বাইরে থেকে কিনে আনার জন্য স্লিপ দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার  সকাল ১১টায় তদন্ত শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর তদন্ত কমিটি হাসপাতালের স্টোর, নথিপত্র এবং সরবরাহকৃত মালামাল পর্যালোচনা করে। তদন্ত চলাকালে হাসপাতালের স্টোর কিপারের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রাথমিক তথ্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, টেন্ডারের আওতায় ক্রয়কৃত সব মালামাল এখনো হাসপাতালে পুরোপুরি পৌঁছায়নি। ফলে সরবরাহ, গ্রহণ এবং কাগজপত্রে দেখানো তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে তদন্ত চলাকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী।

আরও পড়ুনঃ  নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

 

এর আগে প্রায় ৪ কোটি টাকার ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় এবং অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের পর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ওষুধের প্রকৃত মজুদ, সরবরাহের অগ্রগতি, ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র এবং রোগীদের অভিযোগ যাচাই করছে। তবে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ এবং ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে চূড়ান্ত অবস্থান জানা যাবে।

আরও পড়ুনঃ  দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ারে ১২৬ তরুণের চাকরি নিশ্চিত