Dhaka ১০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাহালুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু কেরানীগঞ্জে ফার্নিচার শোরুমের ৩ তলা থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হোসেনপুরের উন্নয়নে কর্মকর্তাদের সাথে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের বৈঠক শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্ত স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টঃ উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক পরিষদ গঠিত বৃষ্টি ছাড়াই বজ্রপাত, ঠাকুরগাঁওয়ে গরুর মৃত্যু মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয়কারী আটক গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ার সাবেক পৌর প্রশাসক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ ভোলায় ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক কাউনিয়ার কুর্শায় নারী কৃষকদের উৎপাদিত দেশি হাঁস-মুরগি ও ডিমের হাট উদ্বোধন

এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে সতর্ক থাকবেন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:২০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৯ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে যেভাবে সতর্ক থাকবেন দেশের সব অঞ্চলই বন্ধ রয়েছে নতুন করে বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া। তাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে এখন এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহারে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ কমেছে, অন্যদিকে বেড়েছে জীবনের ঝুঁকি।

এলপিজি কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন-

১. অনুমোদিত ডিলার বা পরিবেশকের কাছ থেকেই এলপিজি সিলিন্ডার কিনুন। ২. অননুমোদিত দোকান থেকে নেওয়া সিলিন্ডার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ৩. ডেলিভারির সময় সিলিন্ডারের সিল ও সেফটি ক্যাপ ঠিক আছে কি না দেখুন। ৪. সিল ভাঙা থাকলে সিলিন্ডার নেবেন না। ৫.সিলিন্ডারের গায়ে লেখা পরীক্ষার মেয়াদ (ডিএফটি) দেখে নিন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে সেই সিলিন্ডার ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। ৬. নতুন সিলিন্ডার লাগানোর সময় জয়েন্টে সাবানের ফেনা লাগিয়ে গ্যাস লিক হচ্ছে কি না পরীক্ষা করুন। ৭. কখনোই আগুন দিয়ে গ্যাস লিক পরীক্ষা করবেন না।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

ব্যাচেলরদের ঘর গোছানোর সহজ কৌশল রান্নার সময় যেসব সতর্কতা জরুরি- ১. রান্নাঘরের জানালা-দরজা খোলা রাখুন, যেন বাতাস চলাচল করতে পারে। ২. চুলার কাছে প্লাস্টিক, কাগজ, কাপড় বা দাহ্য বস্তু রাখবেন না। ৩. রান্না করার সময় চুলা জ্বালিয়ে রেখে বাইরে চলে যাবেন না। ৪. সহজে আগুন ধরে, এমন ঢিলেঢালা পোশাক পরা এড়িয়ে চলুন। ৫. রান্না শেষে রেগুলেটরের নবটি অবশ্যই অফ করুন।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির অশিক্ষিত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত: আসিফ মাহমুদ

এলপিজি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ-
১. দীর্ঘদিন চুলা ব্যবহার না করলে রেগুলেটর খুলে সেফটি ক্যাপ লাগিয়ে রাখুন। ২. সিলিন্ডার সব সময় সোজা অবস্থায় ও খোলা জায়গায় রাখুন। ৩. চুলার পাইপ বা সুরক্ষা টিউব প্রতিবছর বদলানো ভালো অভ্যাস। ৪. সব সময় আইএসআই বা মানসম্পন্ন পাইপ, রেগুলেটর ও চুলা ব্যবহার করুন। ৫. সিলিন্ডার বা যন্ত্রাংশে নিজে কোনো ধরনের কাটাছেঁড়া বা মেরামতের চেষ্টা করবেন না।

জরুরি পরিস্থিতিতে কী করবেন
যদি গ্যাসের গন্ধ পান বা লিক সন্দেহ হয় দ্রুত রেগুলেটর ও চুলার নব বন্ধ করুন। ভয় না পেয়ে সব দরজা-জানালা খুলে দিন, যেন বাতাস ঢোকে। ঘরের সব আগুন, মোমবাতি, কয়েল, আগরবাতি, ধূপ, চুলা নিভিয়ে ফেলুন। বিদ্যুতের সুইচ, ফ্যান, লাইট বা কোনো যন্ত্র স্পর্শ করবেন না। সম্ভব হলে বাইরে থেকে মেইন সুইচ বন্ধ করুন। ডিস্ট্রিবিউটর বা জরুরি সেবায় দ্রুত যোগাযোগ করুন। মনে রাখবেন, এলপিজি বাতাসের চেয়ে ভারী, তাই এটি নিচে জমে থাকে। ভালোভাবে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ, পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা

শেষ কথা
এলপিজি আমাদের জীবন সহজ করেছে, রান্নাবান্না করেছে দ্রুত। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি অবহেলা করলে সেই সুবিধাই বিপদ ডেকে আনতে পারে। সামান্য সচেতনতা, কয়েকটি সহজ অভ্যাস আর নিয়মিত তদারকিই পারে আপনার পরিবারকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে।

 

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাহালুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু

এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে সতর্ক থাকবেন

আপডেটের সময়: ০৬:২০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে যেভাবে সতর্ক থাকবেন দেশের সব অঞ্চলই বন্ধ রয়েছে নতুন করে বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া। তাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে এখন এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহারে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ কমেছে, অন্যদিকে বেড়েছে জীবনের ঝুঁকি।

এলপিজি কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন-

১. অনুমোদিত ডিলার বা পরিবেশকের কাছ থেকেই এলপিজি সিলিন্ডার কিনুন। ২. অননুমোদিত দোকান থেকে নেওয়া সিলিন্ডার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ৩. ডেলিভারির সময় সিলিন্ডারের সিল ও সেফটি ক্যাপ ঠিক আছে কি না দেখুন। ৪. সিল ভাঙা থাকলে সিলিন্ডার নেবেন না। ৫.সিলিন্ডারের গায়ে লেখা পরীক্ষার মেয়াদ (ডিএফটি) দেখে নিন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে সেই সিলিন্ডার ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। ৬. নতুন সিলিন্ডার লাগানোর সময় জয়েন্টে সাবানের ফেনা লাগিয়ে গ্যাস লিক হচ্ছে কি না পরীক্ষা করুন। ৭. কখনোই আগুন দিয়ে গ্যাস লিক পরীক্ষা করবেন না।

আরও পড়ুনঃ  বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ টানতে রোড শো করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ব্যাচেলরদের ঘর গোছানোর সহজ কৌশল রান্নার সময় যেসব সতর্কতা জরুরি- ১. রান্নাঘরের জানালা-দরজা খোলা রাখুন, যেন বাতাস চলাচল করতে পারে। ২. চুলার কাছে প্লাস্টিক, কাগজ, কাপড় বা দাহ্য বস্তু রাখবেন না। ৩. রান্না করার সময় চুলা জ্বালিয়ে রেখে বাইরে চলে যাবেন না। ৪. সহজে আগুন ধরে, এমন ঢিলেঢালা পোশাক পরা এড়িয়ে চলুন। ৫. রান্না শেষে রেগুলেটরের নবটি অবশ্যই অফ করুন।

আরও পড়ুনঃ  নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

এলপিজি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ-
১. দীর্ঘদিন চুলা ব্যবহার না করলে রেগুলেটর খুলে সেফটি ক্যাপ লাগিয়ে রাখুন। ২. সিলিন্ডার সব সময় সোজা অবস্থায় ও খোলা জায়গায় রাখুন। ৩. চুলার পাইপ বা সুরক্ষা টিউব প্রতিবছর বদলানো ভালো অভ্যাস। ৪. সব সময় আইএসআই বা মানসম্পন্ন পাইপ, রেগুলেটর ও চুলা ব্যবহার করুন। ৫. সিলিন্ডার বা যন্ত্রাংশে নিজে কোনো ধরনের কাটাছেঁড়া বা মেরামতের চেষ্টা করবেন না।

জরুরি পরিস্থিতিতে কী করবেন
যদি গ্যাসের গন্ধ পান বা লিক সন্দেহ হয় দ্রুত রেগুলেটর ও চুলার নব বন্ধ করুন। ভয় না পেয়ে সব দরজা-জানালা খুলে দিন, যেন বাতাস ঢোকে। ঘরের সব আগুন, মোমবাতি, কয়েল, আগরবাতি, ধূপ, চুলা নিভিয়ে ফেলুন। বিদ্যুতের সুইচ, ফ্যান, লাইট বা কোনো যন্ত্র স্পর্শ করবেন না। সম্ভব হলে বাইরে থেকে মেইন সুইচ বন্ধ করুন। ডিস্ট্রিবিউটর বা জরুরি সেবায় দ্রুত যোগাযোগ করুন। মনে রাখবেন, এলপিজি বাতাসের চেয়ে ভারী, তাই এটি নিচে জমে থাকে। ভালোভাবে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

শেষ কথা
এলপিজি আমাদের জীবন সহজ করেছে, রান্নাবান্না করেছে দ্রুত। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি অবহেলা করলে সেই সুবিধাই বিপদ ডেকে আনতে পারে। সামান্য সচেতনতা, কয়েকটি সহজ অভ্যাস আর নিয়মিত তদারকিই পারে আপনার পরিবারকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে।