Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাউনিয়ায় দুই ছেলের মারামারি দেখে বাবার মৃত্যু চিলমারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ধুনটে যৌথ মোবাইল কোর্ট অভিযান মাদকসহ গ্রেফতার ও নিষিদ্ধ জাল ধ্বংস নাটোর লালপুরে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত একাধিক শরণখোলায় স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে সরগরম মাঠ, বদলাচ্ছে প্রার্থী সমীকরণ নাটোর বরাইগ্রামে বশিক্ষার্থীদের পরিশ্রমী, সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে: নাটোরের জেলা প্রশাসক সাঘাটা কচুয়া হিন্দুপাড়ার শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাস সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জনকল্যাণে ৫৭ বিজিবি চট্টগ্রামে ট্যাঙ্ক মহড়ায় বিস্ফোরণ: সামরিক মর্যাদায় রাজশাহীতে মা-র পাশে শায়িত সেনাসদস্য রিফাত শতবর্ষী বানেছার সঙ্গী এখন ক্ষুধা আর একাকীত্ব

সাঘাটা কচুয়া হিন্দুপাড়ার শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাস

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪০ সময় দেখুন

মোঃ রাসেল মিয়া গাইবান্ধা: গাইবান্ধা জেলা সাঘাটা উপজেলার ৫ নং কচুয়া ইউনিয়ন, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণে বাঙালি নদীর তীরে, এখানে বহু বছর ধরে বাস করে কায়স্থ, নমশুদ্র, ও নরসুন্দর। বহু বছর আগে এই ছোট গ্রামে অনুষ্ঠিত হতো শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজা। তবে বাংলাদেশ স্বাধীনের পূর্বেই কোনো এক অজানা কারণে সেই পূজা বন্ধ হয়ে যায়। সময়ের প্রবাহে পূজার আয়োজন হারিয়ে গেলেও তার স্মৃতি কিছু প্রবীণ মানুষের হৃদয়ে বেঁচে ছিল। ২০০২ সালে একদিন গুজব রটেছিল যে, পৃথিবী ধংস হবে, এমন গুজব জাতির জন্য সত্যিই বিভ্রান্তিকর। তাই গ্রামের সাধারণ মানুষ সকলেই পরিবারের সাথে একত্রিত ছিলেন। সে দিন হিন্দু পাড়াতেও ছিলো একই চিত্র, এবং বাড়ির উঠানে বসে ছোট বড় সবাই বিভিন্ন রকম গল্প গুজব করছিলো। গল্পের মাঝেই শ্রী নিখিল কুমার দাস এর মনে একটি প্রশ্ন জাগে, সে তার বাবাকে বলে আচ্ছা বাবা আমাদের পাড়ায় কি কখনো বড় কোনো পূজাপার্বণ হয়েছিল? নিখিলের বাবার নাম জিতু রাম দাস, তিনি বলেন হ্যা, এই গ্রামে এক সময় জগদ্ধাত্রী পূজা অনুষ্ঠিত হতো কিন্তু পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। বাবার মুখে এই কথা শুনার পর নিখিলের মনে নতুন এক ভাবনার জন্ম দেয়, এবং সে সিদ্ধান্ত নেয় যদি কোনো এক সময় এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, তবে সেটিকে আবারও প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা উচিত।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

 

এরপর সে পাড়ার গুরুত্বপূর্ণ ও প্রবীন ব্যক্তি, শ্রী টুনু চন্দ্র শীল ও শ্রী বাদল চন্দ্র শীল তারা ছিলেন দুই ভাই বর্তমানে পাড়ার হিন্দু সমাজের প্রধান তাদের সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পূজার বিষয়ে আলোচনা করেন। শ্রী টুনু চন্দ্র শীল এবং ছোট ভাই শ্রী বাদল চন্দ্র শীল অতীতের পূজার কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, বহুদিন পর মনে পরে গেল সেই পূজোর কথা রে ভাই! নিখিল বলে দাদু, এতো অল্প খরচে এতো সুন্দর মা জগদ্ধাত্রীর পূজা করা যায়, আসুননা আমরা আবার নতুন করে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করি। টুনু চন্দ্র এবং বাদল চন্দ্র উৎসাহ দিয়ে বলেন ঠিক আছে তোমরা ছেলেপেলে প্রস্তুতি নেও আমরাও পাশে থাকবো। এই উৎসাহকে শক্তি করে, শ্রী নিখিল কুমার দাস পূজার পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সে পাড়ার বড় ভাই শ্রী নয়ন চন্দ্র শীল ও শ্রী রতন চন্দ্র শীল, তাদের সাথেও পূর্বের হওয়া জগদ্ধাত্রী পূজার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং তারাও একমত পোষন করেন। তারপর সবাই মিলে নিখিল দাস সিদ্ধান্ত করে যে, প্রতিদিন সবার বাড়ি থেকে সঞ্চয় হিসেবে চাল এবং টাকা তুলে জমা করবো। এবং পূজোর আগের দিন পর্যন্ত সেটাই করা হতো। সেই সময় আর্থিক সামর্থ্য ছিল সীমিত, আধুনিক সাজসজ্জার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তাই কোনো রকম স্থানীয় প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে পূজামণ্ডপ নির্মাণ ও সাজসজ্জা করা হয়। সামান্য উপকরণ থাকলেও মানুষের আন্তরিকতা ছিল অসীম। অবশেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০০৩ সালের কার্তিক মাসে শুক্লোপক্ষের তিথিতে কচুয়া হিন্দুপাড়ায় শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজা পুনরায়প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  নাটোরের লালপুরে প্রস্তাবিত সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকা পরিদর্শনে চীনা প্রতিনিধি দল

 

 

এবং শ্রী টুনু চন্দ্র শীল, পূজার প্রথম সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, এবং শ্রী বাদল চন্দ্র শীল কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঐতিহাসিকভাবে এই পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগের সূত্রপাত ঘটে শ্রী নিখিল কুমার দাসের প্রশ্ন ও চিন্তাভাবনার উদ্যোগ থেকে। পরবর্তীকালে তাঁর সঙ্গে গ্রামের প্রবীণ ও তরুণদের সম্মিলিত সহযোগিতা সেই উদ্যোগ বাস্তবে রূপ দেয়। পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর থেকে শ্রী নিখিল কুমার দাস নিয়মিতভাবে পূজার আর্থিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখেছে ও আগামীতেও থাকবে। একই সঙ্গে এই হিন্দু পাড়ার ছোট বড় সকলের শ্রম, দান, ও আন্তরিক সহযোগিতাও এই পূজাকে ধারাবাহিকভাবে টিকিয়ে রেখেছে। আজ কচুয়া হিন্দুপাড়ার জগদ্ধাত্রী পূজা শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ, যার ভিত্তি গড়ে উঠেছিল একজন মানুষের স্বপ্ন এবং একটি সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর। কচুয়া হিন্দুপাড়ার জগদ্ধাত্রী পূজোর পুনঃপ্রতিষ্ঠার অবদানকারী ব্যক্তিবর্গ হলেন। পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগকারী ,শ্রী নিখিল কুমার দাস।,পুনঃপ্রতিষ্ঠিত জগদ্ধাত্রী পূজায় প্রথম সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন,শ্রী টুনু চন্দ্র শীল।, পুনঃপ্রতিষ্ঠিত জগদ্ধাত্রী পূজায় প্রথম কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন,শ্রী বাদল চন্দ্র শীল। পুনঃপ্রতিষ্ঠিত পূজোর প্রস্তুতি ও আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন,শ্রী নয়ন চন্দ্র শীল। পুনঃপ্রতিষ্ঠিত পূজোর জন্য গ্রামের সকলকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন,শ্রী রতন চন্দ্র শীল।

আরও পড়ুনঃ  দেবিদ্বারে ১৩ বছর পর হাজী ময়নালের অবৈধ গ্যাস সংযোগের রহস্য ফাঁস
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাউনিয়ায় দুই ছেলের মারামারি দেখে বাবার মৃত্যু

সাঘাটা কচুয়া হিন্দুপাড়ার শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাস

আপডেটের সময়: ০৭:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ রাসেল মিয়া গাইবান্ধা: গাইবান্ধা জেলা সাঘাটা উপজেলার ৫ নং কচুয়া ইউনিয়ন, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণে বাঙালি নদীর তীরে, এখানে বহু বছর ধরে বাস করে কায়স্থ, নমশুদ্র, ও নরসুন্দর। বহু বছর আগে এই ছোট গ্রামে অনুষ্ঠিত হতো শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজা। তবে বাংলাদেশ স্বাধীনের পূর্বেই কোনো এক অজানা কারণে সেই পূজা বন্ধ হয়ে যায়। সময়ের প্রবাহে পূজার আয়োজন হারিয়ে গেলেও তার স্মৃতি কিছু প্রবীণ মানুষের হৃদয়ে বেঁচে ছিল। ২০০২ সালে একদিন গুজব রটেছিল যে, পৃথিবী ধংস হবে, এমন গুজব জাতির জন্য সত্যিই বিভ্রান্তিকর। তাই গ্রামের সাধারণ মানুষ সকলেই পরিবারের সাথে একত্রিত ছিলেন। সে দিন হিন্দু পাড়াতেও ছিলো একই চিত্র, এবং বাড়ির উঠানে বসে ছোট বড় সবাই বিভিন্ন রকম গল্প গুজব করছিলো। গল্পের মাঝেই শ্রী নিখিল কুমার দাস এর মনে একটি প্রশ্ন জাগে, সে তার বাবাকে বলে আচ্ছা বাবা আমাদের পাড়ায় কি কখনো বড় কোনো পূজাপার্বণ হয়েছিল? নিখিলের বাবার নাম জিতু রাম দাস, তিনি বলেন হ্যা, এই গ্রামে এক সময় জগদ্ধাত্রী পূজা অনুষ্ঠিত হতো কিন্তু পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। বাবার মুখে এই কথা শুনার পর নিখিলের মনে নতুন এক ভাবনার জন্ম দেয়, এবং সে সিদ্ধান্ত নেয় যদি কোনো এক সময় এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, তবে সেটিকে আবারও প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা উচিত।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে ট্যাঙ্ক মহড়ায় বিস্ফোরণ: সামরিক মর্যাদায় রাজশাহীতে মা-র পাশে শায়িত সেনাসদস্য রিফাত

 

এরপর সে পাড়ার গুরুত্বপূর্ণ ও প্রবীন ব্যক্তি, শ্রী টুনু চন্দ্র শীল ও শ্রী বাদল চন্দ্র শীল তারা ছিলেন দুই ভাই বর্তমানে পাড়ার হিন্দু সমাজের প্রধান তাদের সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পূজার বিষয়ে আলোচনা করেন। শ্রী টুনু চন্দ্র শীল এবং ছোট ভাই শ্রী বাদল চন্দ্র শীল অতীতের পূজার কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, বহুদিন পর মনে পরে গেল সেই পূজোর কথা রে ভাই! নিখিল বলে দাদু, এতো অল্প খরচে এতো সুন্দর মা জগদ্ধাত্রীর পূজা করা যায়, আসুননা আমরা আবার নতুন করে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করি। টুনু চন্দ্র এবং বাদল চন্দ্র উৎসাহ দিয়ে বলেন ঠিক আছে তোমরা ছেলেপেলে প্রস্তুতি নেও আমরাও পাশে থাকবো। এই উৎসাহকে শক্তি করে, শ্রী নিখিল কুমার দাস পূজার পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সে পাড়ার বড় ভাই শ্রী নয়ন চন্দ্র শীল ও শ্রী রতন চন্দ্র শীল, তাদের সাথেও পূর্বের হওয়া জগদ্ধাত্রী পূজার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং তারাও একমত পোষন করেন। তারপর সবাই মিলে নিখিল দাস সিদ্ধান্ত করে যে, প্রতিদিন সবার বাড়ি থেকে সঞ্চয় হিসেবে চাল এবং টাকা তুলে জমা করবো। এবং পূজোর আগের দিন পর্যন্ত সেটাই করা হতো। সেই সময় আর্থিক সামর্থ্য ছিল সীমিত, আধুনিক সাজসজ্জার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তাই কোনো রকম স্থানীয় প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে পূজামণ্ডপ নির্মাণ ও সাজসজ্জা করা হয়। সামান্য উপকরণ থাকলেও মানুষের আন্তরিকতা ছিল অসীম। অবশেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০০৩ সালের কার্তিক মাসে শুক্লোপক্ষের তিথিতে কচুয়া হিন্দুপাড়ায় শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী পূজা পুনরায়প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীর কারুশ্রী জুয়েলার্সে চুরি: স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৮

 

 

এবং শ্রী টুনু চন্দ্র শীল, পূজার প্রথম সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, এবং শ্রী বাদল চন্দ্র শীল কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঐতিহাসিকভাবে এই পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগের সূত্রপাত ঘটে শ্রী নিখিল কুমার দাসের প্রশ্ন ও চিন্তাভাবনার উদ্যোগ থেকে। পরবর্তীকালে তাঁর সঙ্গে গ্রামের প্রবীণ ও তরুণদের সম্মিলিত সহযোগিতা সেই উদ্যোগ বাস্তবে রূপ দেয়। পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর থেকে শ্রী নিখিল কুমার দাস নিয়মিতভাবে পূজার আর্থিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখেছে ও আগামীতেও থাকবে। একই সঙ্গে এই হিন্দু পাড়ার ছোট বড় সকলের শ্রম, দান, ও আন্তরিক সহযোগিতাও এই পূজাকে ধারাবাহিকভাবে টিকিয়ে রেখেছে। আজ কচুয়া হিন্দুপাড়ার জগদ্ধাত্রী পূজা শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ, যার ভিত্তি গড়ে উঠেছিল একজন মানুষের স্বপ্ন এবং একটি সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর। কচুয়া হিন্দুপাড়ার জগদ্ধাত্রী পূজোর পুনঃপ্রতিষ্ঠার অবদানকারী ব্যক্তিবর্গ হলেন। পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগকারী ,শ্রী নিখিল কুমার দাস।,পুনঃপ্রতিষ্ঠিত জগদ্ধাত্রী পূজায় প্রথম সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন,শ্রী টুনু চন্দ্র শীল।, পুনঃপ্রতিষ্ঠিত জগদ্ধাত্রী পূজায় প্রথম কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন,শ্রী বাদল চন্দ্র শীল। পুনঃপ্রতিষ্ঠিত পূজোর প্রস্তুতি ও আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন,শ্রী নয়ন চন্দ্র শীল। পুনঃপ্রতিষ্ঠিত পূজোর জন্য গ্রামের সকলকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন,শ্রী রতন চন্দ্র শীল।

আরও পড়ুনঃ  কুলাউড়ায় বিদ্যুৎ চুরি করে চলছিলো অটোরিকশা চার্জিং স্টেশন, বড় অঙ্কের মামলা