Dhaka ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নাটোর জেলা পুলিশ লাইন্সে কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার প্রজননস্থল ধ্বংসে চসিকের অভিযান নাটোর পুলিশ লাইন্সের পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা নাগরপুরে এমপি লাভলু ও তার সহধর্মিনীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় সাঁড়াশি অভিযানে ৩৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার উদ্ধার বিপুল পরিমাণ মাদকের চালান বরিশাল সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স কার্যক্রম এখন অনলাইনে ছাত্রী মেসে র‍্যাব পরিচয়ে জবি ছাত্রীকে গাড়িতে তুলে নেয়ার চেষ্টা সংসদ বাদ দিয়ে লংমার্চের নামে বিরোধীদল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে: রিজভী ৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমাকেও দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৮৭ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমাকেও দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। তখন কারাগারে অনেকে ছিলেন, যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ার কারণে বছরের পর বছর বিনা বিচারে কারাগারে থাকতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ন্যায়বিচার প্রাপ্তি যে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার, সে কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী, যা জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রের সাত অনুচ্ছেদের প্রতিফলন। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, অ্যাকসেস টু জাস্টিস প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার। রাষ্ট্রের কোনো নাগরিক অর্থের অভাবে আইনের আশ্রয় বা ন্যায্যবিচার থেকে বঞ্চিত থাকবে, এটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কাম্য নয়।

আরও পড়ুনঃ  আমাদের কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়: ডা. শফিকুর রহমান

 

ন্যায়বিচার শুধু আদালত বা আইনের বিষয় নয় বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল শক্তি। তারা বিশ্বাস করেন, যে রাষ্ট্রে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নেই, সেই রাষ্ট্র কখনো মানবিক হতে পারে না। দীর্ঘ দেড় দশক পর মানুষ আবার গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। এই যাত্রা সুসংহত করতে রাষ্ট্রে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ন্যায়পরায়ণতা তখনই কার্যকর হয়ে ওঠে, যখন আইন মানুষের ওপর প্রয়োগের হাতিয়ার না হয়ে বরং তাদের মর্যাদা ও অধিকার সংরক্ষণের নৈতিক রূপ নেয় বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ন্যায়বিচারে বিলম্ব মানেই বিচার অস্বীকার বলে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, এই বাস্তবতা মাথায় রেখে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে সরকার মামলা শুরুর আগেই মধ্যস্থতায় বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করেছে। এ ব্যবস্থায় ইতিমধ্যে কয়েক হাজার বিরোধ কম সময়ে ও স্বল্প টাকায় আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক মাস বা বছরের পরিবর্তে স্বল্প সময়ে কয়েক বৈঠকে সমস্যার সমাধান হয়েছে। এতে আদালতের ওপর চাপ কমেছে। সরকারের খরচও কমেছে।

আরও পড়ুনঃ  লংমার্চের সমাবেশ থেকে নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নাটোর জেলা পুলিশ লাইন্সে কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমাকেও দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৭:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমাকেও দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। তখন কারাগারে অনেকে ছিলেন, যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ার কারণে বছরের পর বছর বিনা বিচারে কারাগারে থাকতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ন্যায়বিচার প্রাপ্তি যে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার, সে কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী, যা জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রের সাত অনুচ্ছেদের প্রতিফলন। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, অ্যাকসেস টু জাস্টিস প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার। রাষ্ট্রের কোনো নাগরিক অর্থের অভাবে আইনের আশ্রয় বা ন্যায্যবিচার থেকে বঞ্চিত থাকবে, এটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কাম্য নয়।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জের ‘ফ্যামিলি ব্যবসা এখন বগুড়ায়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

 

ন্যায়বিচার শুধু আদালত বা আইনের বিষয় নয় বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল শক্তি। তারা বিশ্বাস করেন, যে রাষ্ট্রে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নেই, সেই রাষ্ট্র কখনো মানবিক হতে পারে না। দীর্ঘ দেড় দশক পর মানুষ আবার গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। এই যাত্রা সুসংহত করতে রাষ্ট্রে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ন্যায়পরায়ণতা তখনই কার্যকর হয়ে ওঠে, যখন আইন মানুষের ওপর প্রয়োগের হাতিয়ার না হয়ে বরং তাদের মর্যাদা ও অধিকার সংরক্ষণের নৈতিক রূপ নেয় বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ন্যায়বিচারে বিলম্ব মানেই বিচার অস্বীকার বলে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, এই বাস্তবতা মাথায় রেখে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে সরকার মামলা শুরুর আগেই মধ্যস্থতায় বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করেছে। এ ব্যবস্থায় ইতিমধ্যে কয়েক হাজার বিরোধ কম সময়ে ও স্বল্প টাকায় আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক মাস বা বছরের পরিবর্তে স্বল্প সময়ে কয়েক বৈঠকে সমস্যার সমাধান হয়েছে। এতে আদালতের ওপর চাপ কমেছে। সরকারের খরচও কমেছে।

আরও পড়ুনঃ  মানুষ বলছে আর কখনো বিএনপিকে ভোট দেব না: অলি আহমদ