Dhaka ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তোড়িয়া বারোঘাটিতে নসিমন (ভটভটি) ধাক্কায় মৃত্যু ধুনটে ব্রাদার উইলিয়ামের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত শার্শায় পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ দক্ষিণ গফরগাঁও কান্দিপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ভৈরবে আকবরনগর-মিরারচর সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলার তদন্ত পিবিআই’র হাতে ভাঙ্গুড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারি, আহত ২ ধামরাইয়ে মসজিদের ইমামদের সড়ক নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ধুনটে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত উলিপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

আমাদের কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়: ডা. শফিকুর রহমান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮২ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লংমার্চ কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়, বরং ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে যে সমাজটা আমরা চেয়েছিলাম—তার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ৪৬তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের সংবর্ধনা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ক্রীড়া, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জন করে দেশে ফেরেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। অথচ কুরআনের হাফেজরা বারবার বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করলেও এখনো তাদের নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। গতকাল সংসদে সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ এ দাবি তুলেছেন। সংবর্ধনা দেয়া শুধু শেষ কথা নয়; তাদের আরও সম্মান করার যেসব সুযোগ রয়েছে, সেগুলোও দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  সব ধর্মের নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: রিজভী

তিনি ঘোষণা দেন, এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের সবাইকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম জায়গা বায়তুল হারামে এই হাফেজদের কারণে বাংলাদেশের পতাকা দেখা গিয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে জামায়াত আমীর বলেন, ‘বাংলাদেশে নৈতিক শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে কেউ অভিযোগ করতে পারেননি যে, মাদ্রাসার ছাত্ররা মাদক সেবন করেছে। এ দেশের প্রতিটি নাগরিক কর প্রদান করেন। আমরা চাই, মাদ্রাসাগুলোও সরকারের কাছ থেকে তাদের ন্যায্য পাওনা পাক। সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আশা করছি, সরকার তাদের সম্মান প্রদর্শন করবে। সরকার যদি বিষয়টি উপেক্ষা করে, তাহলে তারা একটি সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। বিজয়ী হাফেজদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আজ যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা কারও কাছ থেকে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য এসব করেননি। তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরআন হিফজ ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে ইশরাককে অস্ত্র হাতে নামতে হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তোড়িয়া বারোঘাটিতে নসিমন (ভটভটি) ধাক্কায় মৃত্যু

আমাদের কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেটের সময়: ০৩:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লংমার্চ কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়, বরং ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে যে সমাজটা আমরা চেয়েছিলাম—তার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ৪৬তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের সংবর্ধনা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ক্রীড়া, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জন করে দেশে ফেরেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। অথচ কুরআনের হাফেজরা বারবার বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করলেও এখনো তাদের নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। গতকাল সংসদে সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ এ দাবি তুলেছেন। সংবর্ধনা দেয়া শুধু শেষ কথা নয়; তাদের আরও সম্মান করার যেসব সুযোগ রয়েছে, সেগুলোও দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ার উন্নয়নে হাজার কোটি টাকার একাধিক প্রকল্প: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

তিনি ঘোষণা দেন, এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের সবাইকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম জায়গা বায়তুল হারামে এই হাফেজদের কারণে বাংলাদেশের পতাকা দেখা গিয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে জামায়াত আমীর বলেন, ‘বাংলাদেশে নৈতিক শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে কেউ অভিযোগ করতে পারেননি যে, মাদ্রাসার ছাত্ররা মাদক সেবন করেছে। এ দেশের প্রতিটি নাগরিক কর প্রদান করেন। আমরা চাই, মাদ্রাসাগুলোও সরকারের কাছ থেকে তাদের ন্যায্য পাওনা পাক। সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আশা করছি, সরকার তাদের সম্মান প্রদর্শন করবে। সরকার যদি বিষয়টি উপেক্ষা করে, তাহলে তারা একটি সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। বিজয়ী হাফেজদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আজ যারা বিজয়ী হয়েছেন, তারা কারও কাছ থেকে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য এসব করেননি। তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরআন হিফজ ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে ইশরাককে অস্ত্র হাতে নামতে হয়েছে