
নাজমুল ফয়েজ টুটুল, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে নিখোঁজের ৩০ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি ১৮ বছর বয়সী তরুণ কৃষক আরিফ মিয়া সালমানের। গত ১৮ মে থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে সালমানের পরিবার আকুতি জানান, যদি তাঁকে হত্যাও করা হয়ে থাকে, অন্তত লাশটা খুঁজে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিন। বন্ধুর শান্তর ওপর পরিবারের সন্দেহ, উদ্ধার কাদা মাখা মোবাইল পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে সন্ধ্যায় বন্ধু শান্ত মিয়া ঘোরার কথা বলে সালমানকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। এরপর থেকেই সালমানের মোবাইল বন্ধ এবং তিনি নিখোঁজ। এর দুদিন পর হোসেনপুর বাজারের একটি দোকানে সালমানের কাদা মাখা ও ডিসপ্লে ভাঙা মোবাইলটি পাওয়া যায়। স্থানীয়দের চাপে দোকান মালিক স্বীকার করেন, তিনি মোবাইলটি শান্তর কাছ থেকে কিনেছেন। সালমানের স্ত্রী সাথী আক্তারের অভিযোগ, মাসখানেক আগে খেলাধুলা নিয়ে শান্তর সাথে সালমানের বিরোধ হয়েছিল।
এই নিখোঁজের পেছনে শান্তর হাত রয়েছে বলে পরিবারের তীব্র সন্দেহ। পুলিশ যা বলছে তবে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, সালমান নিজেই তাঁর মোবাইলটি বিক্রি করেছিলেন এবং দোকানদারকে পাসওয়ার্ডও দিয়ে যান। তারপরও বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এদিকে এক মাস ধরে কোনো হদিস না মেলায় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত ও রহস্য উদঘাটনের জোর দাবি জানিয়েছে নিখোঁজ সালমানের পরিবার ও এলাকাবাসী।
প্রতিবেদকের নাম 


















