Dhaka ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাউনিয়ার হারাগাছ ইউনিয়ন ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সভা ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ রুটে ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ঈদগাঁও বাজারে অটোরিকশার দৌরাত্ম্য: ডিসি সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে দুর্গমতার সুযোগে চকরিয়ার বমু বিলছড়িতে কোটি টাকার সড়কে ‘পুকুরচুরি বালিয়াডাঙ্গীতে নিজ ঘর থেকে গৃহকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শিবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শুরু মানব পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: ডিসি ফরিদা খানম রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার দুদিনেও হয়নি মামলা মাদারগঞ্জে সমবায় সমিতির_ আমানতের টাকা ফেরত পেতে, ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম মোংলায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত-৮

মানব পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: ডিসি ফরিদা খানম

কাজী আন্নিল তানভীর, স্টাফ রিপোর্ট

ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম বলেছেন, মানব পাচার শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ রূপ এবং সমাজের নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য একটি গুরুতর হুমকি।

তিনি বলেন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সোমবার (১৫ জুন) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ের কর্মশালা’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ  বাকলিয়ার রসুলবাগ দুর্ঘটনার ঝুঁকি, যান চলাচল বন্ধ করল চসিক!!

ফরিদা খানম বলেন, উন্নত জীবনের আশায় অনেক মানুষ দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশ গমনের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে সমুদ্রপথে অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে অনেকেই জীবন হারাচ্ছেন, নিখোঁজ হচ্ছেন কিংবা বিদেশে গিয়ে শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও বৈধ অভিবাসন মানুষের অধিকার হলেও অবৈধ অভিবাসন মানুষকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়। তাই মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালার উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত

তিনি আরও বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধ কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতা এবং গণমাধ্যমসহ সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং দালাল চক্রের অপতৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই

মিজ ফরিদা খানম বলেন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার বিভিন্ন আইন, নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে এসব উদ্যোগের কার্যকর বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ে আরও সমন্বিত কার্যক্রম, তথ্য বিনিময় এবং জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ মানব পাচার প্রতিরোধে কার্যকর করণীয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাউনিয়ার হারাগাছ ইউনিয়ন ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সভা

মানব পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: ডিসি ফরিদা খানম

আপডেটের সময়: ০৪:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

কাজী আন্নিল তানভীর, স্টাফ রিপোর্ট

ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম বলেছেন, মানব পাচার শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ রূপ এবং সমাজের নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য একটি গুরুতর হুমকি।

তিনি বলেন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সোমবার (১৫ জুন) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ের কর্মশালা’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদা খানম বলেন, উন্নত জীবনের আশায় অনেক মানুষ দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশ গমনের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে সমুদ্রপথে অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে অনেকেই জীবন হারাচ্ছেন, নিখোঁজ হচ্ছেন কিংবা বিদেশে গিয়ে শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও বৈধ অভিবাসন মানুষের অধিকার হলেও অবৈধ অভিবাসন মানুষকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়। তাই মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  নাচেলে বিজ্ঞান উদ্ভাবনী সেমিনার ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন

তিনি আরও বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধ কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতা এবং গণমাধ্যমসহ সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং দালাল চক্রের অপতৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  জনরায় মানে না যে সরকার, সে সরকার জনগণের সরকার হতে পারে না

মিজ ফরিদা খানম বলেন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার বিভিন্ন আইন, নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে এসব উদ্যোগের কার্যকর বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ে আরও সমন্বিত কার্যক্রম, তথ্য বিনিময় এবং জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ মানব পাচার প্রতিরোধে কার্যকর করণীয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।