Dhaka ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাজ না করেই সাড়ে ৬ কোটি টাকার বিল! লোডশেডিংয়ে বাড়ছে জেনারেটর ব্যবহার বাড়ছে খরচের বোঝাও ভোলাতে গড়ে তোলা হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা: প্রধানমন্ত্রী নাচোলে শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক ও সুধী সমাবেশে অনুষ্ঠিত সুন্দরবনের পর্যটন স্পটে তিন দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষ। ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেতে অনেক বেশি মূল্য দিয়েছি: রাষ্ট্রপতি হিলি কাস্টমসে দেড় টন মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস তাহিরপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে কয়লা আনতে ভারতে গিয়ে বাংলাদেশী যুবকের মৃত্যু দুর্নীতির অভিযোগ এনে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে মানহানি করা হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ আ.লীগের সঙ্গে বিএনপিকে তুলনা করতে চাই না: সারজিস

নকশায় বিচ্যুতি ও অনুমোদনহীন নির্মাণ: কুমিল্লায় আরও ৩ ভবনের কাজ বন্ধ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:৩১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪ সময় দেখুন

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা প্রতিনিধি:

​নকশা অনুমোদন না থাকা ও নকশা বহির্ভূত নির্মাণের অভিযোগে কুমিল্লা নগরে আরও তিনটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কুউক)। ​মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) দিনভর নগরজুড়ে চালানো এক বিশেষ অভিযানে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ নিয়ে সংস্থাটির সাম্প্রতিক অভিযানে নগরে মোট সাতটি ভবনের নির্মাণকাজ স্থগিত করা হলো। ​অভিযান পরিচালনাকালে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু। ​কাজ বন্ধ করে দেওয়া নতুন ভবন তিনটি হলো, বাদুরতলা ডাক্তারপাড়া এলাকার সিলভার টাওয়ার, একতা টাওয়ার এবং মাসুম টাওয়ার। ​কুউক সূত্রে জানা গেছে, ভবনগুলোর নির্মাণকাজে অনুমোদিত নকশার সঙ্গে স্পষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছাড়পত্র ও প্ল্যান পাস না করেই ভবন নির্মাণের কাজ চালানো হচ্ছিল। নগর উন্নয়ন আইনের এসব চরম লঙ্ঘনের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় কাজ বন্ধের লাল নোটিশ দেওয়া হয়। ​এর আগে প্রথম দফায় ট্রমা হাসপাতালের বিপরীতে মজিবুর রহমান গংয়ের বাণিজ্যিক ভবন ও জামান-জাহানারা প্যালেস এবং কান্দিরপাড় এলাকার সিলভার আলী ম্যানশন ও কাজী টাওয়ারের নির্মাণকাজ একইভাবে বন্ধ করা হয়েছিল। ​অভিযান প্রসঙ্গে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু জানান, পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবন নির্মাণে বিধিমালার প্রয়োগ কঠোর করা হয়েছে। অনুমোদিত নকশা না মেনে বা অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অনিয়ম পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে সব ভবনের বিরুদ্ধেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ​নগরের পরিকল্পিত বিকাশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি ও তড়িৎ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার পরিচালিত এ অভিযানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ভালোবেসে বিয়ে দেড় বছর পরে গৃহবধূর আত্মহত্যা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাজ না করেই সাড়ে ৬ কোটি টাকার বিল!

নকশায় বিচ্যুতি ও অনুমোদনহীন নির্মাণ: কুমিল্লায় আরও ৩ ভবনের কাজ বন্ধ

আপডেটের সময়: ০৪:৩১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা প্রতিনিধি:

​নকশা অনুমোদন না থাকা ও নকশা বহির্ভূত নির্মাণের অভিযোগে কুমিল্লা নগরে আরও তিনটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কুউক)। ​মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) দিনভর নগরজুড়ে চালানো এক বিশেষ অভিযানে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ নিয়ে সংস্থাটির সাম্প্রতিক অভিযানে নগরে মোট সাতটি ভবনের নির্মাণকাজ স্থগিত করা হলো। ​অভিযান পরিচালনাকালে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু। ​কাজ বন্ধ করে দেওয়া নতুন ভবন তিনটি হলো, বাদুরতলা ডাক্তারপাড়া এলাকার সিলভার টাওয়ার, একতা টাওয়ার এবং মাসুম টাওয়ার। ​কুউক সূত্রে জানা গেছে, ভবনগুলোর নির্মাণকাজে অনুমোদিত নকশার সঙ্গে স্পষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছাড়পত্র ও প্ল্যান পাস না করেই ভবন নির্মাণের কাজ চালানো হচ্ছিল। নগর উন্নয়ন আইনের এসব চরম লঙ্ঘনের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় কাজ বন্ধের লাল নোটিশ দেওয়া হয়। ​এর আগে প্রথম দফায় ট্রমা হাসপাতালের বিপরীতে মজিবুর রহমান গংয়ের বাণিজ্যিক ভবন ও জামান-জাহানারা প্যালেস এবং কান্দিরপাড় এলাকার সিলভার আলী ম্যানশন ও কাজী টাওয়ারের নির্মাণকাজ একইভাবে বন্ধ করা হয়েছিল। ​অভিযান প্রসঙ্গে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু জানান, পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবন নির্মাণে বিধিমালার প্রয়োগ কঠোর করা হয়েছে। অনুমোদিত নকশা না মেনে বা অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অনিয়ম পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে সব ভবনের বিরুদ্ধেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ​নগরের পরিকল্পিত বিকাশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি ও তড়িৎ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার পরিচালিত এ অভিযানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিশেষ বোনাস প্রদান