Dhaka ০৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সরকারি গাছ কেটে কাঠের সাঁকো নির্মাণ? সাঘাটায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রশ্ন হোসেনপুরে মাসব্যাপী ওরাল কলেরা টিকাদান শুরু বাংলাদেশের ক্রান্তিলগ্নে তারেক রহমান হাল ধরেছেন: মঈন খান মানিকগঞ্জে আখের ঐতিহ্য সংকটে সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা দ্রুত উদ্যোগ নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘শক্তিশালী অবস্থানে’ থেকে যুদ্ধ শেষ করতে চান ইরানের প্রেসিডেন্ট কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ বিপ্লবী ছাত্রনেতা থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী শৌচাগার শুধু দেওয়ালে, টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে: পিআইও-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের কল্যাণের রাজনীতি: মোকামতলায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

কেরানীগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনদুর্ভোগ: শুভাঢ্যা ও জিনজিরা অফিসের সমন্বয়হীনতা

​নিজস্ব প্রতিবেদক, কেরানীগঞ্জ

​কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন বেগুনবাড়ি ও গোলামবাজার এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। আজ ২২ আগস্ট, শনিবার সকাল ১১টার দিকে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হুট করে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর তারা শুভাঢ্যা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দেওয়া বিভিন্ন নম্বরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। শুরুতে অফিসের দায়িত্বশীলরা জিনজিরা পাওয়ার হাউসে সামান্য ত্রুটি হয়েছে জানিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ চলে আসবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ না আসায় গ্রাহকরা পুনরায় ফোন করলে পরিস্থিতি ভিন্নরূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, এরপর বারবার ফোন করা হলেও তা রিসিভ করা হয়নি। অনেক কষ্টে সংযোগ পেলে একেকবার একেক রকম অজুহাত দেওয়া হয়।
​মুঠোফোনে যোগাযোগ করা এক গ্রাহক জানান, বিদ্যুৎ অফিসের লোকজনকে বলতে শোনা যায় জিনজিরা পাওয়ার হাউসের সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ঘণ্টা লাগবে। অথচ আগে থেকে মাইকিং করে বা কোনো ধরনের ঘোষণা দিয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়নি। এমনকি এই সমস্যার দায় নিতে নারাজ দুই অফিস; শুভাঢ্যা অফিস সব দোষ জিনজিরা পাওয়ার হাউসের ওপর চাপাচ্ছে, আর জিনজিরা অফিস বলছে তারা এ বিষয়ে কিছু করতে পারবে না।
​দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় গোসলসহ দৈনন্দিন কাজে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। দুই দপ্তরের এমন উদাসীনতা ও দায়সারা আচরণে চরম ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
​এলাকাবাসী ও গ্রাহকরা এই দায়িত্বহীনতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ অফিসগুলোর এমন সমন্বয়হীনতা খতিয়ে দেখতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
​প্রতিবেদনটিতে আপনার মুঠোফোনে কথা বলার বিষয়টি সঠিকভাবে সংশোধন করা হয়েছে। এটি এখন আরও নিখুঁত ও পেশাদার রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় সড়ক পারাপারের সময় ট্রাকের ধাক্কায় বিজিবি সদস্য নিহত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সরকারি গাছ কেটে কাঠের সাঁকো নির্মাণ? সাঘাটায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রশ্ন

কেরানীগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনদুর্ভোগ: শুভাঢ্যা ও জিনজিরা অফিসের সমন্বয়হীনতা

আপডেটের সময়: ০২:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

​নিজস্ব প্রতিবেদক, কেরানীগঞ্জ

​কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন বেগুনবাড়ি ও গোলামবাজার এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। আজ ২২ আগস্ট, শনিবার সকাল ১১টার দিকে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হুট করে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর তারা শুভাঢ্যা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দেওয়া বিভিন্ন নম্বরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। শুরুতে অফিসের দায়িত্বশীলরা জিনজিরা পাওয়ার হাউসে সামান্য ত্রুটি হয়েছে জানিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ চলে আসবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ না আসায় গ্রাহকরা পুনরায় ফোন করলে পরিস্থিতি ভিন্নরূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, এরপর বারবার ফোন করা হলেও তা রিসিভ করা হয়নি। অনেক কষ্টে সংযোগ পেলে একেকবার একেক রকম অজুহাত দেওয়া হয়।
​মুঠোফোনে যোগাযোগ করা এক গ্রাহক জানান, বিদ্যুৎ অফিসের লোকজনকে বলতে শোনা যায় জিনজিরা পাওয়ার হাউসের সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ঘণ্টা লাগবে। অথচ আগে থেকে মাইকিং করে বা কোনো ধরনের ঘোষণা দিয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়নি। এমনকি এই সমস্যার দায় নিতে নারাজ দুই অফিস; শুভাঢ্যা অফিস সব দোষ জিনজিরা পাওয়ার হাউসের ওপর চাপাচ্ছে, আর জিনজিরা অফিস বলছে তারা এ বিষয়ে কিছু করতে পারবে না।
​দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় গোসলসহ দৈনন্দিন কাজে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। দুই দপ্তরের এমন উদাসীনতা ও দায়সারা আচরণে চরম ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
​এলাকাবাসী ও গ্রাহকরা এই দায়িত্বহীনতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ অফিসগুলোর এমন সমন্বয়হীনতা খতিয়ে দেখতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
​প্রতিবেদনটিতে আপনার মুঠোফোনে কথা বলার বিষয়টি সঠিকভাবে সংশোধন করা হয়েছে। এটি এখন আরও নিখুঁত ও পেশাদার রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ,তীব্র যানজট