
মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: পার্বত্য চট্টগ্রামের সংরক্ষিত নারী আসনের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে এমপি পদে অ্যাডভোকেট মাধবী মারমার মনোনয়ন ঘিরে সৃষ্ট আইনি জটিলতা। মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক আপিল করেছেন চন্দ্র চাকমা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুধু একটি প্রার্থিতা নয়, বরং দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, অভ্যন্তরীণ সমন্বয় এবং সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে এই আপিল করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রীদের বঞ্চনার অভিযোগ যে নীরবে জমা হচ্ছিল, এই আপিল সেই ক্ষোভকে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ফলে বিষয়টি এখন কেবল আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা রূপ নিয়েছে একটি বড় রাজনৈতিক বিতর্কে।
এদিকে, মাধবী মারমার মনোনয়নকে ঘিরে আগে থেকেই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও সমালোচনা ছিল। জেলা পরিষদের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মনোনয়ন গ্রহণসহ একাধিক ইস্যুতে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। এর মধ্যেই চন্দ্র চাকমার আপিল নতুন করে সেই বিতর্ককে উসকে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আপিলের ফলাফল পার্বত্য রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এটি একদিকে যেমন সংরক্ষিত নারী আসনের ভবিষ্যৎ প্রার্থিতা নির্ধারণে নজির স্থাপন করতে পারে, অন্যদিকে দলীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে পারে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছে রাজনৈতিক মহল, যেখানে নির্ধারিত হবে—এই আইনি লড়াই কেবল একটি মনোনয়ন বাতিলের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের সূচনা হয়ে উঠবে।
প্রতিবেদকের নাম 



















