Dhaka ০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ফটিকছড়িতে ইয়াবাসহ ২ মাদকসেবী আটক: মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড ধুনটে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘মানাস মিডিয়া’র ১ম বর্ষপূর্তি পালিত পত্নীতলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ আটক ১ শিশু শিক্ষার্থী মরিয়ম হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল মাদারগঞ্জ, জামিনুর ও তার স্ত্রীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন পল্লী সবুজায়ন কর্মসূচি উপলক্ষে বৃক্ষরোপন, চারা বিতরন ও ঋন উদ্যোগতাদের মাঝে চেক বিতরন চট্টগ্রামের মেখল মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা উসমান ফয়েজী আর নেই গণতন্ত্রের সিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ নিরাপদ খাদ্য গড়ে তুলতে পারে সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম: খাদ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাদের-নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে পলাতক থাকা সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চার আসামি যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এ মামলার সব আসামি শুরু থেকেই পলাতক। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে পলাতক থাকা সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচারকাজ। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৪ আগস্ট প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে চলে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চায় প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)।

তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ— আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফটিকছড়িতে ইয়াবাসহ ২ মাদকসেবী আটক: মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড

কাদের-নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেটের সময়: ০৩:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে পলাতক থাকা সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চার আসামি যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এ মামলার সব আসামি শুরু থেকেই পলাতক। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে পলাতক থাকা সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচারকাজ। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৪ আগস্ট প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে চলে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চায় প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)।

তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ— আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।