
মোঃ সৈয়দ মিয়া:চট্টগ্রাম ব্যুরো
টানা ১৩২ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ বাড়লেও চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট প্রকট হয়ে ওঠেছে। স্বাভাবিক নিয়মে দর্ভোগ বেড়েছে নাগরিকদের। শুধু তাই নয় কল-কারখানা উৎপাদনও কমে গেছে। ফলে কপালে ভাঁজ সব পেশা-শ্রেণির মানুষের।
এদিকে আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে এলএনজি সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় সাময়িক স্বস্তি মিললেও সকাল ৯টার পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। ফলে সিএনজি স্টেশন সহ বাসা-বাড়ি অনেক স্থাপনায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-কেজিডিসিএল এর কর্মকর্তা জানান, আজ ভোরে সামিটের টার্মিনাল এবং এক্সিলারেট থেকে ১৩২ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ বেড়েছে। তবে তা চাহিদার তুলনায় তা অনেক কম। ফলে সংকট রয়ে গেছে। ভাসমান টার্মিনাল থেকে চাহিদামতো সরবরাহ না পেলে পরিস্থিতি এমন থাকবে বলেছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-কেজিডিসিএল।
শুধু আমদানিকৃত এলএনজিনির্ভর হওয়ায় চট্টগ্রামে বিকল্প কোনো উৎস থেকেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে শুধু সিএনজি স্টেশন, শিল্পকারখানা, ক্যাপটিভ পাওয়ারই সংকটে পড়েনি, একইসাথে বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ির চুলার আগুনও নিভে গেছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস না থাকায় অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন।
গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যায়। এতে গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়, বেড়ে যায় সংকট। রান্নার চুলা থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা ও বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমায় বেড়ে যায় লোডশেডিং। যানবাহনেও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও যানবাহন পেতে দীর্ঘ সারি পড়ে যায় ফিলিং স্টেশনে
প্রতিবেদকের নাম 



















