
মোঃ সুজা মিয়া, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।
মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরেই গাইবান্ধা জেলায় নেমে আসে এক ভিন্ন আবহ। লাল-সবুজের পতাকার রঙে রাঙা চারপাশ, আর তার মাঝেই গাইবান্ধা জেলা পরিষদের আয়োজনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এক হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন।
সকালের নরম আলো ফুটতেই জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হন জেলা পরিষদের প্রশাসক, সদস্যবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গম্ভীর ও আবেগঘন পরিবেশে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা স্মরণ করেন সেই সব বীর সন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই স্বাধীনতা।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সেই নীরবতায় যেন ভেসে ওঠে ১৯৭১-এর ত্যাগ, সংগ্রাম আর অগণিত অজানা গল্প। উপস্থিত সবার চোখেমুখে ছিল শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা আর গভীর অনুভূতির ছাপ।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা শুধু একটি অর্জন নয়—এটি একটি দায়িত্বও। নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা এখন সময়ের দাবি। তারা আরও বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি হয়ে উঠেছিল আত্মপরিচয়, ইতিহাস আর ভালোবাসার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি—যেখানে স্বাধীনতার চেতনা নতুন করে স্পর্শ করেছে প্রতিটি হৃদয়।
প্রতিবেদকের নাম 



















