Dhaka ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মান্দায় ৩৬ জুলাই উপলক্ষে যুব জামায়াতের আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কাউনিয়ার বিশিষ্ট হোমিও চিকিৎসক পরিমল চন্দ্র বর্মন আর নেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু সিরাজগঞ্জে ২৫৫ গ্রাম হেরোইন সহ মাদক  সরবরাহকারী গ্রেফতার গোয়াইনঘাটের শীতের আমেজ হাজারো অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হাওর ও গাছপালা ৫ বছরের মধ্যে ক্ষমতায় যাওয়ার উপযুক্ত হবে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে আমাদের মিছিল বড় হবে: নাহিদ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু ইনানীতে নলকূপ খননের স্থানে গ্যাসের আগুন, ১৪৪ ধারা জারি মরহুমা সুমাইয়া বেগমের স্মরণসভা ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সভা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ সময় দেখুন

মোঃ সোহেল রানা,ঈশ্বরদী উপজলা প্রতিনিধি (পাবনা) পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে পারমাণবিক চুল্লিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নিউক্লিয়ার চেইন রিঅ্যাকশন ও চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে এ উৎপাদন শুরু হয়। এর মধ্য দিয়ে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।।বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুল হাসান পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর আরও একটি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়িয়ে ৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। এ পর্যায়ে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভৌত পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা শেষে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পাওয়ার স্টার্টআপ বা সি-স্টেজের কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয় বায়েরা।

 

এ ধাপের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা শুরু হয়। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদুল হাছান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে বায়েরার কাছ থেকে পাওয়ার স্টার্ট বা সি-স্টেজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এ পর্যায়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা যাচাই করা হয়। শূন্য থেকে উৎপাদন শুরু করে ধীরে ধীরে তা বাড়ানো হবে। উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ শতাংশে পৌঁছালে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সি-স্টেজে পারমাণবিক চুল্লি, শীতলীকরণ ব্যবস্থা, টারবাইন, জেনারেটর, বিদ্যুৎ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। ধাপে ধাপে চুল্লির ক্ষমতা বাড়িয়ে এসব যন্ত্রপাতির নিরাপদ ও স্থিতিশীল কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। সব পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ প্রক্রিয়ায় প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন সৃষ্টি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত ও স্থিতিশীলভাবে তাপশক্তি উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ৭ মাসের পরোয়ানাভুক্ত মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের মূল হোতা ‘মালা ভাবি’ গ্রেপ্তার

 

পরবর্তী ধাপগুলোতে উৎপাদনক্ষমতা বাড়িয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা যাচাই করা হবে। এর আগে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা অনুসরণ করে রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটের ‘বি-১’ পর্যায়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। তবে স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভের পরীক্ষায় জটিলতা দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে ত্রুটি সংশোধন ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন করে বায়েরার অনুমোদন নেওয়া হয়। গত ১১ অক্টোবর প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া বা ক্রিটিক্যালিটি শুরু হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পারমাণবিক চুল্লির ভেতরে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার আচরণ যাচাই এবং উৎপাদনসংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি ধাপে পরীক্ষা করা হয়। রূপপুর প্রকল্পের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শুরুর আগে বায়েরার অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। এদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্যও পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ৫ বছরের মধ্যে ক্ষমতায় যাওয়ার উপযুক্ত হবে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ

 

দ্বিতীয় ইউনিটের ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টরের প্রাথমিক জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য এ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রকল্পটির দ্বিতীয় ইউনিট চালুর প্রস্তুতিও এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। কেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটমের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের মাধ্যমে রূপপুরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট নির্মাণ করা হচ্ছে। দুটি ইউনিট চালু হলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা দাঁড়াবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়াকে বাণিজ্যিক উৎপাদনের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর আগে নির্ধারিত সব পরীক্ষা ও নিরাপত্তা যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদার আহ্বান
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মান্দায় ৩৬ জুলাই উপলক্ষে যুব জামায়াতের আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

আপডেটের সময়: ০৬:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ সোহেল রানা,ঈশ্বরদী উপজলা প্রতিনিধি (পাবনা) পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে পারমাণবিক চুল্লিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নিউক্লিয়ার চেইন রিঅ্যাকশন ও চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে এ উৎপাদন শুরু হয়। এর মধ্য দিয়ে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।।বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুল হাসান পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর আরও একটি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়িয়ে ৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। এ পর্যায়ে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভৌত পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা শেষে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পাওয়ার স্টার্টআপ বা সি-স্টেজের কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয় বায়েরা।

 

এ ধাপের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা শুরু হয়। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদুল হাছান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে বায়েরার কাছ থেকে পাওয়ার স্টার্ট বা সি-স্টেজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এ পর্যায়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা যাচাই করা হয়। শূন্য থেকে উৎপাদন শুরু করে ধীরে ধীরে তা বাড়ানো হবে। উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ শতাংশে পৌঁছালে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সি-স্টেজে পারমাণবিক চুল্লি, শীতলীকরণ ব্যবস্থা, টারবাইন, জেনারেটর, বিদ্যুৎ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। ধাপে ধাপে চুল্লির ক্ষমতা বাড়িয়ে এসব যন্ত্রপাতির নিরাপদ ও স্থিতিশীল কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। সব পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ প্রক্রিয়ায় প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন সৃষ্টি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত ও স্থিতিশীলভাবে তাপশক্তি উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদার আহ্বান

 

পরবর্তী ধাপগুলোতে উৎপাদনক্ষমতা বাড়িয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা যাচাই করা হবে। এর আগে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা অনুসরণ করে রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটের ‘বি-১’ পর্যায়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। তবে স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভের পরীক্ষায় জটিলতা দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে ত্রুটি সংশোধন ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন করে বায়েরার অনুমোদন নেওয়া হয়। গত ১১ অক্টোবর প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া বা ক্রিটিক্যালিটি শুরু হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পারমাণবিক চুল্লির ভেতরে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার আচরণ যাচাই এবং উৎপাদনসংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি ধাপে পরীক্ষা করা হয়। রূপপুর প্রকল্পের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শুরুর আগে বায়েরার অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। এদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্যও পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার না হলে ক্ষমতায় যিনিই যাবেন হাসিনা হয়ে উঠবেন: নাহিদ ইসলাম

 

দ্বিতীয় ইউনিটের ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টরের প্রাথমিক জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য এ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রকল্পটির দ্বিতীয় ইউনিট চালুর প্রস্তুতিও এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। কেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটমের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের মাধ্যমে রূপপুরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট নির্মাণ করা হচ্ছে। দুটি ইউনিট চালু হলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা দাঁড়াবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়াকে বাণিজ্যিক উৎপাদনের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর আগে নির্ধারিত সব পরীক্ষা ও নিরাপত্তা যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  বদলির দুই মাস পরও অবমুক্ত নন সাজেদুল, কার্যকর হচ্ছে না ভূমি সংস্কার বোর্ডের আদেশ?