Dhaka ০৮:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মেঘনা নদীর তীর ধসে নিখোঁজ দুই বন্ধুর একজনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ১ জন দাগনভূঞা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত জনমত যাচাই শেষে বিএনপির একক প্রার্থী ঘোষণা করা হবে: ফারুক ঢাকার উত্তরে বিএনপির নগরপিতা হচ্ছেন কে? বাংলাদেশিদের ভাত খাওয়া কমছে বাড়ছে মাছ-মাংস-ফল মাদক ব্যবসা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার পদ স্থগিত গ্যাস-বিদ্যুৎ ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবে বিরোধী দল: নাহিদ ইসলাম দিনাজপুরে ৬৫৭ বস্তা সার জব্দ,দুই ডিলারকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ ওয়াদুদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

বিপুল অস্ত্রশস্ত্রসহ সুন্দরবনের ‘নানা ভাই বাহিনীর’ আত্মসমর্পণ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:২০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ সময় দেখুন

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনের কুখ্যাত নানা ভাই বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ডাকাত দলের ১২ সক্রিয় সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা থানার সুন্দরবনের ধানসিদ্ধির চর এলাকায় তারা আত্মসমর্পণ করেন। কোস্টগার্ড জানায়, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানে এ পর্যন্ত ২৯ জন বনদস্যুকে আটক এবং দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে সুন্দরবনের বিভিন্ন দস্যু বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার বিকেল ৬টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা থানার সুন্দরবনের ধানসিদ্ধির চর এলাকায় নানা ভাই বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।

আরও পড়ুনঃ  মাদক ব্যবসা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার পদ স্থগিত

আত্মসমর্পণের সময় তাদের কাছ থেকে একটি এইট শুটার, একটি সিক্স শুটার, একটি ফোর শুটার, একটি সাইড হেমার, একটি বোল্ট অ্যাকশন পিস্তল, দুটি এমথ্রি গ্যাস গান, দুটি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল, দুটি ওয়ান শুটার, দুটি এয়ারগান, ২১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ২০ রাউন্ড ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তলের গুলি, পাঁচ রাউন্ড ৮ মি.মি. তাজা গোলা, ৪১৩ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, চারটি পিস্তল ম্যাগাজিন, দুটি এয়ারগান ম্যাগাজিন ও ছয়টি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়। কোস্টগার্ড জানায়, আত্মসমর্পণকারীরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি এবং জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কোস্টগার্ডের তথ্য অনুযায়ী, নানা ভাই বাহিনীর ১২ জনসহ ছোট সুমন বাহিনী, বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সদস্য ও ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীসহ মোট ৩৭ জন সক্রিয় ডাকাত এরই মধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  রাঙ্গুনিয়ায় তিন চালকলকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

জব্দ অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আত্মসমর্পণকারীদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রামে গোডাউন ভেঙে সার লুট
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মেঘনা নদীর তীর ধসে নিখোঁজ দুই বন্ধুর একজনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ১ জন

বিপুল অস্ত্রশস্ত্রসহ সুন্দরবনের ‘নানা ভাই বাহিনীর’ আত্মসমর্পণ

আপডেটের সময়: ০৫:২০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনের কুখ্যাত নানা ভাই বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ডাকাত দলের ১২ সক্রিয় সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা থানার সুন্দরবনের ধানসিদ্ধির চর এলাকায় তারা আত্মসমর্পণ করেন। কোস্টগার্ড জানায়, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানে এ পর্যন্ত ২৯ জন বনদস্যুকে আটক এবং দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে সুন্দরবনের বিভিন্ন দস্যু বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার বিকেল ৬টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা থানার সুন্দরবনের ধানসিদ্ধির চর এলাকায় নানা ভাই বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের ২০২৬-২৭ নির্বাচনে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হলেন ভোলার কামাল

আত্মসমর্পণের সময় তাদের কাছ থেকে একটি এইট শুটার, একটি সিক্স শুটার, একটি ফোর শুটার, একটি সাইড হেমার, একটি বোল্ট অ্যাকশন পিস্তল, দুটি এমথ্রি গ্যাস গান, দুটি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল, দুটি ওয়ান শুটার, দুটি এয়ারগান, ২১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ২০ রাউন্ড ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তলের গুলি, পাঁচ রাউন্ড ৮ মি.মি. তাজা গোলা, ৪১৩ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, চারটি পিস্তল ম্যাগাজিন, দুটি এয়ারগান ম্যাগাজিন ও ছয়টি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়। কোস্টগার্ড জানায়, আত্মসমর্পণকারীরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি এবং জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কোস্টগার্ডের তথ্য অনুযায়ী, নানা ভাই বাহিনীর ১২ জনসহ ছোট সুমন বাহিনী, বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সদস্য ও ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীসহ মোট ৩৭ জন সক্রিয় ডাকাত এরই মধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জনকল্যাণে ৫৭ বিজিবি

জব্দ অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আত্মসমর্পণকারীদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  রাঙ্গুনিয়ায় তিন চালকলকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা