Dhaka ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে তারাগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত নাগরপুরে দপ্তিয়র ইউপি চেয়ারম্যান পদে গণসংযোগে ব্যস্ত যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নবী একরাতে দশ খড়ের পালায় আগুন আতঙ্কে দিনাজপুরের তিন গ্রাম মথুরার কাঁচরাস্তা যেন এক মরণফাঁদ: চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী সৈয়দা রওশন আরা বেগম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কাশিমপুরে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করার অভিযোগ দশটি মসজিদে ৩০ লাখ টাকার অনুদান দিলেন এমপি অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম হাকিমপুরে মাদক সেবনের দায়ে নারীসহ চারজনের ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা হুঁশিয়ারি: জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের কুলিয়ারচরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

দেবিদ্বারে সড়ক সংস্কারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১৬ নং মোহনপুর ইউনিয়নের কুরুইন গ্রামের মঙ্গলের পুকুর পাড় থেকে মোহনপুর বাজার পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ৬ জুলাই (সোমবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করার চেষ্টা করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। টেকসই সড়ক নিশ্চিত করতে এবং দুর্নীতি রুখতে উপজেলা প্রকৌশলী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দ্রুত ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। ​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলের পুকুর পাড় থেকে মোহনপুর বাজার পর্যন্ত সড়কটি এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। দীর্ঘদিন পর সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় মানুষের মনে স্বস্তি ফিরলেও, কাজের শুরুতেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সেই স্বস্তি এখন ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাস্তায় সিডিউল বহির্ভূতভাবে অত্যন্ত নিম্নমানের ৩ নম্বর ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। কাজ চলাকালীন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল কার্যালয়ের কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদারকি করতে দেখা যায়নি, যার ফলে ঠিকাদার নিজের ইচ্ছেমতো কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ​সড়কটির কাজ টেকসই না হলে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি কয়েক মাসের মধ্যেই এটি আবার আগের মতো বেহাল হয়ে পড়বে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন—এই প্রকাশ্য অনিয়মের দায় আসলে কার? ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অতি-মুনাফার লোভ, নাকি স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগের চরম উদাসীনতা ও নীরবতা? স্থানীয়দের মতে, সরকারি উন্নয়ন কাজের মান বজায় রাখার মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগের, কিন্তু তাদের সঠিক নজরদারি না থাকায় ঠিকাদাররা পার পেয়ে যাচ্ছে। ​জনগণের দুর্ভোগ লাঘব ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেবিদ্বার উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। একই সাথে, এই অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালে সাংবাদিকদের সাথে সাংসদ সরোয়ারের মত বিনিময়
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে তারাগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত

দেবিদ্বারে সড়ক সংস্কারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৫:৩৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১৬ নং মোহনপুর ইউনিয়নের কুরুইন গ্রামের মঙ্গলের পুকুর পাড় থেকে মোহনপুর বাজার পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ৬ জুলাই (সোমবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করার চেষ্টা করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। টেকসই সড়ক নিশ্চিত করতে এবং দুর্নীতি রুখতে উপজেলা প্রকৌশলী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দ্রুত ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। ​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলের পুকুর পাড় থেকে মোহনপুর বাজার পর্যন্ত সড়কটি এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। দীর্ঘদিন পর সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় মানুষের মনে স্বস্তি ফিরলেও, কাজের শুরুতেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সেই স্বস্তি এখন ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাস্তায় সিডিউল বহির্ভূতভাবে অত্যন্ত নিম্নমানের ৩ নম্বর ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। কাজ চলাকালীন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল কার্যালয়ের কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদারকি করতে দেখা যায়নি, যার ফলে ঠিকাদার নিজের ইচ্ছেমতো কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ​সড়কটির কাজ টেকসই না হলে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি কয়েক মাসের মধ্যেই এটি আবার আগের মতো বেহাল হয়ে পড়বে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন—এই প্রকাশ্য অনিয়মের দায় আসলে কার? ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অতি-মুনাফার লোভ, নাকি স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগের চরম উদাসীনতা ও নীরবতা? স্থানীয়দের মতে, সরকারি উন্নয়ন কাজের মান বজায় রাখার মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগের, কিন্তু তাদের সঠিক নজরদারি না থাকায় ঠিকাদাররা পার পেয়ে যাচ্ছে। ​জনগণের দুর্ভোগ লাঘব ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেবিদ্বার উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। একই সাথে, এই অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

আরও পড়ুনঃ  কাজ শেষ না করেই ঠিকাদারের পুরো বিল উত্তোলন