Dhaka ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাদের মির্জা ও পরিবারের বিরুদ্ধে দুদকের তিন মামলা রাজশাহী মহানগরীর শান্তি বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে: মাহফুজুর রহমান রিটন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ওয়াশিং ফ্যাক্টরির মেশিনে কাটা পড়ে শিশু শ্রমিকের মৃত্যু অভিযান আর জরিমানায় থামছে না মিঠাপুকুরের ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য লালপুরে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত এক বছরে ১২ লক্ষাধিক টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, ঈদগাঁও মডেল হাসপাতাল হাত পায়ের রগ অবশ,চিকিৎসার খরচ জোগাতে পারছেন না ক্ষেতলালের কাউছারের পরিবার পত্নীতলায় আদিবাসীদের বর্ণাঢ্য কারাম উৎসব পালিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় মোবাইল কোর্ট, ৭ জনের কারাদণ্ড দ্রুত বিচার দ্রুত রায়-শাস্তি কার্যকরে দীর্ঘ অপেক্ষা

দেবিদ্বারে আত্মহত্যার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় মা ও ভাতিজিকে খুন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৫০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৭ সময় দেখুন

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবিদ্বারে আত্মহত্যার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় নিজের মা ও আট মাসের এক শিশুকে নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ইমন (২৪) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তাঁর ভাবিকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ইমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ​নিহত ব্যক্তিরা হলেন—বড়শালঘর গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী এবং অভিযুক্ত ইমনের মা পেয়ারা বেগম (৬২) ও তাঁর আট মাসের নাতনি ইসরাত। আহত ভাবি রাবেয়া বেগম (২৫) কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে ২০১৮ সালে পা ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ইমন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তাঁর পায়ে দুই দফায় অস্ত্রোপচার করা হলেও পুরোপুরি সুস্থ হননি।

আরও পড়ুনঃ  হোসেনপুরে নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

এরপর থেকেই তাঁর আচার-আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।​পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানান, গত রোববার দিবাগত রাতে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তখন তাঁর মা ও ভাবি তাঁকে নিবৃত্ত করেন। এ নিয়ে সোমবার সকালে মা ও ভাবির সঙ্গে তাঁর বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে তিনি নিজের মা পেয়ারা বেগমকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। এ সময় মায়ের কোলে থাকা শিশু ইসরাতও আঘাতের শিকার হয়। পরে রাবেয়া বেগম বাধা দিতে গেলে তাঁকেও কুপিয়ে জখম করেন ইমন। ​চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পেয়ারা বেগম ও শিশু ইসরাতকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রাবেয়া বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত ইমনকে একটি ঘরে তালাবদ্ধ অবস্হায় হেফাজতে নেয়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত ও ইমনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সুবর্ণচরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাদের মির্জা ও পরিবারের বিরুদ্ধে দুদকের তিন মামলা

দেবিদ্বারে আত্মহত্যার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় মা ও ভাতিজিকে খুন

আপডেটের সময়: ০৩:৫০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবিদ্বারে আত্মহত্যার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় নিজের মা ও আট মাসের এক শিশুকে নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ইমন (২৪) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তাঁর ভাবিকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ইমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ​নিহত ব্যক্তিরা হলেন—বড়শালঘর গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী এবং অভিযুক্ত ইমনের মা পেয়ারা বেগম (৬২) ও তাঁর আট মাসের নাতনি ইসরাত। আহত ভাবি রাবেয়া বেগম (২৫) কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে ২০১৮ সালে পা ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ইমন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তাঁর পায়ে দুই দফায় অস্ত্রোপচার করা হলেও পুরোপুরি সুস্থ হননি।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় মোবাইল কোর্ট, ৭ জনের কারাদণ্ড

এরপর থেকেই তাঁর আচার-আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।​পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানান, গত রোববার দিবাগত রাতে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তখন তাঁর মা ও ভাবি তাঁকে নিবৃত্ত করেন। এ নিয়ে সোমবার সকালে মা ও ভাবির সঙ্গে তাঁর বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে তিনি নিজের মা পেয়ারা বেগমকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। এ সময় মায়ের কোলে থাকা শিশু ইসরাতও আঘাতের শিকার হয়। পরে রাবেয়া বেগম বাধা দিতে গেলে তাঁকেও কুপিয়ে জখম করেন ইমন। ​চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পেয়ারা বেগম ও শিশু ইসরাতকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রাবেয়া বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত ইমনকে একটি ঘরে তালাবদ্ধ অবস্হায় হেফাজতে নেয়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত ও ইমনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৬ ককটেল ও ৪ পেট্রোল বোমা উদ্ধার