
গফরগাঁও উপজেলা প্রতিনিধি (ময়মনসিংহ)
ময়মনসিংহের নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার পাইথল ইউনিয়নে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাউল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও কার্ড আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ডিলারের এমন কর্মকাণ্ডে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাইথল ইউনিয়নে দুস্থ ও অসহায় পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাউল বিতরণে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম চলছে। বহু হতদরিদ্র মানুষের চাল বিতরণের কার্ড দীর্ঘদিন ধরে জমা রেখে চাল না দিয়েই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, কার্ডগুলো আজও ফেরত পাননি প্রকৃত মালিকেরা।
এছাড়া সাম্প্রতিক চাল বিতরণে প্রতি কার্ডধারীর কাছ থেকে ৪৫০ টাকা রাখা হলেও নিয়মানুযায়ী ৩০ কেজির জায়গায় ২৩ থেকে ২৫ কেজি চাল দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা নাম প্রকাশ করে অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনার জন্য সরাসরি অভিযুক্ত ডিলার নুরুজ্জামানকে দায়ী করেছেন তারা।
চাল ওজনে কম দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার নাহিদ হোসেন মুঠোফোনে জানান, ‘চাউল মাপার মেশিনে ত্রুটি (সমস্যা) থাকার কারণে ওজনে কম হয়েছে।’ তবে ডিলার ও সরকারি কর্মকর্তার এমন হাস্যকর ও দায়সারা অজুহাত সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে গফরগাঁও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ইউসিএফ) মো: আবদুল্লাহ্ ফারুক বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে সচেতন এলাকাবাসী সরকারি চাল চুরির এই ঘটনার সুনির্দিষ্ট তদন্ত দাবি করেছেন। জড়িত ডিলারসহ অন্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তারা ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক (DC) এবং গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (UNO) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রতিবেদকের নাম 


















